কালিয়াচকের বাংলাদেশ সীমান্তে তাঁতিদের দুর্গা এখন পাঁচটি গ্রামের এক মাত্র পুজো

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি,কালিয়াচক:পূর্ববঙ্গের কাঁটাতারের ওপারে তাঁতিদের দুর্গাপুজো এখন ভারতের সীমান্ত এলাকার একমাত্র পুজো।এক সময়ে বাংলাদেশের অন্যতম মিষ্টি দরবেশ, চমচম ও ভালো তসরের শাড়ি আসতো।বর্তমানে লুচি , বোদে ও খিচুড়ি ভোগ দেওয়া হয়।এই উমার আরাধনা হয় পাচটি গ্রাম নিয়ে। সীমান্ত এলাকায় এই দুর্গাপুজোতে অংশগ্রহন করেন বিএসএফ কর্তারা।মালদহের কালিয়াচকের(Kaliyachak) ষষানি গ্রাম থেকে হয়ে আসছে এই প্রাচীন পুজো।জানা গিয়েছে,সীমান্ত এলাকায় এই পুজো এপার বাংলা এবং ওপার বাংলার পুজো।বাংলাদেশের জমি বিনিময়ের ফলে স্থানীয় সুধীর জামাদার ও সুবোধ সরকারের মিলিত প্রচেষ্টায় এই দুর্গাপুজো হয়।মন্দির থেকে প্রায় একশো মিটারের মধ্যেই ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত।দেশের একেবারেই শেষ সীমানা।আর এখানেই হয় শতাব্দীর প্রাচীন দুর্গাপুজো।

হয়তো অনান্য পুজোর মত জাঁকজমক ও আড়ম্বর নেই। তবে এই পুজোকে আঁকড়ে ধরে রয়েছে সীমান্তবর্তী পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দারা। মালদহের কালিয়াচকের ষষানি গ্রামে(Sashani Village) হয়ে আসছে এই প্রাচীন পুজো। আশেপাশের পাঁচটি গ্রাম মিলে হয় এই একটি মাত্র পুজো। আর এই পুজোকে ঘিরেই আনন্দে মেতে ওঠেন সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা। অন্যান্য পুজার থেকে কোন অংশে কম নেই এই পুজোর প্রস্তুতি। পুজোয় শামিল হয়ে থাকেন বিএসএফ কর্মীরাও। কারণ পাশেই রয়েছে বিএসএফ ক্যাম্প। প্রতিবছর সীমান্তের এই পুজোয় চাঁদা দেওয়া থেকে পুজোয় অংশগ্রহণ করে আসছেন স্থানীয় বিএসএফ(BSF) কর্মীরা।গ্রামের পাশ দিয়েই গিয়েছে সীমান্তের তাঁর বেড়া। গ্রাম জুড়ে প্রায় নিয়মিত চলে বিএসএফ টহলদারি।একসময় যখন তার ও বেড়া ছিল না সেই সময় বাংলাদেশের নাগরিকেরাও এই পুজোয় এসে সামিল হতেন।দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই গ্রামে বসত বিশাল মেলা। সময়ের সঙ্গে তা যেন কোথায় বিলীন হয়েছে। এখন দুই দেশের সীমান্তের তার বেড়া বাঁধা সৃষ্টি হয়েছে।ইচ্ছা থাকলেও বাংলাদেশের বাসিন্দারা আর এই পুজোয় সামিল হতে পারছেন না।তবে এই পুজোয় একটুকু খামতি রাখেননি বর্তমান উদ্যোক্তারা।পুজোকে ঘিরে পাঁচ দিনব্যাপী চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।ষষানি সার্বজনীন দুর্গাপুজো এই বছর ১১৯ তম বর্ষ।

বর্তমান উদ্যোক্তা হারধন রজক বলেন, এই পুজোর সূচনা হয়েছিল অবিভক্ত বাংলাদেশ। তারপর দেশ ভাগের সময় জমি বিনিময়ের ফলে পুজো এখানেই শুরু করেন সেই সময়ের উদ্যোক্তারা।স্থানীয় বাসিন্দা সুধীর জমাদার ও সুবোধ সরকার পুজোর নামে জমি দান করায় সেখানেই গড়ে উঠেছে ঠাকুরদালান।আরেক বাসিন্দা, সত্যরঞ্জন সরকার বলেন,একসময়ে বাংলাদেশের শিবগঞ্জের(Sibganj) দরবেশ মিষ্টি ও তসরের শাড়ি মাকে দেওয়া হত। বর্তমানে লুচি , বোদে ও খিচুড়ি ভোগ দেওয়া হয়। তারকাঁটা যখন ছিল না দেশ ভাগ হয় নি তখন ওপারের লোক এই দুর্গা পুজোয় অংশগ্রহন করতো। প্রতিবছর পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই পুজোয় সামিল হয়ে থাকেন। পুজো হয় ধুমধাম করে।

জুতো হারিয়ে চরম বিপাকে ব্যক্তি! শেষমেশ AI-কে ‘গোয়েন্দা’ বানিয়ে খুঁজে পেলেন খড়ম, ভাইরাল ভিডিও

১২ ঘন্টার ব্যবধানে ফের জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, মাত্রা ৬.৯

‘১২ বছরের সংসার, অথচ স্বামীর পেশাই জানি না’, ধৃত পাক-চর সফিকুলককে নিয়ে বিস্ফোরক স্ত্রী

‘মেধাবী, শান্ত ছেলে ও এমন কাজ করতেই পারে না’, বাদুড়িয়ার যুবকের গ্রেফতারির পর প্রতিক্রিয়া পরিবারের

যন্ত্রণায় কাতরাতে-কাতরাতে ক্রিজ ছাড়লেন লোকেশ রাহুল, আচমকা কী হল?

দিঘা যাওয়ার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, পাল্টি খেয়ে খালে পড়ল চার চাকার গাড়ি, নিহত ২

স্বাধীনতা দিবসের দিন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বিস্ফোরণে উড়ল দুজনের হাত

১৩ মাস বাদে ফিরেই টেস্ট ক্রিকেটে রেকর্ড গড়লেন অজি বোলার

প্রবল ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৮, বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

স্বাধীনতা দিবসের দিনে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে গ্রেফতার তিন পাক গুপ্তচর

শ্যামাপ্রসাদের ট্যাবলো থেকে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, স্বাধীনতা দিবসে নতুন রূপে রেড রোড

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নেমে সচিনের রেকর্ড ছুঁলেন যশস্বী

বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের জের, রবি থেকেই ভাসতে চলেছে বাংলা, শহরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

গান্ধিঘাটে চরকা কেটে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ‘বার্তা’ রাজ্যপালের