চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অমাবস্যা থেকে পূর্ণিমা, দুই চন্দ্রপর্বে  আধ্যাত্মিকতার বিস্তার

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাতের আকাশে চাঁদের গতিপথ পরিবর্তন শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিষয় নয়, অনেক সময়  এটি গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতারও প্রতীক। বিশেষ করে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা  দীর্ঘদিন ধরে মানুষের  অনুভূতি ও আত্মিক চর্চার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এই দুই চন্দ্রপর্ব আমাদের ভেতরের শক্তি ও চেতনার উপর সূক্ষ্ম প্রভাব ফেলতে পারে।আধ্যাত্মিক ধারনা অনুযায়ী, অমাবস্যা হলো নতুন শুরুর সময়। এই সময়টিকে অনেক ক্ষেত্রে  নতুন লক্ষ্য স্থির করার এবং মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ হিসেবে দেখা হয়, যেন অন্ধকার মাটিতে বীজ বপনের মতো শান্ত, কিন্তু সম্ভাবনাময়।

 

অন্যদিকে, পূর্ণিমা হলো সেই বীজের বিকাশের মুহূর্ত। এই সময় আবেগ তীব্র হতে পারে, চিন্তায় স্বচ্ছতা আসে এবং অনেক অপ্রকাশিত অনুভূতি সামনে চলে আসে। তাই পূর্ণিমাকে উপলব্ধি, মুক্তি এবং কৃতজ্ঞতার সময় হিসেবে ধরা হয় । এই দুই পর্যায়ে পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যেকার আকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পায়, যা সূক্ষ্ম শক্তির প্রবাহকে সক্রিয় করে। ফলে ধ্যান বা যোগচর্চা করলে তা আরও গভীর হতে পারে এবং আত্মিক বিকাশ দ্রুততর হতে পারে বলে মনে করা হয়।

 

আধ্যাত্মিক দর্শনের ভিত্তিতে , মানুষের ভেতরের শক্তি,যাকে ‘কুণ্ডলিনী শক্তি’বলা হয়। তা এই সময় সহজে নিম্ন চক্র থেকে উচ্চ চক্রে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে আত্ম-উপলব্ধি ও সচেতনতার পথ আরও উন্মুক্ত হয়। ব্যস্ত জীবনের মাঝে এই চন্দ্রচক্র যেন এক নীরব আহ্বান, নিজের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা এবং বৃহত্তর কোনও শক্তির উপস্থিতি অনুভব করার উত্তম সময়। এই ধারনা আধ্যাত্মিক বিশ্বাস ও প্রচলিত ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে তৈরি; বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে এটি  বিবেচিত নয়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গরমের সন্ধ্যায় সহজেই বানিয়ে ফেলুন ৫টি রিফ্রেশিং ককটেল রেসিপি

১০ মিনিটেই তৈরি ম্যাঙ্গো চিকেন স্যালাড, হালকা ও পুষ্টিকর রেসিপি

সোনার থেকেও দামি কাঠ , বিস্ময়কর ‘আগরউড’

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সহজ প্রাকৃতিক উপায় জানালেন পুষ্টিবিদ

পাহাড়ের কোলে মূক ও বধির দম্পতির অনন্য ‘পিসফুল বেকারি’

সহজেই বানিয়ে ফেলুন পুঁটি মাছের সুস্বাদু চচ্চড়ি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ