বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি অধ্যায় নিয়ে NCERT-এর পাঠ্যবই নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

ক্ষমা চেয়েও কোনও লাভ হল না। 'বিচার বিভাগীয় দুর্নীতি' অধ্যায়যুক্ত NCERT-এর অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য বই নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ক্ষমা চেয়েও কোনও লাভ হল না। ‘বিচার বিভাগীয় দুর্নীতি’ অধ্যায়যুক্ত NCERT-এর অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য বই নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। গতকাল থেকেই এই মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। আর ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের দেশের বিচারব্যাবস্থার দুর্নীতি পড়িয়ে তাঁদের মনে খারাপ প্রভাব ফেলার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নেতৃত্বাধীন NCERT-কে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এরপর ক্ষমা চেয়ে বিতর্কিত ওই চ্যাপ্টার সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়ে ছিল NCERT। কিন্তু শেষমেষ শুনল না সুপ্রিম কোর্ট। বই নিষিদ্ধ করল। বাজার থেকে এই পাঠ্যপুস্তক সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। গতকাল NCERT-কে চরম ভর্ৎসনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। আজও সমালোচনা করেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এই বই নিয়ে স্কুল দফতর এবং NCERT-এর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছিল। গত সোমবার থেকেই এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেছিল দেশের বিচারবিভাগ। কপিল কপিল সিব্বল এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির তরফ থেকে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে উত্থাপন করা হয়েছিল।

এরপর মঙ্গলবার তাঁরা প্রধান বিচারপতির এজলাসে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়েরের কথা বলেন এবং স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়। অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সেই মামলার শুনানি করল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানেই এনসিইআরটি-র বইটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার আদালতে ডিভিশন বেঞ্চ গোটা ঘটনাটিকে ‘মারাত্মক অবমাননাকর’ এবং ‘বেপরোয়া’ বলে চিহ্নিত করেছে। আদালত ভারতে বইটি নিষিদ্ধ করেছে এবং সমস্ত কপি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বইগুলির পাতা অনলাইনে শেয়ার করার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিচারপতি NCERT-কে তীব্র ভর্ৎসনা করে আরও বলেছেন, বন্দুক গুলি থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। বিচার ব্যবস্থাকে রক্তাক্ত করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ​সম্প্রতি এনসিইআরটি অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান পাঠ্যবইয়ে ‘আমাদের সমাজে বিচারবিভাগের ভূমিকা’ (The Role of the Judiciary in Our Society) শীর্ষক একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। সেখানে দেশের বিচার ব্যবস্থার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে ‘বিভিন্ন স্তরে বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’, ‘বিপুল পরিমাণ মামলার পাহাড়’ (Case Backlog)-এর কথাও আলোচনা করা হয়েছে। এমনকি অধ্যায়ে আরও দাবি করা হয়েছে যে, দেশের বিচারব্যবস্থার এই দুর্নীতির ফলে দেশের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষেরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অধ্যায়টিতে আদালতের শ্রেণিবিন্যাস, ন্যায়বিচারের কথা, দুর্নীতি এবং মামলার জট-সহ বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলির কথাও বলা হয়েছে। এছাড়াও বিতর্কিত ওই অধ্যায়ে বিচারবিভাগের কিছু পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট (৮১,০০০), হাইকোর্ট (৬,২৪০,০০০) এবং জেলা ও অধস্তন আদালতে (৪৭,০০০,০০০) বিচারাধীন মামলার আনুমানিক সংখ্যা তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। হাইকোর্টগুলিতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ মামলা বকেয়া রয়েছে। ​নিম্ন আদালত গুলিতে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলার পাহাড় জমে আছে। তা নিয়েই বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল।

রাম মন্দিরের চাঁদা চুরি কাণ্ডে আটজনের নামে এফআইআর, পুলিশের জালে দুই

তারাতলাকাণ্ডে ফিরহাদের ‘ঘনিষ্ঠ’ কালীকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ

শুক্রবার সকালে চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান

বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সোমে বিধানসভায় আসছে বিল

বজ্রপাত হলে কী করবেন, কী করবেন না? সামান্য অসাবধানতায় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

কলকাতার রাস্তায় বেহালা বাজিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই, অশীতিপর বৃদ্ধের পাশে আনন্দ মাহিন্দ্রা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিকর মন্তব্য, তমলুকে গ্রেফতার যুবক

সাবধান, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল দুর্যোগ! জারি কমলা সতর্কতা

জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনিজুয়েলা, ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

আর জি কর কাণ্ড: ‘তদন্তের অগ্রগতি হয়নি,’ সিবিআই-য়ের উপর ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট

বুধে তারাতলার অভিশপ্ত এলাকায় জল দিতে যাননি, বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন নীলা দেবী

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে ইনস্টায় বায়ো পরিবর্তন শ্রেয়সের, দিলেন কোন বার্তা?