‘আমি যাব না, স্কুলে যাব না’, গাছের মগডালে চড়ে বসল শিশু

স্কুলে গেলে তো সারাদিন দস্যিপনা করা যবে না। গ্রামের মাঠেঘাটে ঘুরে বেড়ানো যাবে না। তাই স্কুলে যাওয়ার কথা শুনেই গাছের মগডালে চড়ে বসে কৌশিক।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কচি সে এখনও। তবে স্কুলে যাওয়ার বয়স তার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সে যাবে না স্কুলে। অনেক বুঝিয়েসুজিয়ে ভয় দেখিয়েও তাকে স্কুলে পাঠাতে পারেনি বাড়ির কেউ। সে স্কুলে যাবে না কেন? নাহ স্কুলে গেলে তো সারাদিন দস্যিপনা করা যবে না। গ্রামের মাঠেঘাটে ঘুরে বেড়ানো যাবে না। গাছে চড়া যাবে না। বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে পারবে না। এদিকে গ্রামে এসে বাড়ি বাড়ি খোঁজ নেওয়া শুরু করেছিল স্কুলের টিচাররা। কার বাড়ির কোন ছেলে স্কুলে যাচ্ছে না, স্কুলে আসছে না, সেটাই তাঁরা দেখতে এসেছিলেন। আর তখনই সেই দস্যির সন্ধান পেয়েছিলেন তাঁরা। আর তাঁদের দেখেই সেই দস্যি করল কী? বাড়ি থেকে বেড়িয়ে সোজা চড়ে বসল গাছের মগডালে(Climbs Top of the Tree)। নাও এবার পাঠাও স্কুলে(School)!

জানা গিয়েছে সেই দস্যির নাম কৌশিক। বাড়ি তার তেলেঙ্গানার(Telangana) আসিফাবহাদ জেলার কুমরমভীম ব্লকের দুর্গওয়াড়া গ্রামে। গত মঙ্গলবার সেই গ্রামেই গিয়েছিলেন মণ্ডল পরিষদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। স্কুলছুটদের আবার স্কুলে ফেরাতে তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঢুঁ মারতে শুরু করেছিলেন। সেই সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়েছে, অথচ যে বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে না, তাদের খোঁজ নেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়েই তাদের নজর পড়ে ৬ বছরের(A boy of 6 Years) কৌশিকের ওপর। স্কুলের টিচাররা যখন কৌশিকের মায়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন, কেন কৌশিক এখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি, স্কুলে যায় না, এইসব নিয়ে সেই সব কথা শুনেই দস্যি একছুটে বাড়ি ছেড়ে চড়ে বসে গাছের মাথায়। গাছের ওপরে বসেই জানিয়ে দেয় সে কিছুতেই সে স্কুলে যাবে না। এদিকে গাছের উঁচু ডাল থেকে একবার পা ফসকালে সোজা ধপাস তো হবেই, হাত-পাটাও আর আস্ত থাকবে না। সেই ভয়ে কৌশিকের মায়ের মুখ হয়ে যায় কাঁদো কাঁদো।

শেষে অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে কৌশিককে গাছ থেকে নামিয়ে আনতে ঘাম ছুটে যায় গ্রামের লোক থেকে সেই স্কুল টিচারদের। কৌশিকের মায়ের দাবি, অনেক বার তিনি ছেলেকে স্কুলে পাঠাতে চেয়েছেন। কিন্তু স্কুলে কিছুতেই যেতে চায় না সে। এই রকমই সব ঘটনা ঘটায়। তাই আর জোর করেন না। শেষে স্কুলে যেতে রাজি হয় কৌশিক। কেননা স্কুলের টিচাররা তাকে জানায় যে, স্কুলে শুধুই পড়াশোনা হয় না, অনেক খেলাধুলাও হয়। খেলতে খেলতে অনেক কিছু শিখে ফেলবে সে। স্কুলে গেলে অনেক রকম মজা হবে। আর সেই সব শুনেই সেই দস্যি রাজি হয় স্কুলে যেতে। তারপরে এদিনই তার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে স্কুলের ইউনিফর্ম আর পড়ার বই। এমনকি স্কুলের খাতাতেও তার নাম উঠে গিয়েছে।

কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাবেন, কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদে পড়বেন……

ঋতুস্রাবের আগে মিষ্টি দেখলেই জিভে জল! কেন এমন হয় জানেন?

হেয়ার কালার দ্রুত ফিকে হয়ে যাচ্ছে? চুলে রং ধরে রাখতে মেনে চলুন এই নিয়ম

পিরিয়ডের অনিয়ম ও ব্রনের সমস্যা! হতে পারে PMOS-এর লক্ষণ

শিলিগুড়িতে ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সাজবেন মা দুর্গা, বড় চমক কোন পুজো কমিটির?

গরম ভাতের সঙ্গে নুন মেখে খান? জানেন অজান্তে শরীরের কতটা মারাত্মক ক্ষতি করছেন!

‘ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেব না’, রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় হুঙ্কার ট্রাম্পের

উলটপুরাণ! রাজস্থানের নাগৌরে উপপুরপ্রধান পদে বিজেপি কাউন্সিলরদের সমর্থনে জয়ী নির্দল মুসলিম প্রার্থী

তেণ্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে দিলেন জো রুট, নাম লেখালেন তেইশ হাজারি ক্লাবে

দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে জাতীয় পুরস্কার নিলেন কার্তিক-মাম্মুটি-রণদীপরা

চা শ্রমিকদের বাড়ির মালিকানা দেওয়া হবে, পুজোর মুখে বড় ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর

থামল গতির ঝড়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তারকা ফাস্ট বোলার

মোথাবাড়িতে বিচারকদের উপর হামলাকাণ্ডে সাবিনা ইয়াসমিনকে তলব এনআইএ-র

কোচবিহারে পর্যটক টানতে বিশেষ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর