চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে দশম শ্রেণির ছাত্রদের দিয়ে মারার নির্দেশ প্রধানশিক্ষকের, তারপর যা ঘটল….

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ সরকারি স্কুলে নির্মম, নিষ্ঠুর শাস্তি দেওয়া হল সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রকে। এই ঘটনা এখন প্রকাশ্যে আসায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কর্পোরাল পানিশমেন্টের মর্মান্তিক উদাহরণ হয়ে রইল এই ঘটনা। সব থেকে বড় কথা সরকারি স্কুলে এমন ঘটনা বাকি ছাত্রদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। হায়দরাবাদের কমপ্যালি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুলের অধ্যক্ষের সরাসরি নির্দেশে দশম শ্রেণির সিনিয়র ছাত্রদের একটি দল সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক ক্ষোভের সৃটি হয়েছে।

এদিকে এইঅভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম কৃষ্ণ। তিনি ডুন্ডিগালের ইনচার্জ মন্ডল শিক্ষা কর্মকর্তা (এমইও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। যা শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং কল্যাণ রক্ষার জন্য একটি পদ। এই পদে থেকে কেমন করে নিষ্ঠুর ঘটনাটি ঘটালেন?‌ এই প্রশ্ন এখন উঠতে শুরু করেছে। স্কুলের সাইকেল স্ট্যান্ডে সাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরি এবং টায়ার ফেটে যাওয়া নিয়ে সামান্য বিরোধের জেরে এই হিংসা নামিয়ে আনা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার মধু নামে একজন শিক্ষক সপ্তম শ্রেণির আক্রান্ত ছাত্র ফণীন্দ্র সূর্যকে সাইকেল স্ট্যান্ডে সাইকেলের খোঁজখবর নিতে পাঠিয়েছিলেন। যখন সূর্য সাইকেল স্ট্যান্ডে গিয়ে পরীক্ষা করছিল তখন আরেকজন শিক্ষক নাম চ্যারি, তাকে দেখতে পান। তাই সাইকেলে কারচুপির জন্য সূর্যই দায়ী বলে ধরে নিয়ে শিক্ষক চ্যারি ছেলেটিকে প্রধান শিক্ষকের অফিসে নিয়ে যান।

অন্যদিকে নিরপেক্ষ তদন্তের পরিবর্তে প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ দশম শ্রেণির ছাত্রদের নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করেন এবং নির্দেশ দেন, সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ফণীন্দ্র সূর্যকে মারতে। ছাত্রটির পিঠে লাঠি দিয়ে মারতে নির্দেশ দিলে প্রচণ্ড মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে ফণীন্দ্র সূর্য বাড়ি ফিরে তার বাবা–মাকে তার সঙ্গে ঘটা সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। তার বাবা শিব রামকৃষ্ণ, নির্যাতনের শারীরিক চিহ্ন দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান। মারধরের সময় যে আঘাত লেগেছে তার জন্য এখন সূর্যের চিকিৎসা চলছে। আক্রান্ত ছাত্রের বারা তারপর অভিযোগ দায়ের করেন পুলিশে।

তাছাড়া এই ঘটনা নিয়ে হইচই শুরু হতেই স্কুলের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ, দুই শিক্ষক মধু এবং চ্যারির ভূমিকা তদন্ত করছেন। এই ঘটনা শিক্ষার অধিকার আইনের পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে অন্যান্য অভিভাবক এবং স্থানীয় সমাজকর্মীরা অধ্যক্ষ কৃষ্ণকে প্রধানশিক্ষকের পদ থেকে অবিলম্বে বরখাস্ত করার দাবি জানাচ্ছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনা জুভেনাইল জাস্টিস আইনের অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় শিউরে উঠেছেন বাকি অভিভাবকরা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তাপপ্রবাহে পুড়ছে মহারাষ্ট্র, হিটস্ট্রোকের বলি অটোচালক

শুশ্রূষার জন্য ছাড়তে হয়েছিল চাকরি, অসুস্থ মাকে চারতলা থেকে ফেলে দিল গুণধর ছেলে

রোদের মধ্যে গেটে বাঁধা ৫ বছরের নাতনি, চাকরি গেল পুলিশকর্মী দিদার

‘সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও’, TCS কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিযোগ কর্মীর

ভয়াবহ দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে, লরি ও বোলেরোর মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৮ তীর্থযাত্রী

CBSC-র দশম শ্রেণীর ফলাফল প্রকাশ, কীভাবে জানবেন রেজাল্ট?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ