শিন্ডে গোষ্ঠীকে শিবসেনার প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ‘ঘাসফুল’ কার দখলে যাবে তা চূড়ান্ত করার মুখেই মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীকে শিবসেনার প্রতীক ‘ধনুক-তীর’ বরাদ্দ নিয়ে শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়ল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছে, ‘কেন নির্বাচন কমিশন শিবসেনার একটি গোষ্ঠীকে ‘ধনুক-তীর’ প্রতীক বরাদ্দ করল? কেন দুই গোষ্ঠীকে নিজেদের শক্তিতে আলাদাভাবে নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দিল না?’ আদালত এ প্রশ্নও তুলেছে যে, বিধায়ক বা সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার বিষয়টি যখন বিচারাধীন, তখন আইনসভার ভেতরে দলের শক্তি বা সংখ্যার বিষয়টি আদৌ নির্ণায়ক হতে পারে কি না?

চার বছর আগে ২০২২ সালে ভাঙন ধরেছিল কট্টর হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচিত -বাল ঠাকরে প্রতিষ্ঠিত শিবসেনায়। বাল ঠাকরে পুত্র উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন একনাথ শিন্ডে। দুই গোষ্ঠীর লড়াই গড়ায় নির্বাচন কমিশনের দরবারে। বিধায়ক সংখ্যা বেশি রয়েছে এমন যুক্তি তুলে ধরে একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীকে ‘শিবসেনা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের দলের ‘ধনুক-তীর’ প্রতীকটি বরাদ্দ করে নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নাড়েন উদ্ধব ঠাকরে। এদিন ওই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনাকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চে।  শুনানিতে শিন্ডে গোষ্ঠীর আইনজীবী নীরজ কিষাণ কাউল আদালতে দাবি করেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে উভয় গোষ্ঠীর শক্তির পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশন ‘ধনুক-তীর’ প্রতীক বরাদ্দ করেছিল।

তখন বিচারপতি বাগচী প্রশ্ন তোলেন, ‘শিবসেনার কোন গোষ্ঠীটি দলের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করছে তা নির্ধারণের জন্য বিদ্যমান পদ্ধতিগুলো যদি যথেষ্ট না-ই হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশন কেন নিরপেক্ষ অবস্থান নেয়নি? দলের মূল নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে কোনও একটি গোষ্ঠীকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া উচিত হয়েছে কী?’ যদি সব মাপকাঠিই ত্রুটিপূর্ণ বা অকার্যকর বলে গণ্য হয়, তবে কমিশনের সামনে এই বিকল্পটি সবসময়ই খোলা ছিল যে তারা কোনও পক্ষকেই বাড়তি সুবিধা দেবে না। তাদের নিজেদের প্রতীক বেছে নিতে দিন এবং বালাসাহেবের শক্তির ওপর ভর না করে নিজেদের শক্তিতেই লড়তে দিন।’বিচারপতি বাগচী দশম তফসিলের অধীনে অযোগ্যতা ঘোষণার প্রক্রিয়া এবং কোনও রাজনৈতিক দলের সংরক্ষিত নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে বিরোধের মধ্যে পার্থক্যও ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘অযোগ্যতা ঘোষণার প্রক্রিয়াটি মূলত স্বতন্ত্র আইনপ্রণেতাদের কার্যকলাপের সাথে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, দলের সংরক্ষিত প্রতীক নিয়ে বিরোধটি সরাসরি রাজনৈতিক দলটির সাথেই জড়িত।’ বিচারপতিরা প্রশ্ন তোলেন, ‘যখন আইনপ্রণেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে অযোগ্যতা ঘোষণার প্রক্রিয়া বিচারাধীন রয়েছে, তখন কোনও একটি গোষ্ঠীকে সমর্থনকারী আইনপ্রণেতাদের সংখ্যাকে কি চূড়ান্ত নির্ণায়ক হিসেবে গণ্য করা যায়?

 

আফগানদের বিরুদ্ধে খুনে মেজাজে ব্যাটিং, ৩০ বলে শতরান করে বিশ্বরেকর্ড অভিষেকের

ত্রাণ শিবিরে ২৫ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে মণিপুর সরকারকে হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

দুই ছেলের হাত ধরে বিয়ের মণ্ডপে ইমরানের প্রাক্তন স্ত্রী জেমিমা, সমাজমাধ্যমে দিলেন ছবি

অপহরণের পর বন্দুক দেখিয়ে ২২ বছরের তরুণীকে গণধর্ষণ! নাম জড়াল প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের

সৌরভের বায়োপিকের শুটিং করেই বিপাকে কাউন্টি দল! পিচ নষ্টের অভিযোগে পেতে হল শাস্তি

​মেয়ের টিউশন দিদিমণির সঙ্গে অশালীন আচরণ! গ্রেফতার অভিযুক্ত আইনজীবী বাবা

‘প্রকৃত বিশ্বকর্মারা তৃণমূলকে বাংলা থেকে সরিয়ে দিয়েছে,’ দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

পুজোর মাসে আরও ১ লক্ষ পড়ুয়ার পাতে ইসকনের মিড ডে মিল, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিন্ডে গোষ্ঠীকে শিবসেনার প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ৬৪ শতাংশ ভারতীয়, সমীক্ষায় উদ্বেগজনক তথ্য

নোয়েল টাটার বিরোধিতা সত্বেও টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদে রইলেন চন্দ্রশেখরন

‘এটা রুচিসম্মত নয়’, ‘মির্জাপুর’-এর নির্মাতাদের তিরস্কার দিল্লি হাইকোর্টের, কিন্তু কেন?

বিপিএলে ম্যাচ গড়াপেটায় চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিককে চরম শাস্তি দিল বাংলাদেশ বোর্ড

ভোটে জিতে ‘নিখোঁজ’ বিধায়ক তাপস, চরম দুর্ভোগে ডোমজুড়বাসী