মেয়েরা তর্পণ করতে পারবেন না, শাস্ত্রে কোথাও লেখা নেই

সাধারণত পুরুষরাই পিণ্ডদান করলেও মহিলারাও কিন্তু সমান ভাবে পিণ্ডদানের অধিকারী। মেয়েরা তর্পণ করতে পারবেন না, এমন কথা শাস্ত্রে কোথাও লেখা নেই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরাণ অনুযায়ী জন্মের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির ওপর তিন ধরনের ঋণ বর্তায়। এগুলি হল – পিতৃ ঋণ, দেব ঋণ এবং ঋষি ঋণ। এর মধ্যে পিতৃ ঋণকে সর্বোপরি মনে করা হয়। এই ঋণ থেকে মুক্তির জন্য পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধ করা আবশ্যক। কিন্তু শ্রাদ্ধের পরেও মৃত ব্যক্তিকে প্রতিবছর জলদান করতে হয়। সেই জলদান করার কাজই হল তর্পণ(Tarpan)। আবার সেই তর্পণ যখন তখন করা যায় না। হিন্দুধর্ম মতে, পূর্বপূরুষের তর্পণের জন্য প্রশস্ত সময় হল পিতৃপক্ষ। ভাদ্র মাসের পূর্ণিমার পরেরদিন থেকে আশ্বিন মাসের অমাবস্যা পর্যন্ত সময়কে পিতৃপক্ষ বলা হয়। সেই পিতৃপক্ষ শেষ হয় যে অমাবস্যা তিথিতে সেইদিনকেই মহালয়া(Mahalaya) বলে চিহ্নিত করা হয়। সেইদিনই তর্পণের কাজ করা সব থেকে ভাল। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তোলেন মেয়েরা(Women) তর্পণের অধিকারী কিনা! সেই প্রশ্নের জবাব দিতেই এই লেখার অবতারণা।

সাধারণত মৃত ব্যক্তির পুত্রই তর্পণ করে থাকেন। তবে কোনও কোনও শাস্ত্রে মহিলাদেরও শ্রাদ্ধ করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। যেমন পুত্র না-থাকলে, মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর শ্রাদ্ধ করার অধিকার রয়েছে। হিন্দুধর্ম অনুযায়ী, মৃত পূর্বপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে কেউ তর্পণ করতে পারেন। সাধারণত পুরুষরাই পিণ্ডদান করলেও মহিলারাও কিন্তু সমান ভাবে পিণ্ডদানের অধিকারী। রামায়ণে দশরথের মৃত্যুর পর রামের অনুপস্থিতিতে তাঁকে পিণ্ডদান করেছিলেন সীতা। মেয়েরা তর্পণ করতে পারবেন না, এমন কথা শাস্ত্রে(Scripture) কোথাও লেখা নেই বলে জানাচ্ছেন অনেক শাস্ত্রকাররাই। শ্রাদ্ধে যেমন প্রয়াত পূর্বপুরুষদের শ্রদ্ধা জানানো হয়, তর্পণও তাই। পুত্র না থাকলে মৃত ব্যক্তির মেয়ে শ্রাদ্ধকর্মের অধিকারী(Proprietor)। মহাভারতেও মেয়েদের তর্পণের নিদর্শন আছে। মহাভারতে স্ত্রী পর্বে কৌরব রমণীদের তর্পণ করার বিশেষ উল্লেখ আছে।

মৃত ব্যক্তি অবিবাহিত হলে তাঁর মা এবং বোনও শ্রাদ্ধ করতে পারেন। পুত্র শ্রাদ্ধ কর্ম করতে না-পারলে পুত্রবধূ তা করতে পারেন। পুত্র ছাড়া পৌত্র ও প্রপৌত্রও পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধ কর্ম করার অধিকারী। পৌত্র বা প্রপৌত্র না-থাকলে, ভাই, ভাই-এর সন্তানরাও শ্রাদ্ধ করার অধিকারী। এ ছাড়াও মৃত ব্যক্তির মেয়ের পুত্র অর্থাৎ দৌহিত্র পূর্বপুরুষদের উদ্ধার করতে পারে। আবার ভাগ্নেও শ্রাদ্ধকর্ম করার অধিকারী। প্রিয়জনের মৃত্যুর পর তাঁর আত্মাকে মুক্তি দিতে পিণ্ডদান করা অবশ্যই প্রয়োজন বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী পিণ্ডদান করলে আত্মা নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে এবং আর জন্ম নিতে হবে না, অর্থাৎ কারোর নামে পিণ্ডদান করা হলে জন্ম ও মৃত্যুর এই চক্র থেকে সেই আত্মা চিরতরে মুক্তি লাভ করবেন। কালো তিল ও চালের মণ্ড বানিয়ে তা প্রয়াত পূর্বপুরুষের উদ্দশ্যে অর্পণ করা হয়। কাককে এক্ষেত্রে যমের দূত হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই সেই মণ্ড কাক খেলে প্রয়াত পূর্বপুরুষের আত্মা শান্তিলাভ করল বলে মনে করা হয়।  

সিজেপি আন্দোলনের পর থেকেই উপচে পড়ছে বিয়ের প্রস্তাব, কবে গাঁটছড়া বাঁধছেন অভিজিৎ দীপক?

‘সঙ্ঘই প্রধান শত্রু,’ লোকসভায় জানালেন রাহুল গান্ধি

দুই দেওরের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক! স্বামী জানতেই ভয়ানক কাণ্ড ঘটালেন নববধূ

দেশে ফেরার দু’দিন আগে নিউ জার্সিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হায়দরাবাদের প্রযুক্তিবিদের

‘বাংলাদেশে ফিরবই, তবে খুন হতে পারি’, বিস্ফোরক শেখ হাসিনা

দুর্নীতির কাদা লেগেছিল গায়ে, মৃত্যুর দু’বছর বাদে ক্লিনচিট পেলেন মনমোহন সিংহ

গুরুপূর্ণিমায় বেলুড় মঠে শুভেন্দু অধিকারী, মহারাজের পা ছুঁয়ে প্রণাম মুখ্যমন্ত্রীর

‘এক ভারত, অনেক পরম্পরা’, মহাকাল মন্দিরের প্রসাদে ঠাঁই হল ইডলি-সম্বরের

ভারত-চিনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব আমেরিকার

দক্ষিণবঙ্গে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

মাথার দাম ছিল ১ কোটি! ধানবাদ থেকে গ্রেফতার পলিটব্যুরোর শেষ জীবিত সদস্য মিসির বেসরা

অস্ত্রভাণ্ডার শক্তিশালী করতে চিন থেকে অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনছে ইরান

স্বাদ ও স্বাস্থ্যের পারফেক্ট কম্বিনেশন, বানিয়ে ফেলুন তেল ছাড়া লেমন সয়াবিন

‘শুনানি’ চলাকালীন আর শোনা যাবে না কোনও অডিও, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের