আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘শাখা-সিঁদুর নিয়ে মরতে চাই’, স্মিতা পাতিলের শেষ ইচ্ছে আর কী ছিল?

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্মিতা পাতিল, বলিউডের একজন কিংবদন্তি অভিনেত্রী। কিন্তু অকালেই সন্তান প্রসব-পরবর্তী জটিলতায় মারা যান তিনি। জানা যায়, ১৯৮৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর প্রতীক বব্বরকে জন্ম দিতে গিয়েই মৃত্যু হয় অভিনেত্রীর। ‘মান্ডি’, ‘আর্থ’, ‘অর্ধ সত্য’-এর মতো একাধিক ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি। তাঁকে হিন্দি ইন্ডাস্ট্রির সর্বকালের অন্যতম সেরা অভিনেত্রীদের একজন গণ্য করা হয়। যাই হোক, সম্প্রতি স্মিতা পাতিলের বিষয়ে একটি অজানা তথ্য সামনে এসেছে। প্রবীণ মেক-আপ শিল্পী দীপক সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, মৃত্যুকালে অভিনেত্রীর শেষ ইচ্ছা কী ছিল? যিনি প্রয়াত অভিনেত্রীরও মেকআপ শিল্পী ছিলেন। তাঁর সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি এখন ভাইরাল হচ্ছে। তিনি প্রকাশ করেছেন যে, স্মিতা পাতিল সর্বদা চেয়েছিলেন, তাঁর মৃত্যু যেন শাখা-সিঁদুর নিয়ে হয়।

দীপক সাওয়ান্ত বলেছেন, ‘স্মিতা পাতিল সর্বদা বলত বিবাহিত নারী হয়েই মরতে চান। আমি ওকে এসব কথা বলতে বারণ করতাম। ও এই কথা ওর মা-কেও বলত, মা-ও ওকে বকা দিতেন। স্মিতার মৃত্যুর পর তাঁর বোনের শিকাগো থেকে দেশে ফিরতে প্রায় ২-৩ দিন সময় লেগেছিল। এই সময়ে তাঁর দেহ বরফের ওপর রাখা হয়েছিল এবং তা ফুলে গিয়েছিল। তার মা আমাকে একটি মেকআপ কিট দিয়ে বলেছিলেন যে, সুহাগন হয়ে মৃত্যুটাই স্মিতার শেষ ইচ্ছা ছিল। তাই আমি যেন তাঁকে সাজিয়ে দিই। আমি তখন কাঁদতে শুরু করলাম এবং চোখের জল ফেলতে ফেলতেই তাঁর মেকআপ করে দিলাম। আমিই তাঁর শেষ মেকআপটি করে দিয়েছিলাম। তাঁর শেষ দিনে তাঁকে অত্যন্ত সুন্দর করে সাজিয়ে তুলেছিলাম।’

স্মিতা পাতিল শিরপুরে একটি সমাজ সচেতন পরিবারে বেড়ে উঠেছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ এবং মা নার্স। তিনি বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহিত্যে পড়াশোনা করেন এবং পরে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (FTII)-তে প্রশিক্ষণ নেন। চলচ্চিত্রে আসার আগে তিনি মুম্বই দূরদর্শনে সংবাদ পাঠিকা ছিলেন। থিয়েটারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ‘চরণদাস চোর’ ছবির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন এবং ‘ভূমিকা’ ছবির মাধ্যমে খ্যাতি লাভ করেন, যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। এক দশকের কিছু বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি ৮০টিরও বেশি হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। স্মিতা দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একাধিক ফিল্মফেয়ার সম্মাননা লাভ করেছিলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কারেও ভূষিত হন। ব্যক্তিগত জীবনে স্মিতা ১৯৮৬ সালে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রাজ বাব্বরকে বিয়ে করেন, যে সম্পর্কটি জনদৃষ্টি আকর্ষণ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। তাঁদের ছেলে প্রতীক বব্বরও পরে মাকে অনুসরণ করে চলচ্চিত্রে আসেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

১০ লক্ষ টাকার বিলাসবহুল রিসোর্টে মেয়েকে নিয়ে ছুটি কাটালেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ, ভাইরাল ছবি

‘রাজা শিবাজি’ দেখতে চেয়েছিলেন আশা ভোঁসলে, স্মৃতিচারণ রীতেশ দেশমুখের

দেড় বছর কাজহীন ছিলেন শুভাশিস মুখোপাধ্যায়, বললেন অভিনয়ে ফেরার সংগ্রামের কথা

কোটি টাকার বাংলোয় প্রিয় জায়গা ঘুরে দেখালেন টুইঙ্কল! ভাইরাল ভিডিও দেখে মুগ্ধ নেটদুনিয়া

‘ব্যর্থতা শেষ কথা নয়’, ছেলে জুনায়েদ খানের পাশে বাবা আমির খান

এক সময়ে ঋণের দায়ে জর্জরিত ছিলেন, এখন করণভীরের সম্পত্তি টেক্কা দেবে শাহরুখকেও!

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ