ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে তলানিতে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার, প্রকাশ্যে CSIS-এর রিপোর্ট

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখে স্বীকার না করলেও ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জেরে আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারে বড়সড় প্রভাব পড়েছে বলে দাবি করছেন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে দুই পক্ষই ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে। ফলে শুধু প্রাণহানিই নয়, বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্র ধ্বংস বা ব্যবহার হয়ে গিয়েছে। এবার এই নিয়েই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)। তাঁদের দাবি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। 

সংস্থাটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালীন বিপুল পরিমাণ প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করায় মার্কিন সেনাবাহিনীর মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আমেরিকা তাদের পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং থাড প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে। সিএসআইএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে আমেরিকার হাতে আনুমানিক ২ হাজার ৩৩০টি পেট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরক্ষা অভিযানে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলে বর্তমানে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৭৫৯ থেকে ৮২৭টির মধ্যে। অর্থাৎ, মোট মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইতিমধ্যেই ব্যবহার হয়ে গিয়েছে।

আরও  পড়ুন: নোংরা হাতে খাবার পরিবেশন, রেগে এক কোপে বৌদির ধড়মুণ্ডু আলাদা করল দেওর

গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট সংক্রান্ত নথি এবং বিভিন্ন প্রকাশ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে। যদিও এটি একটি আনুমানিক হিসাব বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক যুদ্ধে প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শত্রুপক্ষের ব্যালিস্টিক ও অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করতে এই প্রযুক্তির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। ফলে মজুত দ্রুত কমে যাওয়া ভবিষ্যতের সামরিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

প্রেমের মর্মান্তিক পরিণতি! বিয়ের ৩ বছরের মাথায় তরুণীর রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য হরিণঘাটায়

এসআইআর পর্বে নাম বাদ গেলেই রেশন বন্ধ করা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের

দত্তপুকুরে গেঞ্জি কারখানায় বয়লার ফেটে বিস্ফোরণে নিহত ১, আটক মালিক

ওভারহেড তারে সমস্যা ও প্যান্টোগ্রাফ ভেঙে বিপত্তি! হাওড়ায় লোকাল ট্রেনের পরিষেবায় বিঘ্ন

দিল্লি দাঙ্গায় আইবি আধিকারিক খুনে প্রাক্তন আপ নেতা তাহির হুসেনের যাবজ্জীবন

পর পুরুষের সঙ্গে দেখতে পেয়েই খাপ্পা, প্রকাশ্য রাস্তায় স্ত্রীকে বেল্ট খুলে পেটালেন স্বামী

বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন সলমান! মাথায় সূচ ফুটিয়ে চুলের চিকিৎসা করাচ্ছেন ভাইজান

ফের বন্ধ থাকবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, দিনক্ষণ জানিয়ে দিল কলকাতা পুলিশ

‘শুধু আমি নই, আরও এক মন্ত্রী জইশের নিশানায়’, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

গলছে বরফ, চলতি বছরেই ভারত সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

মুখ্যমন্ত্রীর উপরে হামলার ছক! বর্ধমান থেকে গ্রেফতার জইশ জঙ্গি

‘এই সব লোককে যত তাড়াতাড়ি খতম করা যায়, তত ভাল’, মুখ খুললেন শুভেন্দুর বাবা

টুলুর ‘যকের ধনের’ সন্ধান, পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

মন্তেশ্বরে বাড়ি, হাওড়ায় গেঞ্জি কারখানার শ্রমিক ছিল বর্ধমানে ধৃত জঙ্গি হামিদ