চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

NATO রাশিয়াকে হামলা চালানোর সবুজ সংকেত দিয়েছে, দাবি জেলেনস্কির

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ইউক্রেনের যুদ্ধ আবহে যে NATO ছিল শেষ ভরসা এবার সেই NATO-এর বিরুদ্ধেই একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। শুক্রবার রাতে ইউক্রেনের একটি সংবাদমাধ্যমে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় জেলেনস্কি বিস্ফোরক দাবি করে করে জানিয়েছেন, NATO-এর সবুজ সংকেতের ওপর ভিত্তি করেই ইওক্রেনের গ্রাম এবং শহরতলীর বসতির ওপর হামলা চালিয়েছে রুশ সেনা। এর পাশাপাশি এদিন জেলেনস্কি NATO-এর বিরুদ্ধে আরও একগুচ্ছ অভিযোগ এনে বলেন, ‘আজ ন্যাটোর একটি শীর্ষ সম্মেলন ছিল। আর সেই সম্মেলন ছিল একটি দুর্বল শীর্ষ সম্মেলন, একটি বিভ্রান্ত শীর্ষ সম্মেলন, একটি এমন শীর্ষ সম্মেলন যেখানে এটি স্পষ্ট ছিল যে ইউরোপের স্বাধীনতার লড়াইকে সবাই এক নম্বর লক্ষ্য বলে মনে করে না।’ 

এর সঙ্গেই জেলেনস্কি যোগ করেন যে, ‘আজ, জোটের শীর্ষ নেতৃত্বই নো-ফ্লাই জোন স্থাপন করতে অস্বীকার করে ইউক্রেনের শহর ও গ্রামে আরও বোমা হামলার জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছে।’ জেলেনস্কির এই মন্তব্যের পরেই উঠেছে সমালচনার ঝড়। এতদিন যুদ্ধ থামাতে যে NATO-এর ওপরই ভরসা করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট, এবার পরিস্থিতির চাপে পড়ে সেই NATO-এর এবং তার অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা গেল তাঁকে। তবে ইউক্রনের প্রেসিডেন্ট এই প্রথম যে বেফাঁস মন্তব্য করলেন সেটা একেবারেই নয়। যুদ্ধের তৃতীয় দিনেই জেলেনস্কি NATO-ভুক্ত দেশগুলির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে দাবি করেন যে, বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি দূর থেকে বসে মজা দেখছে। সেইসময়ও জেলেনস্কির মন্তব্যকে কেন্দ্র ক্রএ ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল।  

উল্লেখ্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরেই এবং রাশিয়া ইউক্রেনের স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে আক্রমণ করার পরেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের ওপর নো-ফ্লাই জোন স্থাপনের জন্য NATO-এর কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু শুক্রবার জেলেনস্কির সেই আবেদন বাতিল করেছে NATO। এরপরেই NATO-এর বিরুদ্ধ্বে ক্ষোভে ফেটে পড়েন জেলেনস্কি। প্রসঙ্গত, নো-ফ্লাই জোন হল সামরিক শক্তি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি এলাকা যেখানে নির্দিষ্ট বিমান ছাড়া অন্য কোনও বিমান ওড়ার অনুমতি নেই। যুদ্ধের সময় যে দেশের ওপর বেশী হামলা চালানো হয় সেই দেশের ওপর সচরাচর এই নো-ফ্লাই জোন আরোপ করা হয় যাতে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কিন্তু নো-ফ্লাই জোনে আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করার থেকে কিছুটা আলাদা কারণ এটি শুধুমাত্র বাণিজ্যিক বিমানগুলিকে পরিচালনা করতে বাধা দেয়। যদি কোনও দেশের ওপর নো-ফ্লাই জোন কার্যকর হয় তাহলে অন্য দেশ সেই দেশের আকাশসীমায় আক্রমণ করলে সংশ্লিষ্ট দেশের সামরিক বাহিনী বা জোট যে এই নো ফ্লাই জোন আরোপ করেছে তাদের সামরিক বাহিনী প্রতিপক্ষের উড়ানগুলিকে গুলি করে নামাতে পারে।

 বলে এরাখা ভালো এই মুহূর্তে রাশিয়া যেহেতু আকাশপথেই বেশী ইউক্রেনের ওপর হামলা চালাচ্ছে তাই ইউক্রনে যদি এখন নো ফ্লাই জোন লাগু হয় তাহলে রুশ সেনার হামলার পরিমাণ অনেকটাই কমবে। এরফলে ইউক্রেন স্বাভাবিকভাবেই এই যুদ্ধের ক্ষেত্রে কিছুটা ভালো জায়গায় অবস্থান করবে। কিন্তু গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এই আবেদন বাতিল করেছে NATO। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মার্কিন যুদ্ধবিমান ঘায়েলে চিনের তৈরি বিশেষ অস্ত্র ব্যবহার ইরানের

ইরান থেকে খবর নিয়ে আমেরিকা সফরে যেতে পারেন পাক সেনাপ্রধান মুনির

লাহোরে গুলিবিদ্ধ লস্কর নেতা আমির হামজা, অবস্থা আশঙ্কাজনক

বিশ্বের প্রবীণতম গরিলার জন্মদিন পালন, ধুমধাম করে উদযাপন চিড়িয়াখানায়

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতকে আর ছাড় দেবে না আমেরিকা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ