আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

এবার ট্রাম্পের ছেলেদের সংস্থা থেকে ড্রোন কিনছে মার্কিন বিমানবাহিনী, বিতর্ক তুঙ্গে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইরানের সঙ্গে আমেরিকার চলমান যুদ্ধের বয়স তিনমাস ছাড়িয়েছে। এবার দেশের প্রতিরক্ষা খাত আরও শক্ত করতে নয়া পন্থা নিল ট্রাম্প প্রশাসন। জানা গিয়েছে, এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলেদের কোম্পানি থেকে ড্রোন কিনছে মার্কিন বিমানবাহিনী। ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, ফ্লোরিডার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি ‘পাওয়ারস’। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ব্যবহৃত সরঞ্জাম কেনার জন্যে ট্রাম্পের পরিবারের সঙ্গে মার্কিন বিমানবাহিনী চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অ্যারিজোনার একটি ঘাঁটিতে ড্রোনের কার্যকারিতা প্রদর্শনের পর পেন্টাগন এই ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাধারণত নতুন কোনও যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েনের আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

এই বিষয়ে পাওয়ারাস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রেসিডেন্ট ব্রেট ভেলিকোভিচ জানিয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে মুলত ইন্টারসেপ্টর ড্রোন কেনা হচ্ছে। যা আকাশে শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত করে সেটিকে ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। তবে গোপনীয়তার স্বার্থে ঠিক কতগুলো ড্রোন কেনা হচ্ছে বা এই চুক্তির আর্থিক মূল্য কত, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ট্রাম্পের ছেলের প্রতিষ্ঠানটি। তবে জানা গিয়েছে, এই চুক্তি বেশি মূল্যের নয়। ইরানের স্বল্পমূল্যের আক্রমণকারী ড্রোন মোকাবিলা করতেই আমেরিকা কম মূল্যে এই ধরনের ড্রোন কিনছে। বর্তমানে আকাশপথে ইরানের ছোড়া ড্রোন ঠেকাতে আমেরিকা ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রের বদলে এই ইন্টারসেপ্টর ড্রোনের ব্যবহার খরচ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এর আগে স্বল্পমূল্যের ড্রোন প্রযুক্তিতে আমেরিকা তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় পিছিয়ে ছিল। তাই পাওয়ারাস-এর তৈরি এই ড্রোন একদিকে যেমন করদাতাদের খরচে আরাম দেবে, তেমনি দ্রুত পরিবর্তনশীল ড্রোন হামলা মোকাবিলাতেও কার্যকরী ভূমিকা নেবে বলে জানিয়েছেন ভেলিকোভিচ। তাই পাওয়ারসের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত বুধবার যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে প্রশ্নে মুখে পড়তে হয়েছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে। পেন্টাগনের হিসাব মতে, ইতিমধ্যেই ইরানের সঙ্গে আমেরিকার রাজকোষ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই ইউক্রেনে তৈরি ১০ হাজার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই সমৃদ্ধ ‘মেরোপস’ ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ইরানে পাঠিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। তবে এই চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং এরিক ট্রাম্পের সঙ্গে পাওয়ারাস-এর ব্যবসায়িক সম্পর্ক কারো অজানা নয়। তাই প্রেসিডেন্টের পরিবারের সদস্যদের ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িত রয়েছে এই চুক্তিতে। এই নিয়ে কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা পেন্টাগনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। সুতরাং ট্রাম্পের ছেলেদের কোম্পানির সঙ্গে মার্কিন বিমানবাহিনীর এই চুক্তি বর্তমান সংঘাতের আবহে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করল।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি, শারীরিক অবস্থার অবনতি, জামিনের আর্জি ইমরানের

হরমুজ প্রণালি খুলতে চাইছেন ট্রাম্প, পাল্টা বিশেষ বার্তা মোজতবার

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে আগুন, ব্যারেল ছাড়াল ১২০ ডলার

বন্ধ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ! দেড় ঘন্টা ধরে ফোনে কথা ট্রাম্প-পুতিনের

‘আপনি আমার মায়ের ক্রাশ ছিলেন’, রাজা চার্লসকে ‘গোপন তথ্য’ জানালেন ট্রাম্প

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এবার মধ্যপ্রাচ্যের মেঘ চুরির অভিযোগ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ