চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মানবিকতার নজির, বাংলাদেশি একরত্তিকে জীবন দান করল কলকাতা

নিজস্ব প্রতিনিধি : পড়শি দেশ বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়নের মধ্যেই বাংলাদেশি একরত্তির জীবন বাঁচিয়ে দিল কলকাতার চিকিৎসক। অপারেশন হল ইএম বাইপাস লাগোয়া আনন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। জটিল নিউরোসার্জারির পরে আপাতত সুস্থ রয়েছেন বাংলাদেশি একরত্তি।

 অত্যাধুনিক চিকিৎসার পেতে সারা বছরই কাতারে কাতারে রোগী ওপার বাংলা থেকে আসেন এপার বাংলায়। সারাবছরই চিকিৎসাকেন্দ্র গুলিতে ভিড় লেগেই থাকে। সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে ক্রমাগত সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নির্যাতনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে অশান্তির সূত্রপাত শুরু হয়েছে।অশান্ত পরিস্থিতির কারণে ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রবল কড়াকড়ি শুরু করেছে ভারত সরকার। এই আবহে নিজের দায়িত্ব ভোলেন নি ভারতের চিকিৎসকেরা। ‘সবার আগে মানুষ বড়’ এই কথাটাই প্রমাণ করলেন কলকাতার চিকিৎসক। বাংলাদেশের একরত্তির জীবনদায়ী অপারেশন হলো আনন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। জটিল নিউরোসার্জারির পরে আপাতত সুস্থ সেই ৯ মাসের শিশু।

বাংলাদেশের যশোরের ৯ মাসের একরত্তি রিদওয়ান হাবিব ইলহামের মা–বাবা গত কয়েক মাস ধরেই লক্ষ্য করছিলেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিশুর মাথার খুলির আকার ক্রমেই যেন বিকৃত হয়ে যাচ্ছে। তাই চিকিৎসা করাতে বুক ভর্তি আশা নিয়ে ভারতে পা রেখেছিলেন বাংলাদেশি এই দম্পত্তি।রিদওনায়কে নিয়ে বাবা আসান হাবিব রুবেল আনন্দপুর ফর্টিস হাসপাতালে আসেন। এক্স–রে ও সিটি স্ক্যানে দেখা যায়, খুলির বাঁ দিকটা যেন তুবড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেন ফর্টিসের প্রধান নিউরোসার্জেন জিআর বিজয়কুমার। সাড়ে চার ঘণ্টার লম্বা অপারেশনে ত্রুটিপূর্ণ ভাবে জুড়ে যাওয়া খুলির হাড়গুলিকে কেটে পুনর্গঠন করেন তিনি। সফল অস্ত্রোপচারে এখন রিদওয়ানের খুলি আর পাঁচ জন সমবয়সির মতোই গোলাকার হয়ে যায়। ছেলেকে সুস্থভাবে ফিরে পেয়ে খুশি রিদওয়ানের পরিবার।

এই নিয়ে ফর্টিসের প্রধান নিউরোসার্জেন বিজয়কুমার জানান, জিআর যথাসময়ে চিকিৎসা না–হলে ওই শিশুর চেহারাই যে শুধু খারাপ লাগত তা নয়, মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও স্নায়বিক নানা সমস্যাও দুর্বিষহ করে তুলতে পারত জীবন। ছিল প্রাণহানির শঙ্কাও।

ফর্টিস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, ইদানীং খুবই কমে গিয়েছে বাংলাদেশী রোগী। মাসে চার–পাঁচশো’র বদলে মাত্র ৩০–৩৫ জন রোগীরই চিকিৎসা হচ্ছে। তার মধ্যে রিদওয়ানকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিয়ে সুস্থ জীবনে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

র‍্যাম্প থেকে যুদ্ধক্ষেত্র! ‘মিস ইন্ডিয়া’ কাশিশ এখন ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ