স্বচ্ছ ভারত মিশনে দেশকে পথ দেখাতে মোদির ভরসা মমতার বাংলা

স্বচ্ছ ভারত মিশনের ক্ষেত্রে দেশকে পথ দেখাতে বাংলার ওপরেই ভরসা রাখতে বাধ্য হলেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকার। জয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুশাসনের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলা(Bengal) যা আজ ভাবে, কাল গোটা ভারত ভাববে। এই দাবি যে নিছক ফেলনা নয়, সেটা আবারও প্রমাণিত হল। প্রমাণ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। কেননা এই বাংলার ওপরেই ভরসা রেখেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। কার্যত বলা চলে, ভরসা রাখতে বাধ্য হয়েছেন। কেননা আর কেউ নেই পাশে দাঁড়াবার, ভালো কাজ করে দেখাবার। বাংলাকে মোদি যতই ভাতে মারার চেষ্টা করুন না কেন, দেশের তাবড় তাবড় ডবল ইঞ্জিনের রাজ্যকে হেলায় হারিয়ে বার বার উন্নয়নের শীর্ষে বা কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়ণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উঠে আসছে বাংলা। হাজারও চেষ্টাতেও মমতার বাংলার উন্নয়ন ও সাফল্য ঠেকাতে পারছেন না মোদি। তাই তাঁকেও বেছে নিতে হচ্ছে বাংলাকে, দেশকে পথ দেখাবার জন্য। এই এখন যেমন, স্বচ্ছ ভারত মিশনের(Swachh Bharat Mission) ক্ষেত্রে দেশকে পথ দেখাতে বাংলার ওপরেই ভরসা রাখতে বাধ্য হলেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকার। সেখানে উঠে এল না কোনও ডবল ইঞ্জিন রাজ্যের(Double Engine States) নাম।  

ঠিক কী হয়েছে? আগামী ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশে বসছে স্বচ্ছ ভারত মিশন নিয়ে জাতীয় স্তরের অধিবেশন। সেখানে সারা দেশের সামনে মডেল হিসেবে তুলে ধরা হবে বাংলাকে। কেননা ধূসর জলের ব্যবস্থাপনা,  প্লাস্টিক বর্জন এবং স্বচ্ছতার প্রচার — এই তিন ক্ষেত্রেই দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা। ফলে এই তিন বিষয়ে বাংলার সাফল্যের রহস্য দেশের সামনে তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এটা আবার এমন একটা সময়ে আয়োজন করা হয়েছে যখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে ২৪’র ভোট। যদিও নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যের তরফে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে রাজ্যের শীর্ষ মহল ছাড়পত্র দিলে অবশ্যই ওই সম্মেলনে রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকেরা। সেক্ষেত্রে এই দফতরের এই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সন্তোষা জি আরের নেতৃত্বাধীন একটি দল সেখানে যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই গ্রামীণ এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে খরচের নিরিখে দেশের প্রথম ৩টি রাজ্যের মধ্যে উঠে এসেছে বাংলার নাম। চলতি অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বরাদ্দ মিলিয়ে এই খাতে প্রথম দুই কিস্তিতেই পঞ্চায়েত দফতরের হাতে এসেছিল ৭৯১ কোটি টাকা। বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণে ইতিমধ্যে খরচ হয়েছে ৬৫২ কোটি টাকা। তার ফলে চতুর্থ কিস্তির আরও ১৬০ কোটি টাকা পাওয়াও নিশ্চিত বলে মত কর্তাদের। কীভাবে দ্রুত এবং সফল ভাবে এই টাকা খরচ করা হচ্ছে তা গোটা দেশের সামনে তুলে ধরতেই বাংলাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের এই উদ্যোগ কার্যত বলে দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে তাঁর সরকার ও প্রশাসন যে কাজ সঠিক ভাবে করতে পারে তা দেশের আর কোনও রাজ্য পারে না। পারলে এখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অন্তত নরেন্দ্র মোদির সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার শরণাপন্ন হতো না।

প্যালেস্তানিয় বন্দিদের ছিড়ে খেতে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে দিল ইজরায়েলের সেনা

কর্মীদের রোষ থেকে বাঁচতে মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ নিয়ে নয়া সাফাই ‘দলবদলু’ আবু তাহেরের

প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের কলেজে ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার, সিল করল পুলিশ

‘বেঁচে আছি, কিন্তু…’, আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার ভয়াবহ স্মৃতি আজও তাড়া করে রমেশকে

শাকিরার রেকর্ড ভেঙে কানাডা মাতাতে প্রস্তুত বলিউড সুন্দরী নোরা

শান্তিপুরে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি,প্রাক্তন বিডিও-র বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর

‘কালা হিরণ’ সিনেমার মুক্তির উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে সলমান খান

ঋতব্রতদের শিবিরের বিধায়ক প্রিয়া পালের গোডাউন থেকে বিপুল ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার

‘টাটাকে বাংলায় ফিরিয়ে আনব’, দীপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা শুভেন্দুর

‘বাংলাকে নতুন করে গড়তে সাহায্য করছেন প্রধানমন্ত্রী,’ দাবি শুভেন্দুর

তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের গুপ্ত চিঠি প্রকাশ্যে, শত্রুঘ্ন সিনহার সই নেই

তৃণমূলের ভরাডুবির দায় এড়াতে দল ছাড়ছেন কেষ্ট!

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ঋতব্রত ঘনিষ্ঠ রথীন ঘোষকে ফের তলব ইডির

বেআইনি মাটি মাফিয়াদের ঘুম কাড়লেন সাগরপাড়া থানার ওসি রাকেশ বিশ্বাস