এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




ঋণের বোঝা কমাতে নতুন তহবিল গঠন রাজ্য সরকারের, নজরদারিতে থাকছে RBI

Courtesy - Facebook and Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রাজ্যগুলি যাতে তাদের ঋণ শোধ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে Consolidated Sinking Fund গঠনের পরামর্শ দিয়েছিল দ্বাদশ অর্থ কমিশন(12th Finance Commission)। সেই সুপারিশ মেনে নিয়ে এবার এই তহবিল গঠন করছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে এই তহবিল করা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় ঢুকে পড়ল বাংলাও। নবান্ন(Nabanna) সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কয়েকশো কোটি টাকা জমা পড়েছে এই তহবিলে। রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে বিভিন্ন সংস্থার থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিতে হয়। সেই টাকা সময়ের মধ্যে শোধ দিতে না পারলে পরে ঋণ পেতে সমস্যা হয়। ঋণের কিস্তি মেটাতে বাজেটে আলাদা করে টাকা বরাদ্দ করা হলেও অনেক সময়ে জরুরি প্রয়োজনে সেই টাকা খরচ হয়ে যায়। তাতে কিস্তির টাকা মেটাতে দেরি হয়। এখন আলাদা করে একটি তহবিল তৈরি হয়ে যাওয়ায় এই সমস্যা আর হবে না বলেই দাবি নবান্নের আধিকারিকদের।

রাজ্যের অর্থ দফতরের আধিকারিকদের দাবি, মূলত রাজ্যের ঘাড় থেকে ঋণের বোঝা কমাতেই Consolidated Sinking Fund গঠন করা হয়েছে। শুধুমাত্র দেনা পরিশোধের জন্যই এই তহবিলের টাকা খরচ করা হবে। অন্য কোনও প্রয়োজনে নয়। সম্প্রতি এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন রাজ্যের অর্থসচিব মনোজ পন্থ। এই তহবিল তৈরির জন্য প্রতি বছর রাজ্য বাজেট থেকে একটি নির্দিষ্ট টাকা বরাদ্দ করা হবে। সরকারি সম্পত্তি বেচে যে টাকা উঠবে, তা-ও এই তহবিলে জমা পড়বে। যে কোনও সরকারি টেন্ডারে অংশ নিতে গেলে প্রত্যেক ঠিকাদারকে সিকিউরিটি ডিপোজ়িট বা আর্নেস্ট মানি জমা করতে হয়। অধিকাংশ সরকারি সংস্থা সময়ের মধ্যে সেই টাকা ফেরত দেয় না। বছরের পর বছর সেই টাকা ট্রেজারিতেই পড়ে থাকে। আবার আদালত থেকে জামিন নিতে গেলেও বন্ড জমা দিতে হয়। সেই টাকাটাও সরকারি কোষাগারে জমা থাকে। যদিও বাজেটে তার কোনও হিসেব দেখানো হয় না।

সেই টাকা খরচের ওপরেও সেই ভাবে নজরদারি থাকে না। সরকারের সিদ্ধান্ত, এখন থেকে এই সব টাকা জমা থাকবে নতুন তহবিলে। এ জন্য রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কে নতুন একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন দরকারে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণ শোধের জন্য এই তহবিল ব্যবহার করা হবে না। বছরে যতবার খুশি এই তহবিলে টাকা জমা দেওয়া যাবে। বাজারে রাজ্য সরকারের মোট দেনার অন্তত পাঁচ শতাংশ আগামী পাঁচ বছরে এই তহবিলে জমা রাখার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছে। পুরো বিষয়টির উপর নজরদারি করবে Reserve Bank of India বা RBI। এই তহবিল তৈরির পর পাঁচ বছর কোনও টাকা তোলা যাবে না। তহবিল থেকে প্রাপ্ত সুদও ওই অ্যাকাউন্টে জমা হবে।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘বিছানায় শুয়ে দুইজন, গায়ে নেই একটুও সুতো’, শোরগোল নরেন্দ্রপুরে

বিদ্যুতের খরচ বাঁচাতে সরকারি দফতর থেকে স্কুল মায় অফিসেও পদক্ষেপ

শিয়ালদহে তিনটি প্লাটফর্ম থেকে চালু হল ১২ কামরার ট্রেন

গার্স্টিন প্লেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিক্ষোভের মুখে সুজিত

অভিষেকের ডায়মন্ডে ঢুকল ৩ টন ইলিশ, আসছে কলকাতার বাজারে

গার্স্টিন প্লেসের বহুতলের আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ভেঙে পড়েছে বাড়ির একাংশ

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর