শিব পার্বতীর মিলনে ঋষি চূর্ণ করেছিলেন বিন্ধ্যের অহঙ্কার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমানে বাংলা ক্যালেন্ডারের চতুর্থ মাস শ্রাবণ চলছে। এই মাস মহাদেবের অত্যন্ত প্রিয় মাস। বিশ্বাস করা হয়, যে ব্যক্তি শ্রাবণ মাসে পূর্ণ ভক্তি ও নিয়মানুসারে দেবাদিদেবের আরাধনা করেন তার সকল ইচ্ছা খুব তাড়াতাড়ি পূর্ণ হয়। ভগবান শিবের উপাসনার প্রভাবে প্রায় সকল গ্রহের নেতিবাচক প্রভাবই বিলুপ্ত হয়ে যায়। এমনকি মৃত্যুকারক গ্রহকে পরাজিত করতে মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রজপ উপকারী বলে বিবেচিত হয়। যদি মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করতে না পারেন, তাহলে পুরো শ্রাবণ মাস জুড়ে প্রতিদিন শিবলিঙ্গে কালো তিল নিবেদন করুন।

প্রতিবছর শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথিতে হরিয়ালীতি উৎসব পালন করা হয়। এই উৎসবটি ভগবান দেবাদিদেব এবং দেবী পার্বতীর মিলন স্মরণ করে পালিত হয়।  দেবাদিদেব এমন একজন সন্ন্যাসী যিনি গভীর তপস্যয় সর্বদা নিমগ্ন থাকেন। তাই তার বিবাহ সবসময়ই রহস্য হয়ে গিয়েছে। দেবাদিদেব পর্বতরাজ হিমালয়ের কন্যা পার্বতীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল। এই প্রেম কাহিনী আরও অনেক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন বিন্ধ পর্বতের গর্ব মোচন, ঋষি অগস্ত্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দক্ষিণ ভারতে হিন্দু ধর্মের প্রসার। আজ জেনে নেওয়া যাক সেই কাহিনী।

দেবাদিদেব মহাদেবকে বিবাহ করার জন্য ১০৮ বার জন্ম নিতে হয়েছিল দেবী পার্বতীকে। তিনি তাঁর দশম জন্মে মহাদেবকে স্বামী হিসেবে পেয়েছিলেন। তাঁদের বিবাহ সম্পর্কিত একটি জনপ্রিয় গল্প প্রচলিত রয়েছে। আসলে ভোলানাথের বিয়ের শোভাযাত্রা ছিল অনন্য। সেখানে বরযাত্রী হিসেবে এসেছিলেন ভূত, প্রেত, অঘোরী, যোগী এবং দেবতারা। সকলেই সাক্ষী থাকতে চেয়েছিলেন দেবাদিদেব ও হিমালয় দুহিতার বিবাহের। শিব স্বয়ং এসেছিলেন অঘোরীর বেশে। তাঁর সারা শরীরে লেপন করা ছিল ভস্ম, সাপের পৈতে হয়েছিল তাঁর সজ্জা।

ওদিকে মহাদেবের বিবাহের বরযাত্রীরা তো হিমালয়ে পৌঁছালেন। সারা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড থেকে জড়ো হওয়া ভূত-প্রেত-রাক্ষস-দেবতা ও ঋষিদের ওজনের কারণে পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হতে শুরু করল। মহাবিশ্বের স্থিতিশীলতা হয়ে পড়ল বিপন্ন। তখন ভোলানাথ ঋষি অগস্ত্যকে বললেন দক্ষিণ অর্থাৎ দাক্ষিণাত্যে গিয়ে নিজের আধ্যাত্মিক শক্তি দিয়ে পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষা করতে। মহাদেবের আদেশ মেনে অগস্ত্য চললেন সেই দিকে।

শিব ও পার্বতীর মিলন কেবল দুটি আত্মা বা দেহের মিলন ছিল না, বরং মহাজাগতিক ভারসাম্য, শক্তি এবং চেতনারও মিলন ছিল। এদিকে দাক্ষিণাত্যে পৌঁছানোর পর পৌঁছানোর জন্য বিন্ধ পর্বত পেরোনোর দরকার ছিল। নিজের উচ্চতা নিয়ে বিন্ধ্যের ছিল মারাত্মক গর্ব। বিন্ধই ছিল ঋষি অগস্ত্যের যাত্রা পথের প্রধান বাধা।

তাই ঋষিরাজ বিন্ধ্য পর্বতের কাছে অনুরোধ করলেন নীচু হওয়ার জন্য। বিন্ধ্য ঋষিকে সম্মান জানিয়ে নত হয়ে তাঁকে পথ করে দিলেন। ঋষি অগস্ত্য বিন্ধ পর্বতের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন যতক্ষণ পর্যন্ত অগস্ত্য না ফিরে আসছেন ততক্ষণ পর্যন্ত বিন্ধ্য পর্বত এমন ঝুঁকেই থাকবেন। ঋষি দক্ষিণ ভারতে গিয়ে সেখানেই বসতি স্থাপন করলেন। আর কখনও ফিরে আসলেন না। ফলে বিন্ধ্য পর্বতেরও আর উঠে দাঁড়ানো হল না। সেই জন্যই বিন্ধ্য এখনও পর্যন্ত নাতি উচ্চ হয়েই রয়ে গিয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগে কাঠগড়ায় স্পেনের ফার্স্ট লেডি, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করল আদালত

আলুর খোসা আর ফেলবেন না, ৮ রেসিপি বানিয়ে প্রিয়জনকে চমকে দিন

কাবাবপ্রেমী! ঘরেই বানিয়ে ফেলুন অপূর্ব স্বাদের মাটন গোলা কাবাব

তিলোত্তমায় যোগ দিবস পালন করে গর্বিত মোদি, শহরবাসীকে ধন্যবাদও জানালেন প্রধানমন্ত্রী

রবিবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে সরকারি বাস, মৃত ২

রায়নার দাপুটে তৃণমূল নেতা বামদেব মণ্ডলকে গ্রেফতার করল পুলিশ

‘বাড়িতে ডেকে জিন্সের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে…’, নামী কোরিওগ্রাফারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নেটপ্রভাবীর

বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে জাপানের চার গোল, তিউনিসিয়ার বিদায়

‘বাংলা ভারতের পুনর্জাগরণকে গতি দিয়েছে’, গার্ডেনরিচ থেকে বললেন মোদি

মাত্র ১১ বলে ৫০ রান, দ্রুততম অর্ধশতরান করে বিশ্বরেকর্ড বৈভবের

‘যোগ এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব’, রেড রোডের মঞ্চ থেকে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

চায়ের আড্ডায় জমবে গল্প, রইল জিভে জল আনা কচুর কোরমার রেসিপি

বিশ্বভারতীতে নিয়োগ দুর্নীতি! বেনিয়ম নিয়ে উপাচার্যকে নোটিস পাঠাল তফসিলি কমিশন

সাইকেলে যোগব্যায়াম, আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে গুমায় অভিনব উদ্যোগ