দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রেগে গিয়ে স্বয়ং বিষ্ণুকেই অভিশাপ দিয়ে বসেন নারদ..সেই অভিশাপেই জন্ম হনুমানের!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বজরংবলীর পুজো করলে তাঁর বিশেষ কৃপাদৃষ্টি পড়ে ভক্তের উপর। সংকটমোচনের কৃপায় ব্যক্তি জীবন থেকে দূর হয় বাধা-বিপত্তি। ধর্মীয় বিশ্বাস বজরংবলীর উপাসনা এবং মঙ্গলবার উপবাস করলে ব্যক্তি জীবনে সাফল্য লাভ করে। ভক্তের জীবন থেকে হনুমানজী সকল সংকট দূর করে বলে তাঁর অপর নাম সংকটমোচন। কোন অশুভ শক্তি ছুঁতে পারে না ব্যক্তিকে।

বজরংবলীর অতি প্রিয় জিনিসের তালিকায় রয়েছে,সিঁদুর, জুঁই তেল, লাল ফুল, ছোলা এবং লাড্ডু ইত্যাদি এবং এই সবই তাঁর পুজোয় নিবেদন করা হয়। তবে এর পাশাপাশি পানও পছন্দ করেন তিনি। পানকে তাম্বুলও বলা হয়। মনে করা হয়,পান নিবেদন করলে তিনি দ্রুত প্রসন্ন হন এবং মনের সমস্ত ইচ্ছে পূরণ করেন তিনি। হনুমানের জন্ম নিয়ে পুরাণে অনেকগুলি কাহিনি পাওয়া যায়। তার মধ্যে কয়েকটি গল্প এখানে তুলে ধরা হল। আজ তবে জেনে নিন কীভাবে জন্ম হল হনুমানের? কে তাঁর বাবা ?

বানর জীবনের শাপমুক্তি : একটি কাহিনি অনুযায়ী বানর হিসেবে জন্ম নেন হনুমান। তাঁর মা অঞ্জনি ছিলেন এক কিন্নরী, যিনি অভিশাপ পেয়ে বানর জন্ম পান। তবে অঞ্জনি এই আশীর্বাদও পেয়েছিলেন যে তাঁর গর্ভে কোনও পুত্র সন্তানের জন্ম হলে তিনি এই বানর জন্ম থেকে মুক্তি পাবেন।

বিষ্ণু পুরান ও নারদ পুরাণ : এই পুরান অনুযায়ী একবার এক সুন্দরী রাজকন্যাকে দেখে মুগ্ধ হন নারদ। তিনি নারায়ণের কাছে তাঁকে বিষ্ণুমুখী করে দেওয়ার আবেদন জানান। নারদ নারায়নকে বলেন এমন রূপ তাঁকে দেওয়া হোক যাতে দেখামাত্রই রাজকন্যের তাঁকে ভালবেসে ফেলে ও ওই রাজকন্যা স্বয়ম্বরে তাঁর গলায় বরমাল্য দেন।

কিন্তু নারায়ণ মজা করে তাঁর মুখ বানরের মতো করে দেন। নিজের প্রতিচ্ছবি না দেখেই স্বয়ম্বর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন নারদ। বানরমুখী তাঁকে দেখে সবাই হাসাহাসি করেন। তখন ফিরে গিয়ে ক্র‌ুদ্ধ নারদ বিষ্ণুকে বলেন যে একদিন তাঁকে এক হনুমানের ওপরে নির্ভর করতে হবে। তাঁর সাহায্য ছাড়া স্বয়ং নারায়ন কিছুই করতে পারবে না।

আরও পড়ুন : মঙ্গলবার ঘুম থেকে উঠে সবার আগে এই কাজ করলে তুষ্ট হবেন সংকটমোচন

রামের ভাই হল হনুমান : মহারাজ দশরথ যখন পুত্রেষ্টি যজ্ঞ করেন, সেই সময় যে চরু তিনি তাঁর তিন রানিকে খেতে দিয়েছিলেন, সেখান থেকে একটা ভাগ গরুড় নিয়ে যান। অঞ্জনি যেখানে বসে পুত্রের কামনায় ধ্যান করছিলেন, সেখানে সেই চরু পড়ে যায়।ওই চরু ভগবান শিবের প্রসাদ ভেবে মুখে তুলে নেন অঞ্জনি। এরপরই হনুমানের জন্ম দেন অঞ্জনি। সেই হিসেবে দেখতে গেলে রাম, লক্ষ্মণের আপন ভাই হলেন হনুমান।

আরও পড়ুন : সুখবর, হনুমানজির আশীর্বাদে নতুন বছরে কপাল খুলবে এই তিন রাশির

Published by:

Share Link:

More Releted News:

৬টি অভ্যাসেই মিলতে পারে বছরে ফ্রি ফ্লাইট, জানুন কীভাবে

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির খবর, নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষার আগমন দেশে

রাত ১১টার পর ট্রেনে ফোন চার্জ দেওয়া যায় না! জানেন কেন?

চা-কফি বাদ, মেকআপে শুধুই সানস্ক্রিন, সুতির শাড়ি-চুড়িদার পরেই প্রচারে ঝড় তুলছেন লাভলি

গ্রীষ্মের ভ্রমণে কেন উটি হতে পারে একেবারে সঠিক গন্তব্য?

এই ট্রেনে উঠলেই লাগে অক্সিজেন! চিন-তিব্বতের পথে অবাক করা যাত্রা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ