এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine

অকাল বৃষ্টিতে শুধু হুগলি জেলাতেই ক্ষতির পরিমাণ ১৫০০ কোটি

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গোপসাগরে জন্ম নেওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজিউম বাংলায় সরাসরি আছড়ে পড়েনি। তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশেই সে হানাদারি চালিয়েছে। তারপর শক্তি খুইয়ে সে এগিয়ে এসেছে ওড়িশা হয়ে বাংলার পথে। যার জন্য কিছুদিন আগে অকাল বৃষ্টির মুখে পড়ে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে একাধিক জেলার আলু ও ধান চাষ। ধাক্কা খেয়েছে সবজি ও ফুলের চাষও। এখন যখন সেই সব জেলার শস্যহানির সমীক্ষা রিপোর্ট রাজ্যের কাছে জমা পড়ছে তখন দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র হুগলি জেলাতেই(Hooghly District) ক্ষয়ক্ষতির(Damage of Crops) পরিমাণ ১৫০০ কোটি টাকা। ওই জেলার ২০৭টি পঞ্চায়েতের ১৯২১টি মৌজা এবং ১২টি পুর এলাকার ৭৪টি মৌজায় আমন ধান, আলু, ডালশস্য, বাদাম, সর্ষে, পেঁয়াজ এবং আনাজ মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ এটাই দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষির(Damaged Farmers) সংখ্যা ৩৬ হাজার ২৯৪জন। ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি, ধান অনেকটাই ঘরে উঠে গেলেও নতুন বসানো আলু আর আনাজের ১০০ শতাংশই নষ্ট হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে হুগলি জেলা পরিষদের কৃষি-সেচ ও স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মদনমোহন কোলে জানিয়েছেন, ‘আমাদের ব্লক, মহকুমা এবং জেলা স্তরের কৃষি আধিকারিকেরা মাঠে সরেজমিনে তদন্ত করেছেন। তাঁরা মাটি খুঁড়ে আলুর পচন হচ্ছে কি না দেখেছেন। আনাজের গোড়া পচেছে না কি দেখেছেন। কেটে রাখা ধানে অঙ্কুর হচ্ছে বা রং বদল হয়ে নষ্ট হচ্ছে কি না, তা-ও দেখা হয়েছে। আমরাও সঙ্গে থেকেছি। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে কৃষকবন্ধু(Krishak Bandhu) প্রকল্পের আওতায় থাকা সব চাষিদের রবি মরসুমের কিস্তি পাঠানো হয়ে গিয়েছে। তবে, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলের টাকা এখনও পাওয়া যায়নি। সেটা পাওয়া গেলে কৃষকদের অসন্তোষ থাকার কথা নয়।’  

জানা গিয়েছে, জমির পরিমাপ অনুযায়ী ২০০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা বৃহস্পতিবার রাত থেকেই চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। তবে বিমা বাবদ ক্ষতিপূরণ পেতে অন্তত ৩ মাস সময় লাগতে পারে। হুগলি জেলা কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দফতর থেকে ১০০ শতাংশ চাষিরই যাতে Kishan Credit Card থাকে সেই চেষ্টা চলছে। জেলার সব চাষিকে বাংলা শস্যবিমা যোজনার(Bangla Sashya Bima Yojna) আওতায় আনতে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি ছাড়াও ধারাবাহিক ভাবে পঞ্চায়েত ধরে শিবির করে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। জেলায় এখন প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ চাষির হাতে Kishan Credit Card আছে। এই কার্ডের সুবিধা হল— বিমা না করলেও ঋণের ওপর সুদ বছরে মাত্র ৭ শতাংশ। সময়মতো ঋণ শোধ করলে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ পর্যন্ত সুদে ছাড়েরও সংস্থান আছে। তাই জেলার সব কৃষককেই কৃষকবন্ধু, বাংলা শস্য বিমা যোজনা এবং Kishan Credit Card’র আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

চাষের জমিতে বিদ্যুতের ছেঁড়া তার জড়িয়ে মৃত্যু দুই কৃষকের

১জুন শেষ দফার ভোটের দিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি

ভক্তিনগর থানার পুলিশ গৃহস্থ বাড়ির ভেতর থেকে খোঁজ পেল জুয়ার বোর্ডের, গ্রেফতার ১১

রিমল ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে নদিয়াতে ব্যাপক ক্ষতি আখ ও কলা গাছের

কৃষ্ণগঞ্জে তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সীমান্তবর্তী বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র

রথযাত্রার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই উদ্বোধনের সম্ভাবনা দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর