আউশগ্রামের মাজি পরিবারের পুজোয় দেবীকে দেওয়া হয় সাত শাকের ভোগ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একই ঘরে পাশাপাশি আসন, আর সেখানেই সারা বছর পূজিত হন দেবী দুর্গা ও মা কালী। দুর্গাপুজোর আয়োজনও এখানে আর পাঁচটা বাড়ির পুজোর মতো নয়। মাত্র চার-পাঁচ দিনের উৎসব নয়, টানা ১৫ দিন ধরে চলে দেবীর আরাধনা। মহালয়ার সাত দিন আগে বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পুজো। চতুর্থীতে মা পুজো পেলেন শাকম্বরী রূপে। এ দিন সাত শাকের ভোগ দেওয়া হয় মাকে। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ঘোঘাতলা গ্রামের মাজি পরিবারের দুর্গাপুজোয় কয়েক পুরুষ ধরে চলে আসছে এমনই ব্যতিক্রমী সব প্রথা।

কথিত আছে, এক মহানবমীতে পরিবারের সদস্য সুধীর মাজি চালকুমড়ো নিয়ে শ্যামারূপা মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু ঘন জঙ্গলের মধ্যে পথ হারিয়ে ফেলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ ঘোরাঘুরির পর যখন মন্দিরে পৌঁছন, ততক্ষণে সেখানে স্থানীয়ভাবে চালকুমড়োর ব্যবস্থা করে বলি শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় অপমানিত বোধ করেন সুধীরবাবু। অভিমানে মন্দির থেকে একটি পাথর তুলে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। এরপর সেই মহানবমীতেই বাড়িতে পাথরটিকে দেবী শ্যামারূপা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরে নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গে আনা চালকুমড়োটিও দেবীর সামনে বলি দেন। লোককথা অনুযায়ী, সেই ঘটনা থেকেই ঘোঘাতলার মাজি পরিবারে শ্যামারূপার পুজোর সূচনা। পরবর্তী সময়ে পাথরের পরিবর্তে দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু হয়।

আরও পড়ুন: বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে ৫০ কেজির রুপোর পালকিতে চেপে আসে নবপত্রিকা

মাজি পরিবারের পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, একই ঘরে একসঙ্গে পূজিত হন মা দুর্গা ও মা কালী। এখানে কালী দেবী সিদ্ধেশ্বরী রূপে আরাধিত হন। অন্যদিকে, দুর্গার পরিচয় সিংহবাহিনী হিসেবে। দেবী সিংহের উপরে অধিষ্ঠিত। মূর্তিতে মহিষ ও মহিষাসুরের উপস্থিতি থাকলেও চেনা দুর্গাপ্রতিমার মতো লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক ও সরস্বতীকে দেখা যায় না। এই বাড়ির দুর্গাপুজোয় বিশেষ আকর্ষণ শাকম্বরী রূপে দেবীর আরাধনা। চতুর্থীর দিন দেবীকে সাত রকম শাক নিবেদন করা হয়। বুধবার সেই প্রথা মেনেই শুসনি, কলমি, লাল খাঁড়া, লাউ, কুমড়ো, পালং ও পুনকো শাক দিয়ে তৈরি ভোগ নিবেদন করা হয়েছে দেবীকে।

ট্রফির খরা কাটাতে মরিয়া দিল্লি, ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তারকা বোলার

১১ নভেম্বরে গ্রিসে সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সিইও কাব্যা, পাত্র কে?

জন্মেছে কন্যাসন্তান, ভবিষ্যদ্বাণী ভুল হতেই অশীতিপর পুরহিতকে গুলি করে খুন বাবা-ছেলের

মেয়ের সংস্থার সঙ্গে কোটি টাকার লেনদেন, এবার ED-র তলব পিনারাই বিজয়নকে

ট্র্যাকশন কন্ট্রোল প্রযুক্তি সহ বাজারে এল TVS125, দাম শুনলে অবিশ্বাস্য মনে হবে

দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ৮

পুজোর সময়ে দিল্লি থাকছেন? ঘুরে আসুন রাজধানীর ৮টি বিখ্যাত মণ্ডপ

গভীর রাতে গুজরাতের ওষুধের কারখানায় রিঅ্যাক্টর ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৫ শ্রমিক

রাশিয়ার তেলের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের, লাভবান হবে ভারত?

মহাসপ্তমীতে ঠাকুর দেখতে বেরোলে সঙ্গে রাখুন ছাতা! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

ট্রাম্পকে ‘স্বামী’ ডাকতেই চাকরি গেল? ৫ দিনেই পদ হারালেন মার্কিন প্রেস সচিবের কেটি

সপ্তমীর সকালে ঝাড়গ্রামে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডাম্পারের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেল একাধিক বাড়ি, মৃত ১

হাইকোর্টের পর ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট, পুজোয় শ্রীঘরেই কাটবে সুজিতের

‘আইনের চোখে সবাই সমান, সব স্টল তুলে দিন’, সিপিএমকে বুকস্টলের অনুমতি দিল না হাই কোর্ট