দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাসুদেবের বাঁকুড়ায় সুবাসিত নয় সুভাষের জয়, দখল নিতে মরিয়া অরূপ

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: মল্লভূম বাঁকুড়া। সেখানে আছে ২টি লোকসভা কেন্দ্র। বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর। এর মধ্যে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রটি(Bankura Constituency) জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে বিশেষ করে দিল্লিতে সংসদের অলিন্দে পরিচিতি পেয়েছে বাসুদেব আচারিয়ার(Basudeb Achariya) কেন্দ্র হিসাবে। সদ্য প্রয়াত এই বাম নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ এই কেন্দ্র থেকে টানা ৩৪ বছর সাংসদ ছিলেন। ১৯৮০ থেকে ২০১৪। সাড়ে ৩ দশকের ওই অধ্যায় অনেক নেতার বিরুদ্ধেই অনেক অভিযোগ ওঠে। বাসুদেব আচারিয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু তা হয়নি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তথা সুচিত্রা কন্যা মুনমুন সেনের কাছে পরাস্ত হন বাসুদেব। ২০০৯ সালে তিনি শেষবার জিতেছিলেন ১ লক্ষের সামান্য বেশি ভোটে। ২০১৪ সালে তিনি পরাস্ত হলেন ১ লক্ষের সামান্য কম কিছু ভোটে। কিন্তু বাঁকুড়া আজও বাসুদেব আচারিয়ার নামেই পরিচিত কেন্দ্র হয়ে আছে। ২০১৯ সালে তৃণমূলও কিন্তু এই কেন্দ্র নিজেদের দখলে ধরে রাখতে পারেনি। তা চলে যায় বিজেপির(BJP) দখলে। জেতেন সুভাষ সরকার(Subhash Sarkar), যিনি এখন কেন্দ্রের প্রতিমন্ত্রীও। তবে এবারে তাঁর জয়ের পথে কাঁটা ছড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল(TMC)। একুশের ভোটে এই কেন্দ্র থেকেই জোড়াফুল শিবির ১৭ হাজার ভোটের লিড নিয়ে বসে আছে।

বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে যে ৭টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে ৬টির অবস্থান বাঁকুড়া জেলায়, ১টির অবস্থান পুরুলিয়া জেলায়। বাঁকুড়া, তালড্যাঙরা, ছাতনা, শালতোড়া, রায়পুর, রাণীবাঁধ – এই ৬টি বিধানসভা রয়েছে বাঁকুড়া জেলায়। পুরুলিয়া জেলার যে বিধানসভা কেন্দ্রটি বাঁকুড়া লোকসভার মধ্যে রয়েছে তা হল রঘুনাথপুর। একুশের ভোটে এই ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছিল ৪টি কেন্দ্র। সেই ৪ কেন্দ্র হল – রঘুনাথপুর, শালতোড়া, ছাতনা ও বাঁকুড়া। কিন্তু বাকি ৩ কেন্দ্র তালড্যাঙরা, রায়পুর ও রাণীবাঁধে জিতেছিল তৃণমূল। শুধু জেতাই নয়, ওই ৩ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের দৌলতেই তৃণমূল এই কেন্দ্রে ১৭ হাজার ভোটের লিড তুলে বসে আছে। পাশাপাশি সুভাষকে বেগ দিতে বাঁকুড়া জেলার দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতা তথা তালড্যাঙরার বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তীকে(Arup Chakrabarty) মাঠে নামিয়ে দিয়েছে। বামেরা এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে নীলাঞ্জন দাসগুপ্তকে।

উনিশের ভোটে বিজেপির জয়ের পিছনে কাজ করেছিল বাম ভোট রামে আসার ট্রেন্ড এবং কুড়মি সমাজের সমর্থন। তার সঙ্গে জুড়েছিল মোদি হাওয়া। আর সেই ত্রহ্যস্পর্শের জোরেই সুভাষ জিতেছিলেন ১ লক্ষ ৭৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কিন্তু এবার না আছে মোদি হাওয়া, না আছে কুড়মিদের সমর্থন। একইসঙ্গে এবারে বিজেপিতে যাওয়া বাম ভোট ফের লাল পার্টির ঘরে ফেরার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি সুভাষের জয়ের পথে এবার কাটা রয়েছে তাঁর নিজের দলের নেতাদের তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া ক্ষোভ। কার্যত দলের একাংশ বসেই গিয়েছেন নিজ নিজ ঘরে। সুভাষের হয়ে তাঁরা না নামছেন প্রচারে, না ঘামাচ্ছেন ঘাম। অন্যদিকে অরূপের সব থেকে বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার। আর আছে জেলার উন্নয়ন এবং শিল্পের সমাহার। তিনিও এই ত্রহ্যস্পর্শের জোরেই এবারের ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছেন। তবে সুভাষ এবং অরূপ দুই প্রার্থীকেই চাপে রেখেছে রেলশহর আদ্রার ভোট। সেখানে দাবি উঠেছে পুরসভা গঠনের। সেই এলাকার ভোট কার দিকে যাবে সেটা ভাবাচ্ছে দুই শিবিরকেই।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘বিজেপি বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস জানে না,’ সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ রাহুলের

নিশাচর কমিশন! ভোটের আগে গভীর রাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে CEO মনোজ

বৃহস্পতি-শুক্রতে শহরে আসতে গেলে হাতে রাখুন অতিরিক্ত সময়, জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ

বুধবার সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গিপুরে নামল সাঁজোয়া গাড়ি, রাতভর টহল শুরু

বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দিল পুলিশ

ভোটের জন্য নেই বাস, আসানসোলে অটো-টোটোর বিরুদ্ধে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ