আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দিলেন, স্নায়ুর চাপ বাড়ল গেরুয়া শিবিরের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে বিজেপিকে বড় ধাক্কা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ আজ, বুধবার তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর স্ত্রী অরুণা মার্ডি। আজ তৃণমূল ভবনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার উপস্থিতিতে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন অরুণা মার্ডি। সুতরাং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি সাংসদের বাড়িতে কার্যত রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল ঘাসফুল শিবির বলে মনে করা হচ্ছে। মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। এই ঘটনার পর বিজেপি সেখানে সাফল্য পাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

এদিকে এই ঘটনার পর বিজেপির অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কারণ বঙ্গে এখন উপস্থিত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে নানা আক্রমণ শানান তিনি। আর ঠিক তখনই বিজেপি সাংসদের ঘর ভাঙিয়ে স্ত্রীকে দলে নিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হল বাংলায় তাদের জায়গা নেই। আর তৃণমূলে যোগ দিয়েই অরুণা বলেন, ‘আমি সিপিএম এবং বিজেপির সঙ্গেও ছিলাম। কিন্তু সেখানে তেমন জায়গা পাইনি। আমি এসসি, এসটি মহিলাদের নিয়ে বেশি করে কাজ করতে চাই। তাই এই দলে এলাম।’ সুতরাং তফসিলি জাতি, উপজাতি থেকে শুরু করে আদিবাসীদের জন্য যে বিজেপি কাজ করে না সেটা আবার প্রমাণ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বিজেপি সাংসদের স্ত্রীকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ করিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে একটা বার্তাও দেওয়া হল। মালদহে এবার যিনি বিজেপি প্রার্থী হবেন তার বিরুদ্ধে খগেন মুর্মুর স্ত্রীকে দাঁড় করানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সেক্ষেত্রে বিজেপির স্নায়ুর চাপ আরও বাড়তে পারে। এই বিষয়ে কিছু না বললেও শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‌এক সময়ে সিপিএম করতেন অরুণা। গণতান্ত্রিক মহিলা মোর্চার নেত্রী ছিলেন তিনি। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। খগেন মুর্মু যখন সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন এবং মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হন তখন প্রচারে নামেন অরুণা। সেই অরুণা এবার তৃণমূলে যোগ দিলেন।’‌

এছাড়া স্বামী বিজেপিতে আছেন। আবার তিনি সাংসদও। তারপরও স্ত্রী কেন অন্য দলে যোগ দিলেন? উঠছে প্রশ্ন। এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন খগেন মুর্মুর স্ত্রী। অরুণা মার্ডির কথায়, ‘সকলেরই একটা আলাদা মত থাকে। আর উনিও তো সিপিএম থেকেই বিজেপিতে গিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ আমার খুব ভালো লাগে। তাই আমি তৃণমূলে য়োগ দিলাম। এক বাড়িতে দুজন দুটো পৃথক দলে থাকলেও সেটা অস্বাভাবিকও কিছু না।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ধুন্ধুমার কাণ্ড, ইভিএম বিকৃতির অভিযোগ, লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর

মদের পেটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা, বাধা পেয়ে বেধড়ক মারধর, চাঞ্চল্য চুঁচুড়ায়

কার দখলে থাকবে বাংলা? সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যেই পূর্বাভাস দেবে ইভিএম

ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে মমতা, স্ট্রংরুম পাহারায় তৃণমূল সুপ্রিমো

পথ দুর্ঘটনায় দাদু-নাতির মর্মান্তিক পরিণতি, ধুন্ধুমার রামপুরহাটে

স্ট্রংরুমে ‘কারচুপি’-র অভিযোগ, প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ কুণাল-শশীর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ