বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে নিয়ে কোন্দল চরমে, কমিটি গঠন বিশ বাঁও জলে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে নিয়ে দলের অন্দরে কোন্দল চরমে উঠেছে। শমীক ভট্টাচার্য যখন রাজ্য সভাপতি হয়েছিলেন তখন যে উচ্ছ্বাস গেরুয়া শিবিরের মধ্যে দেখা গিয়েছিল তা কয়েক মাসের মধ্যেই ফিকে হয়ে গেল। এত তাড়াতাড়ি এমন ঘটনা বিজেপির অন্দরে আগে দেখা যায়নি। এমনকী সুকান্ত মজুমদার যখন রাজ্য সভাপতি ছিলেন তাঁকে ঘিরে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল সেটাও অনেক পরে। সেখানে সামনে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় চাপ বেড়েছে পদ্মশিবিরের। আর গত জুলাই মাসে বঙ্গ বিজেপির সর্বোচ্চ পদে বসেন শমীকবাবু। তারপর পাঁচ মাস কেটে গেলেও তিনি রাজ্য কমিটি তৈরি করতে পারেননি।

এদিকে বিজেপির অন্দরে একাংশ শমীক ভট্টাচার্যকে বাক্যবাগিশ নেতা বলে তকমা দিয়ে দিয়েছেন। তাই তাঁরা আর শমীকবাবুর উপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে সূত্রের খবর। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তিনবার রাজ্য কমিটির খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করা হলেও সেটা প্রকাশ্যে আসেনি। তার জেরে পুরনো কমিটিই কাজ করে চলেছে। আবার দলের মধ্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গোষ্ঠী পৃথকভাবে কাজ করছে। তাই অনেক সময়ই নেওয়া হচ্ছে আলাদা কর্মসূচি। সেসবের আগাম খবর থাকছে না রাজ্য সভাপতির কাছেই বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে এই আবহে বিধানসভা নির্বাচনে গেলে ভরাডুবি নিশ্চিত তা বুঝতে পারছেন পদ্মনেতারা। অনেক আদি বিজেপি নেতারা বলছেন, দলের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে শমীক ভট্টাচার্যের রাশ আর শক্তিশালী থাকছে না। সব মিলিয়ে এখন বঙ্গ বিজেপি শমীক, সুকান্ত এবং শুভেন্দুর গোষ্ঠীতে আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তাই আলগা হয়ে পড়ছে সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে সার্বিকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছে দলের কর্মীরা। কারণ কার কথা শুনে কর্মীরা চলবেন সেটা এখনও বুঝতে পারছেন না কেউ। সুতরাং দলের বুথ, মণ্ডল, জেলা এবং রাজ্য পর্যায়ে বিশৃঙ্খলা প্রকট হয়ে পড়ছে।

এছাড়া আরএসএস এখন তেমন সক্রিয় হয়ে দেখা দেয়নি। বিজেপির সঙ্গে আরএসএসের পৃথক অবস্থান সামনে এসে গিয়েছে। দু’‌দিন আগে সায়েন্স সিটিতে এসে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির চোখ দিয়ে আরএসএসকে দেখা ভুল হবে। এই আবহে বিজেপির মধ্যে রাজ্য সভাপতিকে নিয়ে কোন্দল বাড়তি সমস্যা তৈরি করেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে একাধিক জেলা এবং রাজ্য নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক ও নারীঘটিত নানা অভিযোগ উঠে আসে। যা নিয়েও কর্মীরা ক্ষুব্ধ। শমীকবাবু সভাপতি হওয়ার পর তাঁদের সরে যেতে হবে বলে ভেবেছিলেন অনেকে। কিন্তু তা এখনও ঘটেনি। তাই আস্থা কমছে রাজ্য সভাপতির উপর। এই আবহে জল কোনদিকে গড়ায় এখন সেটাই দেখার।

‘ফরেস্ট গার্ড, রেঞ্জারদের পাঁচ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধি,’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আচারের ঝাঁঝে জমবে দুপুরের ভোজ! বানিয়ে নিন আচারি পনির পোলাও

বাজারে সবজির আকাল? বরবটি-চিংড়ির ভর্তাতেই দুপুরের মেনু হবে জমজমাট

তৃণমূলকর্মীর হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর সরকারের, সিআইডির হাতে তদন্তভার

জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

পুরভোটের আগেই ইভিএম-সঙ্কট, হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য নির্বাচন কমিশন

উলটপুরাণ! ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-কে হারিয়ে বক্স অফিসে ঝড় তুলল ইমরানের ‘আওয়ারাপন ২’

শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য, ঢাকার ৯ রুটে ছুটবে ডাবল ডেকার গোলাপি বাস

ককরোচদের সংসদ ভবন অভিযান অবৈধ, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানাল দিল্লি পুলিশ

ঝাড়খণ্ডের দিকে নিম্নচাপ সরলেও রক্ষে নেই, মঙ্গলেও ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে কলকাতা

পড়ুয়াদের দাবি মানলেন হেমন্ত সোরেন, অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিল, তদন্তে CID

‘কমিউনিস্টরা আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে’, বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

বাংলাদেশের কাছে হারের জের, দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দল থেকে বাদ ওপেনার

থাইল্যান্ড থেকে বিমানে ‘গাছ পাচার’! কলকাতা বিমানবন্দরে ১৬০ কেজি গাছ-বীজ উদ্ধার