আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বঙ্গ–বিজেপিতে শমীক–শুভেন্দুর ঠাণ্ডা লড়াই চরমে, দিশেহারা জেলার নেতা–কর্মীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করতে চায় বঙ্গ–বিজেপি। আর তার জন্য যতরকম চেষ্টা করা দরকার তা পদ্মশিবির করছে। সেটা এসআইআর হোক, কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হোক এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল সমালোচনা। আবার বই প্রকাশ থেকে শুরু করে বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে আইটি কর্মী নিয়ে আসা–সহ ইস্তেহার তৈরি করতে মানুষের মতামত সবই করা হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। কিন্তু দুটি জিনিস কিছুতেই ঠিক করা হচ্ছে না। এক, দলীয় নেতাদের গোষ্ঠীকোন্দল দুই, দুর্বল সংগঠন শক্তিশালী করা বলে সূত্রের খবর।

এদিকে এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিরোধী দলনেতার ঠাণ্ডা লড়াই চরমে উঠেছে। যা বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের নানা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন শমীক। উলটে আদি নেতাদের কাছে টেনে নিয়ে এসেছেন। তার উপর কোনও কথাই রাজ্য সভাপতি জানাচ্ছেন না বিরোধী দলনেতাকে বলে অভিযোগ। সব কিছুই শুভেন্দুকে জানতে হচ্ছে ভায়া মারফত। এই নিয়ে শুভেন্দু অত্যন্ত রুষ্ট হয়েছেন শমীকের বিরুদ্ধে। এমনকী বিষয়টি নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে শমীক ভট্টাচার্য সবটা শুনেছেন। কিন্তু তারপরও শুভেন্দু অধিকারীকে পাত্তা দেননি। এতে বেজায় চটেছেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শমীক যেভাবে কাজ করছেন তাতে তাঁকে দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নয়াদিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহকে নালিশ ঠুকে এসেছেন শুভেন্দু বলে সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে শমীক জেলার নেতাদের একরকম নির্দেশ দিচ্ছেন। আর পরক্ষণেই শুভেন্দু আর একরকম নির্দেশ দিচ্ছেন। তার জেরে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন জেলার নেতা–কর্মীরা। কোন পথে যাবেন তাঁরা?‌ সেটা বুঝতে পারছেন না জেলার নেতা–কর্মীরা বলে জানা যাচ্ছে।

এছাড়া শমীকের বিরুদ্ধে শুভেন্দু নালিশের ঘটনা এখন বঙ্গ–বিজেপিতে বড় খবর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কান পাতলেই এখন তা শোনাও যাচ্ছে। এই বিষয়ে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বঙ্গ–বিজেপির এক আদি নেতা বলেন, ‘‌শুরু থেকেই শমীক–শুভেন্দুর সম্পর্ক সঠিক পথে এগোচ্ছিল না। এখন সেটা চরম আকার নিয়েছে। আসলে আদি নেতাদের দায়িত্বে নিয়ে আসা পছন্দ করেননি শুভেন্দু। বরং দলের অন্দরে উপদল তৈরি করার চেষ্টা করেছেন। সেটা আবার রাজ্য সভাপতি মেনে নেননি। তাই শমীক দার বিরুদ্ধে গোপনে নালিশ ঠুকে এসেছেন শুভেন্দু। যদিও তাতে কোনও লাভ হবে না।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করল কমিশন, ২১ মে ফের নির্বাচন

মিহিজামের জঙ্গলে যুবক-যুবতীর দেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য,তদন্ত শুরু

রবিবার স্ট্রং রুমে ইভিএম পাহারায় বিজেপির মহিলা বাহিনী অবস্থানে বসছে

ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাটের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯০ শতাংশ

ভোট দিয়ে হরিয়ানায় ফেরার পথে পরিযায়ী শ্রমিক বোঝাই বাস রানিগঞ্জে দুর্ঘটনার কবলে

মুখপাত্র থেকে একেবারে গণনা পর্যবেক্ষক, বাড়তি দায়িত্ব পেলেন প্রতীক উর রহমান

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ