‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে খানাকুলের ক্ষতি হবে না’, বিরোধীদের আশ্বস্ত করলেন ঘাসফুল শিবির

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও টালবাহানার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হলেও হুগলি জেলার মুণ্ডেশ্বরী ও দ্বারকেশ্বর নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সুস্পষ্ট সরকারি উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। আর এতেই আশঙ্কার সিঁদুরে মেঘ জমতে শুরু করেছে গোঘাট,খানাকুল ও আরামবাগ এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের ফলে শিলাবতী নদীর নাব্যতা বাড়লে বর্ষাকালে মুণ্ডেশ্বরী নদীতে জলচাপ বেড়ে যাবে,যার সরাসরি প্রভাব পড়বে গোঘাট ও খানাকুলে। পাশাপাশি পুড়শুড়া ও আরামবাগ ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গোঘাট ও খানাকুলে প্রায় প্রতি বছরই বন্যা নতুন করে দুর্ভোগ ডেকে আনে। মুণ্ডেশ্বরী ও দ্বারকেশ্বরের জল বেড়ে গেলে গ্রামের পর গ্রাম ডুবে যায়,নষ্ট হয় চাষের জমি,ভেঙে পড়ে কাঁচা বাড়ি । বহু মানুষকে মাসের পর মাস ত্রাণ শিবিরে দিন কাটাতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে যদি সংস্কার না হওয়ায় নদীগর্ভে বিপুল পলি জমে জলধারণ ক্ষমতা কমে গিয়েছে। ফলে বর্ষায় ডিভিসি জলাধার থেকে অতিরিক্ত জল ছাড়া হলেই বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকে পড়ে।

আরও পড়ুন: হলের বাইরে ৩.৫ ঘণ্টা অপেক্ষা, তবুও আহানের ‘বর্ডার ২’ দেখলেন না সুনীল শেট্টি, কেন?

ভৌগোলিকভাবেও গোঘাট ও খানাকুল নিচু এলাকা হওয়ায় একবার জল ঢুকলে তা সহজে নামতে চায় না। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘদিন ধরেই মাস্টার প্ল্যানের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় মানুষ। যদিও সেই দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ২০২৪ সালে আরামবাগের কালিপুর মাঠে লোকসভা ভোটার প্রচারে এসে বর্তমান সাংসদ দেব অধিকারী এই দাবিতে সরব হয়েছিলেন। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুর থেকে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের সূচনা করলেও গোঘাট ও খানাকুল অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে।

খানাকুলকে বাঁচাতে ‘খানাকুল বাঁচাও কমিটি’ গঠন করে গণস্বাক্ষর ও পথসভার আয়োজন করা হয়েছে। কমিটির দাবি, প্রথমে এই এলাকাগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও পড়ে ব্যাড দেওয়া হয়। কমিটির নেতা অমিত আঢ্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই বর্ষায় খানাকুলের দূরদর্শার কথা জানেন এবং ভবিষ্যতে বিষয়টি বিবেচনা করবেন, এই আশাতেই তাঁরা রয়েছেন। যদিও বিরোধীদের কটাক্ষ, রাজনৈতিক কারণেই আরামবাগ মহকুমা বঞ্চিত হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, সরকার রাজ্যের প্রতিটি এলাকার উন্নয়ন নিয়েই ভাবছে, সময়মতো বন্যা নিয়ন্ত্রণের দিকেও নজর দেওয়া হবে।

জানেন কেন কিডনির গ্লুকোজ সহনশীলতার সর্বোচ্চসীমা ১৮০ মিলিগ্রাম হয়?

গা ছমছমে অনুভূতি পেতে চান? কার্শিয়াঙের এই জায়গায় গেলেই মিলবে ‘মুণ্ডহীন’ ভূতের দেখা

ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, কুলগাঁওয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক

‘তাহিরের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল’, বললেন নিহত গোয়েন্দাকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাই

প্রতিদিন এক কাপ ব্ল্যাক কফিতেই সুরক্ষিত থাকবে হার্ট ও লিভার

সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন? চাকরির সঙ্গে ভালবাসা বাঁচাতে খেয়াল রাখুন এই বিষয়ে..

ঢাকায় দীনেশ ত্রিবেদির সঙ্গে বৈঠক ট্রাম্পের বিশেষ দূতের, জোর জল্পনা

অভিভাবকদের ফেসবুক আসক্তি কি পরিবারে দূরত্ব বাড়াচ্ছে? সমাজমাধ্যম থেকে দূরে থাকার উপায়

রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকার মনোনীত সদস্যের তালিকা প্রকাশ করল বিকাশ ভবন

আশ্রয়ের খোঁজে মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় যেতে গিয়ে সলিল সমাধি ৪১ জনের

ডিমের পর মিড ডে মিলে এবার পড়ুয়াদের পাতে মাছও! বড় ঘোষণা নিশীথের

৫৩ বছর আগে অপহরণের চিঠি বোতলে ভরে ভাসানো হয়েছিল সমুদ্রের জলে, তার পর…

পার্কিং ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

১৮ বছর বাদে বাড়ি ফিরলেন ‘মৃত’ দাদা, ভূত দেখার মতো চমকে উঠলেন ভাই