দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে উদ্বেগ বাংলার শতাধিক পরিবারে

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেউ গিয়েছেন পড়তে, কেউ গিয়েছেন কর্মসূত্রে। আবার কেউ গিয়েছেন ব্যবসার কাজে। কিন্তু যেখানে গিয়েছেন সেই ইউক্রেন(Ukraine) এখন পরিণত হয়েছে যুদ্ধের বদ্ধভূমিতে। রাশিয়া(Russia) বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকেই আক্রমণ শানিয়েছে ভূমধ্যসাগর লাগোয়া ইউক্রেনে। বাংলা থেকে সহস্র যোজন দূরে থাকা বাংলায়(Bengal) সরাসরি এই যুদ্ধের কোনও প্রভাব পড়ার কথা নয়। কিন্তু রুশ-ইউক্রন যুদ্ধে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বাংলার শতাধিক পরিবারে। কেননা এই সব পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য এখন ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন। সরকারি হিসাব বলছে ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়(Indian) নাগরিকদের সংখ্যা ২০ হাজার। এর মধ্যে বাংলার শতাধিক নাগরিক(Citizen) রয়েছেন। কেউ পড়ুয়া, কেউ বা চাকুরীজীবী। এদের ঘিরেই এখন উৎকন্ঠা ছড়িয়েছে বাংলায়। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে চেষ্টা চালানো হচ্ছে তাদের শীঘ্রই ফিরিয়ে আনার। সেই কারণে বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলা হচ্ছে। কিন্তু ঘরের ছেলেমেয়েরা ঘরে না ফেরা অবধি দুশ্চিন্তা থেকে যাচ্ছে।

ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য দুশ্চিন্তা রয়েছে ভারত সরকারেরও(India Government)। তাই সে দেশে বসবাস করা এ দেশের নাগরিকদের বলা হয়েছে কিয়েভের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলতে। পারলে তাঁরা যেন দূতাবাসে চলে আসেন এমন বার্তাও দেওয়া হয়েছে তাঁদের। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সেখানে এখন প্রবল ভাবে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভ(Kiev), খারকিভ-সহ একাধিক শহরে শোনা যাচ্ছে পরের পর বিস্ফোরণের শব্দ। প্রতিমুহুর্তে আছড়ে পড়ছে ক্ষেপনাস্ত্র, বোমা। যদিও রাশিয়ার দাবি, জনবসতির ওপর কোনও হামলা চালানো হয়নি। হামলা হচ্ছে সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর(Airport), রাস্তা, সেতু, রাষ্ট্রীয় কারখানা লক্ষ্য করে। যদিও ইউক্রেনের সরকারের পাল্টা দাবি, জনবসতির ওপরেও হামলা চালানো হচ্ছে। রুশ হামলায় সেদেশে সেনা সহ প্রায় ১৫০জনের মৃত্যু হয়েছে। লক্ষাধিক মানুষ গৃহহারা হয়েছেন। আর এই সব খবর যখন একের পর এক সংবাদমাধ্যমে ভেসে উঠছে তখন স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ আরও বেশি করে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলার বুকে।

বাংলার যে সব মানুষ এখন ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন তাঁদের কাছ থেকে যেটুকু খবর মিলছে সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তা কিন্তু বেশ উদ্বেগের। ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ মেনে সেখানকার ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক দিন ধরেই ক্লাস করতে যাচ্ছিলেন না। হস্টেলে থেকে ‘জ়ুম’-এ ক্লাস করতে বলা হয়েছিল তাঁদের। সেই সঙ্গে তাঁদের বলে দেওয়া হয়েছিল যতটা সম্ভব বেশি যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস তাঁরা কিনে রাখেন। বিশেষ করে শুকনো খাবার ও পানীয় জল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রুশ হামলা শুরু হতেই ইউক্রেনের বড় বড় শহরের বাসিন্দারা দ্রুত বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নেওয়া শুরু করেছেন। কারণ, এই স্টেশনগুলি নির্মীত হয়েছে মাটির অনেক গভীরে। ভারত সরকার জানিয়েছে, ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়রা কাতার হয়ে দেশে ফিরতে পারেন। কেননা কাতারের সঙ্গে ভারতের এয়ার বাবল চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি মোতাবেক ইউক্রেন থেকে আগত ভারতীয় নাগরিকেরা কাতারকে ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহার করে দেশে ফেরত আসতে পারেন। ইউক্রেন থেকে যে সমস্ত ভারতীয়রা কাতারে যাবেন, তাদের বিনা বাধায় ভারতের বিমানে উঠতে দেওয়া হবে বলে জানানোও হয়েছে। কিন্তু এই যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেন থেকে ২০ হাজার ভারতীয় কীভাবে কাতার পৌঁছাবেন তা বলতে পারেনি ভারত সরকার। আর এই পরিস্থিতি ঘিরেই উদেগ ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে। উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বাংলার বুকেও।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘বিজেপি বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস জানে না,’ সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ রাহুলের

নিশাচর কমিশন! ভোটের আগে গভীর রাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে CEO মনোজ

বৃহস্পতি-শুক্রতে শহরে আসতে গেলে হাতে রাখুন অতিরিক্ত সময়, জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ

বুধবার সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গিপুরে নামল সাঁজোয়া গাড়ি, রাতভর টহল শুরু

বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দিল পুলিশ

ভোটের জন্য নেই বাস, আসানসোলে অটো-টোটোর বিরুদ্ধে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ