মালদা উত্তরে আবারও পদ্মফুল নাকি এবার জোড়াফুল, অপেক্ষা জনতার রায়ের

একুশের ভোটে মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রায় ৩ লক্ষ ভোটে এগিয়ে গিয়েছে। তারপরেও কী এবার বিজেপি পারবে মালদা উত্তর ধরে রাখতে!

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একসময়ের কংগ্রেসি দুর্গ। পরে ছড়ি ঘুরিয়েছে বামেরাও। সেখানেই উনিশের ভোটে হয়েছে পদ্মের চাষ। একুশের ভোটে পদ্মকে কোনঠাসা করে উত্থান ঘটেছে জোড়াফুলের। এবার দেখার বিষয় ২৪’র ভোটে(Loksabha Election 2024) সেখানে কোন ফুলের জয়জয়কার হয়। পদ্মফুলের নাকি জোড়াফুলের। মানে বিজেপি(BJP) জয় হয় নাকি তৃণমূলের(TMC)। নজরে মালদা উত্তর লোকসভা(Malda Uttar Constituency) কেন্দ্র। ২০০৯ সালের আগে অবধি মালদা জেলাতে একটাই লোকসভা কেন্দ্র ছিল। ১৯৫২ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মালদা জেলাতে ছিল একটাই লোকসভা কেন্দ্র। ১৯৭১ থেকে ১৯৮০ এই ১০ বছর এই লোকসভা কেন্দ্র ছিল বামেদের দখলে। বাকি সারা সময়টাই এই কেন্দ্র ছিল কংগ্রেসের দখলে। কিন্তু ২০০৯ সালে এই জেলায় তৈরি হয় ২টি লোকসভা কেন্দ্র। মালদা উত্তর এবং মালদা দক্ষিণ। সেই ২০০৯ ও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এখানে জিতেছিল কংগ্রেস(INC)। কিন্তু ২০১৯ সালের ভোটে এখানে জেতে বিজেপি। প্রশ্ন এবারে কে জিতবে?

মালদা একসময় কংগ্রেসের শক্ত দুর্গ হিসাবেও চিহ্নিত থাকলেও, সেখানে বামেদের উপস্থিতিও ছিল। কিন্তু উনিশের ভোটে এই কেন্দ্রে বিজেপি জিততেই সেই ছবিটা বদলে যায়। কেননা জেলার রাজনীতিতে বিজেপির উত্থানে ভীত সংখ্যালঘু সমাজ বাম ও কংগ্রেস ছেড়ে জড়ো হয় তৃণমূলের পতাকাতলে। আর তার জেরেই একুশের ভোটে মালদা জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ধ্যে ৮টি কেন্দ্রেই জেতে তৃণমূল, ৪টিতে জেতে বিজেপি। জেলা থেকে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় বাম-কংগ্রেস। মালদার মাটিতে সেই ভোটের আগে অন্য কোনও ভোটেই সেভাবে সাফল্যের মুখ দেখতে পায়নি তৃণমূল। কিন্তু ২৪’র ভোটে তৃণমূল মাঠেই নেমেছে সংখ্যালঘু ভোটে ভর দিয়ে জেলার ২টি লোকসভা কেন্দ্রই নিজেদের দখলে আনতে। তবে তৃণমূলের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া। কেননা বাংলার মাটিতে তৃণমূলের লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধেই। এই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে যে ৭টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে সেগুলি হল – হব্বিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া ও মালদা।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ে মালদা উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী খগেন মূর্মু পেয়েছিলেন ৫ লক্ষ ৯ হাজারের বেশি সামান্য ভোট। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ভোট। দুইয়ের ব্যবধান ছিল ৮৪ হাজার ভোটের। তৃতীয় স্থানে থাকা কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছিলেন ৩ লক্ষের মতো ভোট। কার্যত সেই নির্বাচনেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছিল যে বিজেপি বিরোধী ভোট কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণেই বিজেপি জিতে গিয়েছে। একুশের ভোটে কিন্তু মালদার জনতা আর সেই একই ভুল করেনি। তাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছেন। আর তার জেরেই এই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর ও রতুয়া। বাকি ৩টি বিধানসভা কেন্দ্র হব্বিবপুর, গাজোল ও মালদায় জয়ী হয়েছে বিজেপি। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, বিজেপি এই ৩ কেন্দ্রে সর্বমোট ৩৫ হাজার ভোটে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে ছিল। কিন্তু তৃণমূল তাঁদের দখলে যাওয়া ৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির থেকে সর্বমোট প্রায় ৩ লক্ষ ভোটে এগিয়ে ছিল। স্বাভাবিক ভাবেই ২৪’র ভোটে যদি এই ট্রেন্ডই বজায় থাকে তাহলে বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত।

কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৪, নিখোঁজ আড়াই হাজারের বেশি

ঠান্ডা দই বনাম আইসক্রিম, জেনে নিন কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর?

সেলুনে সতীর্থ সরফরাজের চুল কাটছেন মোহাম্মদ সিরাজ! ভাইরাল ভিডিও

বুধের সকালে চমক দেবে বৃহস্পতি! টাকার জোয়ারে ভাসবেন ৭ রাশির জাতক-জাতিকারা

 সম্পর্কের শৈত্য কাটছে! অগস্টের শেষ সপ্তাহে দিল্লি সফরে আসছেন তারেক রহমান

‘পাথর সম্রাট’ টুলুর বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করল সিউড়ি আদালত

‘ধর্মান্তকরণ রুখতে নতুন আইন আনছে রাজ্য,’ ঘোষণা শুভেন্দুর

পাঁচ বছরেই দেবরাজের সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা! ইডিকে নতুন তথ্য দিল পুলিশ

গাঁজা সেবন করেই বিমান চালাচ্ছিলেন ফুকেত-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট!

অভয়ার ধর্ষণ-খুনের দিন হাসপাতালে থাকা চিকিৎসক-নার্স, কর্মীদের তলব সিবিআইয়ের

বিএসএফ-বিজিবি পতাকা বৈঠকের পরে মুক্তি পেল বাংলাদেশিদের হাতে অপহৃত তেহট্টের দুই চাষি

‘দুর্নীতির খোঁজ চললেও, মানুষকে আগে পরিষেবা দিতে হবে,’ নির্দেশ দিলীপ ঘোষের

টুলুর ‘সাম্রাজ্য’-এর শিকড় খুঁজতে পুলিশের আতশকাচের নিচে আত্মীয়রা

হালিশহরের পর শ্যামবাজার, ফের মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, শুনতে হল চোর স্লোগান