আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ইস্তফা বাবুলের! চাপে শিশির-দিব্যেন্দু-সুনীল

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে যবনিকার অবসান। বাবুলকে ধরে রাখতে পারলো না মোদি-শাহ-নাড্ডা শিবির। বিজেপিকে ধাক্কা দিয়ে আগেই বাবুল সুপ্রিয়কে সময় দিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এদিনই ছিল সেই নির্দিষ্ট দিন। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ বাবুলকে সময় দিয়েছিলেন ওম বিড়লা। সেই মতো এদিন দিল্লিতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্পিকারের বাড়িতে হাজির হন বাবুল। সেখানেই তিনি তাঁর সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পত্র স্পিকারের হাতে তুলে দেন। যদিও সেই পদত্যাগ পত্র গৃহীত হয়েছে কী হয়নি তা নিয়ে লোকসভার সচিবালয় বা স্পিকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে বাবুলের ইস্তফা গৃহীতই হবে। আর যদি তা হয় তাহলে আসানসোলে এবার বেজে উঠতে চলেছে লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের রণদামামা।  

এমনিতেই রাজ্যে আগামী ডিসেম্বর মাসে পুরনির্বাচন হতে পারে। মনে করা হচ্ছে সেই সময় আসানসোলের লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনও করিয়ে ফেলতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে যদি সেই সময়ে নাও হয় সেই ভোট তবুও ২০২২ সালের এপ্রিলের মধ্যে সেই ভোট সেরে ফেলতেই হবে কমিশনকে। কেননা নিয়মানুযায়ী কোনও লোকসভা কেন্দ্রের আসন ফাঁকা হলে সেখানে ৬ ম,আসের মধ্যে উপনির্বাচন করাতে হয়। সেই হিসাবে এদিন থেকে ধরলে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখের মধ্যেই সেই নির্বাচন সেরে ফেলতে হবে। বিজেপি কোনও ভাবেই চাইছিল না বাবুল তাঁর সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিক। কেননা বিজেপির এখন আর সেই ক্ষমতা নেই যে আসানসোলে উপনির্বাচন হলে সেই ভোটে আসন বার করে আনা। তাই তাঁরা বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্পিকার ওম বিড়লা সেই পথে হাঁটা দেননি। তিনি বাবুলকে এদিন সময় দিয়েছিলেন যাতে প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইস্তফা দিতে পারেন। আর সেটাই হয়েছে।

তবে এখন বাবুলকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে তাঁরই করা একটিও টুইতে। সেখানে তিনি রীতিমত ইঙ্গিত দিয়েছেন আসানসোলের উপনির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হিসাবে লড়াই করার। যদি সেটাই হয় তাহলে বিজেপির কাছে তা আরও বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এর পাশাপাশি বাবুলের ইস্তফায় এবার রীতিমত চাপে পড়ে গেলেন অধিকারী পরিবারের দুই সদস্য। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়াই করে এখন তাঁদের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছেদ করেছেন। তাই তৃণমূলের তরফেও ওই দুইজনের সাংসদ পদ বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। সেই সূত্রে স্পিকার তাঁদের দুইজনকেই চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এখন বাবুল ইস্তফা দেওয়ায় তৃণমূল কার্যত আরও জোর পেয়ে গেল ওই দুইজনের সাংসদ পদ বাতিলের জন্য সংসদে দাবি তোলার। একই সঙ্গে সুনীল মণ্ডলকেও বলা হতে পারে ইস্তফা দেওয়ার জন্য। দেখার বিষয় স্পিকার ওম বিড়লা এই ৩জনকে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন। তবে সন্দেহ নেই বাবুলের ইস্তফায় এই ৩জন তো বটেই, বিজেপিও অনেকটাই চাপে পড়ে গেল।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা,নজরদারিতে আর কী থাকছে?

‘হেরে যাওয়া মানুষের নাটক শুরু’, স্ট্রংরুমকাণ্ডে মমতাকে তোপ দিলীপের

‘শ্রমিকরাই দেশের গর্ব ও সমাজের সম্পদ’, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে পুর দুর্নীতি মামলায় ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে সুজিত বসু

বঙ্গে কে আসবে ক্ষমতায়? মনের কথা জানিয়ে দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

নির্বাচনে অশান্তি ঠেকাতে আধাসেনার জওয়ানদের দেওয়া হয়েছে ১ লক্ষ লাঠি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ