আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ টার্গেট মমতার বাংলায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার(Bengal) মুকুটে আরও একটা পালক। ২০২২-২৩ সালে ৫ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩২০টি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে(Women Selfhelp Group) ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছিল। কিন্তু আর্থিক বছর শেষ হওয়ার অনেক আগে সেই টার্গেটের থেকে লক্ষাধিক বেশি গোষ্ঠী ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই উৎসাহ দেখে তাই নতুন করে ঋণ প্রদানের টার্গেট স্থির করে দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। চলতি অর্থবর্ষে বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ টার্গেট বেঁধে দিল নবান্ন। সেই মতো জেলাগুলিকে আরও সক্রিয় হতে বলেছেন নবান্নের(Nabanna) কর্তারা, কেননা এটাই চলতি অর্থবর্ষের শেষ মাস। ব্যাঙ্কগুলি যাতে এই মহিলাদের দ্রুত ঋণ দেন, তা দেখতে হবে জেলা আধিকারিকদের। এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারলে রাজ্যে এক নয়া রেকর্ড সৃষ্টি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে সেই লক্ষ্য ছোঁয়া যাক আর না যাক চলতি অর্থবর্ষের ছবি বলে দিচ্ছে স্বল্প সুদে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে আগ্রহ বাড়ছে বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মধ্যে।  

আরও পড়ুন মমতার বালি-নীতিতে রাজ্যের আয় ৬০০ কোটিরও বেশি

চলতি অর্থবর্ষ শুরুর সময় ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ হাজার কোটি টাকার মতো। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, আর্থিক বছর শেষ হওয়ার অনেক আগে সেই টার্গেটের থেকে লক্ষাধিক বেশি গোষ্ঠী ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। অন্তত ৯টি জেলায় ১০০ শতাংশের বেশি মহিলা ঋণ নিয়ে ফেলেছেন। তাই সেইসব জায়গায় ঋণ নেওয়ার পরিমাণ টার্গেটকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এই ৯টি জেলা হল – পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার এবং মুর্শিদাবাদ। এছাড়াও হুগলি ও আলিপুরদুয়ার লক্ষ্যমাত্রার দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে। কিছুদিন আগে মুখ্যসচিব স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠন, ক্রেডিট লিঙ্কেজ ইত্যাদি ইস্যু নিয়ে জেলাগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। কোথায় কী অবস্থা তার পর্যালোচনা করেন তিনি। তারপরই বছর শেষের আগে ঋণ প্রদানের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকার মাইল ফলক স্পর্শ করার জন্য জেলাগুলিকে তৎপর হতে বলা হয়।

আরও পড়ুন বাংলার ৭৮ শতাংশ স্কুলে জলের সংযোগ দিল মমতার সরকার

দেশের নিরিখও বাংলার মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীরা যে ভালো কাজ করছেন, তা স্পষ্ট। কারণ একাধিক ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে(Double Engine States) ঋণ প্রদানের হার খুবই কম এবং পশ্চিমবঙ্গের ধারের কাছে নেই তারা। যেমন উত্তরপ্রদেশে এখনও পর্যন্ত মূল টার্গেটের ৪৩ শতাংশ টাকা ঋণ দিয়েছে ব্যাঙ্কগুলি। গুজরাতে সেই হার আরও কম, মাত্র ৩৪ শতাংশ। কর্ণাটক এবং মধ্যপ্রদেশ বাকি দুই রাজ্যের থেকে ভালো হলেও, বাংলার থেকে পিছিয়ে রয়েছে তারা। এই সব রাজ্যের মহিলাদের কি তাহলে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করার প্রতি আগ্রহ কম? এমনই প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কালীঘাট থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন

ভবানীপুরে শুভেন্দুর সভার মাইকের আওয়াজে নির্বাচনী জনসভা না করে ফিরে গেলেন ক্ষুব্ধ মমতা

কলকাতায় দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে রাস্তায় নামছে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

হাতে মাত্র আর ২ ঘণ্টা, মদের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন সুরাপ্রেমীদের

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিন বঙ্গের ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সর্তকতা জারি

বিজেপির হয়ে কলকাতায় প্রচারে আসছেন রাঘব চাড্ডা, হতে পারেন কেজরিওয়ালের মুখোমুখি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ