এই মুহূর্তে




৩২ হাজার চাকরি বাতিলের আজ রায় দান হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে প্রাথমিক নিয়োগ মামলার রায়দান আজ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক এর চাকরি বাতিল করে দিয়েছিলেন হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করা হয়। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও ঋতুব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ আজ সেই মামলার রায় দেবেন। টেটের(TET) মাধ্যমে যে ৪২ হাজার ৫০০ জনের নিয়োগ হয়েছিল তার মধ্যে থেকে ৩২ হাজার অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকদের চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট(Kolkata High Court)। ২০২৩ সালের ১২ মে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই রায় ঘোষণা করেছিলেন। তার নির্দেশে চাকরি হারিয়েছিলেন প্রশিক্ষণ হীন ৩২ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা। কিন্তু চাকরি বাতিল হলেও ওই শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুলে যাবেন এবং তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া রাজ্যকে শুরু করতে হবে বলে, প্রাক্তন বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন। যোগ্য এবং উত্তীর্ণদের চাকরি বহাল থাকবে বলা হয়েছিল নির্দেশ নামায়। সিঙ্গেল বেঞ্চে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় পর্ষদ।

তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের চাকরি বাতিল সংক্রান্ত রায়ের উপরে অন্তর্ভুক্তি স্থগিতাদেশ জারি করেছিল। তবে ডিভিশন বেঞ্চে এও বলে দিয়েছিল সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ মত নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্ষদকে শুরু করতে হবে। হাইকোর্টের ওই দুই রায় কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য এবং পর্ষদ। একইসঙ্গে সেখানে আবেদন জানান চাকরি হারাদের একাংশ। আবেদনকারীরা জানান সিঙ্গেল বেঞ্চের শুনানিতে সব পক্ষকে বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সব পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়নি। বিশ্ব আদালত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চকে সব পক্ষের বক্তব্য শুনতে নির্দেশ দিয়েছিল।

এরপর সেই মামলা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে যায় গত ১২ নভেম্বর হাইকোর্টে ডিভিশন বেঞ্চে সব পক্ষের শুনানি শেষ হয়। এরপর ডিভিশন বেঞ্চ(Division Bench) রায় স্থগিত রেখেছিল। এই মামলায় মামলাকারীদের পক্ষের অভিযোগ ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়াতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে ।কোন নিয়ম মানা হয়নি ।অপরদিকে রাজ্য সরকার এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দাবি করেছে, দুর্নীতির কোন প্রমাণ নেই। কয়েকটি ক্ষেত্রে কিছু অনিয়ম হয়েছে। পরে তা সংশোধন করে নেওয়া হয়েছে। যা কিছু অভিযোগ করা হয়েছে সবটাই রাজনৈতিক অভিসন্ধি থেকে। আজ বুধবার সেই মামলার চূড়ান্ত রায় দেবে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অপেক্ষায় রয়েছেন ৩২ হাজার চাকরি বাতিল হয়ে যাওয়া শিক্ষক শিক্ষিকারা।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের মালিকানা কার? কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ, বিচার শুরু কবে?

প্রধান বিরোধী দল হতে উদ্যোগ নিচ্ছে সিপিএম, বিশেষ কোন পরিকল্পনা লালপার্টির?‌

জোড়া পথ দুর্ঘটনা কলকাতায়, গতির বলি বাইক আরোহী

শীতের দাপট অব্যাহত, সপ্তাহান্তে পারদ পতনের পূর্বাভাস

পুরুলিয়ায় ৯ ডিগ্রিতে নামল তাপমাত্রা, দক্ষিণের ৮টি জেলায় দ্রুত নামবে পারদ

এসআইআরে ভুল তথ্য দিলে সাত বছরের জেলের ঘানি টানানোর হুমকি নির্বাচন কমিশন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ