চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘সত্যমেব জয়তে’, আর জি করের চার্জশিটই জিতিয়ে দিল কলকাতা পুলিশকে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায়(R G Kar Incident) কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police) ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছিল সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাইকে। মাত্র ৯৬ ঘণ্টা তদন্ত করার সুযোগ পেয়েছিল কলকাতা পুলিশ। তারপর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আর জি করে ধর্ষণ ও খুনের তদন্তভার যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের(CBI) হাতে। তবুও সোশ্যাল মিডিয়ার গত ৫৫ দিনে বারেবারে সমলোচনায় বিদ্ধ হতে হয়েছে দেড়শ বছরের প্রাচীন কলকাতা পুলিশকে। আরও বলা ভাল, বদনাম করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের। কিন্তু সেই সব বদনামকে ছাপিয়ে গেল খোদ সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিট(Charge Sheet)। কেননা সেখানেও সঞ্জয় ছাড়া আর কাউকেই অভিযুক্ত হিসাবে তুলে ধরা হয়নি। সিবিআই-ও সঞ্জয়ের বাইরে আর কাউকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করে দেখাতে পারেনি। কার্যত কলকাতা পুলিশ যে সঠিক পথেই চলছিল সেটাই যেন মান্যতা দিয়ে দিল সিবিআইয়ের চার্জশিট। আর তারপর থেকেই কলকাতা পুলিশের অফিসারদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের DP বদলাতে শুরু করেছে। সবার DP-তে একতাই ছবি, ‘সত্যমেব জয়তে’।

আরও পড়ুন, নতুন রেশন কার্ড করাতে গেলে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক করল রাজ্য

জানা গিয়েছে, লালবাজারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে কলকাতা পুলিশ বাহিনীর OC, Additional OC, Sub Inspector, Sergent-রা নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের DP বা Display Picture বদলে দিয়েছেন। সেখানে হলুদ ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর কালো কালিতে লেখা ‘সত্যমেব জয়তে’। কেন উচ্চপদ থেকে নিচুতলার কর্মীদের DP বদল? এনিয়ে পুলিশমহল প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ। তবে মৌন থেকেই তাঁরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন, আর জি কর কাণ্ডে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের আখ্যাপ্রাপ্ত কলকাতা পুলিশের তদন্তের নির্যাসের পথেই হেঁটেছে সিবিআই। আদালতে তাঁদের পেশ করা চার্জশিটই বলে দিচ্ছে, কলকাতা পুলিশ ভুল কিছু করেনি। ভুল পথে হাঁটেনি। মিথ্যা কিছু তুলে ধরেনি, সত্যকে চেপে যায়নি। কলকাতা পুলিশের তদন্তকে মান্যতা দিয়েছে দেশের সেরা ৫টি Central Forensic Science Lab’র বিষেশজ্ঞরাও যা সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটেও জায়গা করে নিয়েছে। যারা কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে। প্রথম দিন থেকেই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা যেন তদন্তের থেকে বেশি, কলকাতা পুলিশের তদন্তে ভুল ধরতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন। এমনকী দেশের শীর্ষ আদালতে সওয়াল পর্বে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের অধীনস্থ সংস্থা Kolkata Central Forensic Lab’র তৈরি করা রিপোর্টকেও ‘রাজ্যের বানানো রিপোর্ট’ বলে বিশ্বাস করতে চাননি অনেকে!

আরও পড়ুন, দিঘায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে, রুম ভাড়ার তালিকা হোটেল-লজের সামনে টাঙিয়ে রাখা

কিন্তু ভাগ্যের কী অদ্ভূর পরিহাস! কলকাতার পর চন্ডীগড়, দিল্লির মতো দেশের দুই সেরা Central Forensic Science Lab’র বিষেশজ্ঞরাও নিজেদের রিপোর্ট পেশ করে কলকাতা পুলিশের তদন্তকেই মান্যতা দিয়েছে। অন্তত সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটে তেমনটাই দাবি করা হয়েছে। অথচ, এই মামলার শুনানিতে আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বারেবারে অভিযোগ করা হয়েছিল, কলকাতা পুলিশ সঠিক পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়নি। কারচুপিও হয়েছে ময়না তদন্তের রিপোর্টেও! হাজার বিতর্কের মধ্যেও কল্যাণী, দিল্লির এইএমস’এর বিশেষজ্ঞরা কলকাতা পুলিশের রিপোর্টে কোনও ত্রুটি বের করতে পারেননি। দিল্লির এইএমস, রামমনোহর লোহিয়া, লেডি হার্ডিঞ্জ, সফদরজঙ হাসপাতাল এবং মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত বোর্ড তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্ত, এনকোয়েস্ট রিপোর্ট এবং ভিডিওগ্রাফি খতিয়ে দেখে কোনও খুঁত পায়নি। আর এই সব কিছুই কলকাতা পুলিশকে জিতিয়ে দিয়েছে। উঠে এসেছে সেই চিরন্তন ‘সত্যমেব জয়তে’।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তৃণমূলের হয়ে কাজের অভিযোগ! পাঁচ বিএলওকে সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

ভোটের মুখেই বিধাননগরের সিপি বদল কমিশনের, সরানো হল মুরলীধরকে

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ