চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অরাজকতা কারে কয়, রাজভবন দেখিয়ে দেয়

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: চূড়ান্ত স্বেচ্ছাচার। সংবিধান ও রীতিনীতি কোনওটাই মেনে চলার সামান্যতম ইচ্ছাটুকুও দেখা যাচ্ছে না। আর তার নিট রেজাল্ট, রাজ্যের একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে নেমে এসেছে চূড়ান্ত প্রশাসনিক অরাজকতা। কাঠগড়ায় রাজভবন। কেননা সেখানকার বাসিন্দাই এই অরাজকতার মূলে। রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি(Universities) নিয়ে ছেলেখেলা করে চলেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস(C V Anand Bose)। কার্যত রাজ্যের উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছেন গেরুয়া শিবিরের আজ্ঞাবাহী রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। শনিবার রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য তথা রাজ্যে রাজ্যপালের দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উদ্দেশে। তাতে বলা হয়েছে, আচার্যের পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সার্বভৌম অধিকর্তা হলেন উপাচার্যই(VC)। তাঁর অধীনস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীরা তাঁরই নির্দেশ মেনে কাজ করবেন। সরকার তাঁদের নির্দেশ দিতেই পারে। কিন্তু সেই নির্দেশ তাঁরা মানতে বাধ্য নন।

রাজভবনের এহেন নয়া নির্দেশিকা দেখে রাজ্যের শিক্ষামহলের ধারনা, রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণকে কার্যত ‘শূন্য’-এ নামিয়ে আনতেই রাজভবনের এহেন পদক্ষেপ। নয়া নির্দেশের জেরে একমাত্র উপাচার্যের মত হলে তবেই সেই নির্দেশ মান্যতা পাবে ওই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। অর্থাৎ রাজ্যের শিক্ষা দফতরের(West Bengal State Education Department) যে কোনও নির্দেশ উপাচার্যের মান্যতা পেলে তবেই কার্যকর হবে। অন্যথা নয়। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে গিয়ে সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক শূন্য পদ পূরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তার পরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা নিয়ামক এবং ফিনান্স অফিসারকেও নিয়ে যাওয়া হয় ঝাড়গ্রামের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর পরেই শনিবার রাজভবন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশ উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ রাজ্য দিতে পারে না। উচ্চশিক্ষা সচিব এই কাজ করতে পারেন না।

নয়া বিজ্ঞপ্তিতে রাজভবনের বক্তব্য, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উপাচার্য। তাঁর নির্দেশেই সব কিছু হবে। রেজিস্ট্রার, সহ-উপাচার্য তাঁর নির্দেশ মেনে চলবেন। উল্লেখ্য, রাজ্যে এখন কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপালের একক সিদ্ধান্তে মনোনীত উপাচার্যেরা রয়েছেন। বাকি ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি নিজেই উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। রাজ্যপাল কী রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিজের যথেচ্ছার বানাবার ময়দান পেয়ে গিয়েছেন? এইরকম চললে তো রাজ্যে উচ্চশিক্ষার পরিবেশটাই নষ্ট হয়ে যাবে। ওনাকে কী গেরুয়া শিবির থেকে সেই নির্দেশ দিয়েই পাঠানো হয়েছে!

Published by:

Share Link:

More Releted News:

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল হন্ডা গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

জোকা ট্রাম ডিপোতে নাকা চেকিংয়ে বাজেয়াপ্ত ৪ লক্ষাধিক টাকা, আটক ৪

লক্ষ্মী বনাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! প্রতিশ্রুতিতে ভরছে দেওয়াল, কার ভরসা বেশি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ