চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমির চরিত্র কত দিনে বদল, রাজ্য তুলে ধরবে জনসমক্ষে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলায়(Bengal) বিনিযোগ টানার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। আবেদনের কতদিনের মধ্যে শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জমির চরিত্র বদল(Changing the Character of Land required for Industrial Establishment) ও মিউটেশন সার্টিফিকেট(Mutation Certificate) দেওয়া হবে, তা এবার আগে থেকেই জনসমক্ষে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। বাংলায় শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে ‘লাল ফিতের ফাঁস’ দূর করতেই নবান্নের এই সিদ্ধান্ত বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বাংলায় তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজ্যকে শিল্পক্ষেত্রে দেশের এক নম্বর করার লক্ষ্যে তাঁর সরকার কাজ করবে। সেই মতো ইতিপূর্বে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। ফের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আসর বসতে চলেছে ২০২৫ সালের শুরুতে। তার আগে শিল্পক্ষেত্রের জন্য আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ হল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমির চরিত্র বদল ও মিউটেশনের কাজ শেষ করা। সেই সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রেখে শিল্পোদ্যোগীদের হয়রানি ছাড়াই পরিষেবা নিশ্চিত করা।  

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সমীক্ষায় চিহ্নিত ‘ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ’ রাজ্যের ৩১টি সেতু

জমির চরিত্র বদল ও মিউটেশনের জন্য অনলাইনে আবেদনের সুবিধা অনেকদিন আগেই চালু করেছে রাজ্যের ভূমি ও ভূমিসংস্কার দফতর। সেই আবেদন মঞ্জুরের আগে ভূমি ও ভূমিসংস্কার দফতরের তরফে একবার সরেজমিনে যাচাই হয়। এই পরিদর্শন পর্বে সব কিছু নিয়মমাফিক পাওয়া গেলে তবেই জমির চরিত্র বদল ও মিউটেশনের ছাড়পত্র মেলে। ফলে যাচাইয়ের পর রিপোর্ট জমা দেওয়া থেকে শুরু করে জমির চরিত্র বদলের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এই সময় সীমাই জনসমক্ষে তুলে দেওয়া হলে কাজে যথেষ্ট গতি আসবে বলে মনে করছেন রাজ্যের পদস্থ কর্তারা। কোথায় এই তথ্য দেখতে পাবেন শিল্পোদ্যোগীরা? নবান্ন সূত্রে খবর, এর জন্য জন্য বিশেষ একটি অনলাইন ড্যাশবোর্ড তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে এক ক্লিকেই আবেদনকারী দেখে নিতে পারবেন সমস্ত তথ্য। আবেদনের তারিখ, আবেদনের নম্বর, জমির চরিত্র বদল বা মিউটেশনের জন্য কত সময় লাগবে, কত ফি নেওয়া হয়েছে ইত্যাদি সব তথ্যই মিলবে সেখানে।

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পরে জমি ফেরত পেতে আশাবাদী জমিহারারা

প্রসঙ্গত, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি পরিষেবা নিশ্চিত করতে আইনও এনেছে রাজ্য। সেখানে সাফ বলা আছে, কোন পরিষেবা কতদিনের মধ্যে দেওয়া বাধ্যতামুলক। সেই সঙ্গে কাজের সময়সীমার তথ্য তুলে ধরার সিদ্ধান্ত সরকারের সার্বিক স্বচ্ছতারই প্রতিফলন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। নতুন শিল্প স্থাপনের সময় জমির চরিত্র পরিবর্তন করা এক দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। আবেদনকারীকে নিজে অথবা প্রতিনিধি মারফৎ সেখানে যেতে হয়। বিস্তর কাগজপত্র জমা দিতে হয়। বিভিন্ন দফতরের No Objection Certificate বা NOC নিতে হয়। গোটা প্রক্রিয়াটাই বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ। কিন্তু এবার থেকে আর এত কিছু করতে হবে না আবেদনকারীদের। সরকারি পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করলেই হবে। একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আবেদনকারী তাঁর নিজস্ব লগ‌-ইন আইডি থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ