আর কিছুক্ষণ, তারপরেই বদলাচ্ছি আমরা

আমরা আসছি

00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
আমরা এখন লাইভ!
এই মুহূর্তে

কী ভাবে ওই প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়া হল, আদালত হলফনামা চাইল পুলিশের

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর কলকাতায়(North Kolkata) হাতিবাগান এলাকায় প্রতিবছর পুজোর আগে থেকেই ভিড় আছড়ে পড়ে কেনাকাটা করার জন্য। পুজোর জন্য আবার তৃতীয়া-চতুর্থী থেকেই দর্শনার্থীদের ঢল নামে মণ্ডপ ও প্রতিমা দেখতে। সেই হাতিবাগান এলাকারই হাতিবাগান সর্বজনীনের(Hatibagan Sarbajanin) পুজো বেশ পুরাতন। কিন্তু এবারে সেই পুজো নিয়েই মামলার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court)। মামলাকারীদের দাবি, হাতিবাগান সর্বজনীনে এবারে এমন ভাবে প্যান্ডেল করা হয়েছে যার দরুণ একটি আবাসনের ঢোকার ও বাইরে বার হওয়ার রাস্তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই নিয়ে সেই আবাসনের আবাসিকেরা বড়তলা থানা ও দমকলের কাছে অভিযোগ জানালেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এই অবস্থায় আবাসনের আবাসিকেরা বাধ্য হন কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করতে। সেই মামলাতেই পুলিশ(Police) ও দমকালের কাছে হলফনামা(Affidavit) চাইল আদালত। কী ভাবে ওই প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়া হল, সেটাই তাঁদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, তিলোত্তমার বিচার চেয়ে রাজ্যজুড়ে কলেজে কলেজে বিক্ষোভ তৃণমূলের

কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলাটি উঠেছে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখানে মামলাকারীদের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয় যে, ক্ষুদিরাম বোস রোডের উত্তরদিকে আবাসনের দরজা বন্ধ করে প্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে। গত বছরও প্যান্ডেল হয়েছে, তবে তাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত এই ভাবে বন্ধ হয়নি। এ বার যা অবস্থা, তাতে আপদে-বিপদ অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত ওই আবাসনে ঢুকতে পারবে না। আবাসনে বহু বৃদ্ধ রয়েছেন। আরও অভিযোগ, উদ্যোক্তারা একরকম জোর করেই প্যান্ডেল তৈরির জন্য বাসিন্দাদের থেকে মুচলেকা নিয়েছে। পুজো উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়, সকলের অনুমতি নিয়েই প্যান্ডেল তৈরি করা হচ্ছে। আবার রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, গত বছর অরবিন্দ সরণি, গ্রে স্ট্রিটে প্রবল ভিড় হয়, যানবাহন চলাচলে সমস্যা হয় এবং সে জন্য এ বার প্রশাসনকে একটু অন্য ভাবে আয়োজনের ব্যাপারটা ভাবতে হয়েছে। ১০ জন মামলাকারীর মধ্যে দু’জনের পরিবার ইতিমধ্যে পুজোর প্যান্ডেলের জন্য কনসেন্ট দিয়েছে। মামলাকারীদের বেশ কয়েক জন ওই আবাসনে থাকেন না, এটা ইগোর লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। যদিও মামলাকারীদের বক্তব্য, পুজোর উদ্যোক্তারা এখন আবাসনে এসে কনসেন্ট দিতে চাপ সৃষ্টি করছেন।

আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফের চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সেই কথা শুনে বিচারপতি পাল্টা জানতে চান, ‘এলাকার মানুষের আপত্তি থাকলেও কী ভাবে ওই প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়া হল?’ উত্তর কলকাতার ওই পুজো মণ্ডপ ও তার আশপাশের এলাকার ছবি দেখে বিচারপতির মন্তব্য, ‘এমন ভাবে প্যান্ডেল হলে যে কোনও মানুষের সমস্যা হবে। তবে কেবল ওই একটি প্যান্ডেল নয় পুজোয় এই ধরনের সমস্যা বহু এলাকার মানুষকে ভোগ করতে হয়। যে টুকু ফুটপাথ যাতায়াতের জন্য থাকে, তাতে প্রবীণ নাগরিকদের পক্ষে হাঁটাচলা করা খুবই সমস্যার। তার পর তো মাইকের উপদ্রব রয়েছেই। বড়তলা থানা ও দমকলকে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে, কীভাবে তাঁরা এই পুজোর অনুমতি দিল। প্যাবডেল এভাবে করার অনুমতিও কীভাবে দেওয়া হল। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। তার মধ্যেই হলফনামা দাখিল করতে হবে।’ যদিও আদালতের এই নির্দেশের পরেও হাতিবাগান সার্বজনীনের অন্যতম পুজো উদ্যোক্তা শাশ্বত বসু জানিয়েছেন, ‘এলাকার সকলের অনুমতি নিয়েই প্যান্ডেল তৈরি করা হচ্ছে। আমরা তথ্য সহ সেকথা আদালতকে যা জানাবার তা জানিয়েছি। এবার পুলিশ আর দমকল জানাবে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নবান্ন দখলের যুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখবে ৩৭ আসন, জেনে নিন অজানা তথ্য

‘কেউ হিংসা-অশান্তিতে জড়াবেন না’, গণনার আগে বিজেপি কর্মীদের কড়া বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের

রবিবার সন্ধ্যের পর ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, গণনার আগে বড় দুর্যোগ বঙ্গে

সোমে গণনায় কোন জেলায় কত পর্যবেক্ষক, জানিয়ে দিল কমিশন

ভোটগণনার দিন ট্রাফিক রুটে বদল হচ্ছে, কোন পথে নো–এন্ট্রি?‌ জেনে নিন আপডেট

এক্স আর্মি লেখা গাড়ি কার? সাখাওয়াতের স্ট্রংরুমে ঢুকতেই বাইরে বিক্ষোভ তৃণমূলের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ