চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কাল বিচারপতি হিসাবে হাইকোর্টে শেষ দিন, রায় ঘিরে উঠছে প্রশ্ন

Courtesy - Twitter and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়(Justice Abhijit Gangopadhay) এদিন নিজেই সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, আগামি মঙ্গলবার তিনি বিচারপতি হিসাবে অবসর নিচ্ছেন। এই অবসর সময়ের আগেই। কার্যত স্বেচ্ছাবসর(Voluntary Retirement) নিচ্ছেন তিনি। এদিন তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে তিনি ‘বৃহত্তর’ ক্ষেত্রে কাজ শুরু করতে চলেছেন। যদিও তিনি এটা খোলসা করেননি যে সেই ‘বৃহত্তর’ ক্ষেত্র বলতি তিনি রাজনীতিকে(Politics) বোঝাছেন কিনা। তবে ইতিমধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে তিনি বিজেপিতে(BJP) যোগ দিতে চলেছেন ও পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। যদিও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এই বিষয়টি খোলসা করেননি। শুধু জানিয়েছেন, যা বলার তা মঙ্গলবারই বলবেন। কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি হিসাবে তাঁর শেষ দিন হতে চলেছে আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার। তাঁর হাতে যে ক’টি মামলা রয়েছে, কাল সেগুলি ছেড়ে দেবেন। তার পর মঙ্গলবার তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাবেন।

উল্লেখ্য বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টে ১০ বছর আইনজীবী হিসাবে কাজ করেছেন। তারপর ২০১৮ সালে তিনি হাইকোর্টের অতরিক্ত বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব পান। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ২ মে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুলাই থেকে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। সেই হিসাবে প্রায় ৫ বছর তাঁকে পাওয়া গিয়েছে বিচারপতি হিসাবে। কিন্তু তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি, পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতিতে একের পর এক CBI ও ED তদন্তের নির্দেশের জারি করার পাশাপাশি হাজার হাজার চাকরি কেড়ে নেওয়ার রায়ের মধ্য দিয়ে। সেই সব রায়ের জেরে একদিকে সমাজে যেমন তিনি ‘ভগবান’ হিসাবে উঠে আসেন তেমনি কোনও কোনও মহলে তীব্র সমালোচিতও হন। এমনকি তাঁর বেশ কিছু মন্তব্য ও রায় পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্ট যেমন খারিজ করে তেমনি সমালোচনাও করে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পর্যন্ত ‘ভগবান’ সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে কলকাতায় এসে সমালোচনা করেন।

স্বাভাবিক ভাবেই আগামী দিনে যখন তাঁর রাজনীতির ময়দানে নামার ইঙ্গিত মিলতে শুরু করেছে তখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে বিচারপতি হিসাবে তাঁরা নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গৃহীত যাবতীয় রায়, নির্দেশ এবং মন্তব্য নিয়ে। সেগুলি কতখানি ‘নিরপেক্ষ’ ও ‘যথার্থ’ ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে এদিন থেকেই। কুণাল ঘোষ সেই সূত্রেই এদিন ট্যুইট করে লিখেছেন, ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। নতুন ইনিংসের শুভেচ্ছা। এধরণের মানুষ রাজনীতিতে এলে ভালো। তবে প্রশ্ন 1) যে দলেই যান, তাতে আপনার আগের রায়, সংলাপের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। আপনি @AITCofficial বিরোধী হিসেবেই ওসব বলেছেন, প্রমাণ হবে। 2) যে দলেই যান, সেখানে দুর্নীতি বা অন্য কোনো অভিযোগ থাকবেই। সেগুলো তখন মেনে নিতে পারবেন তো?’ তৃণমূলের তরফে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই প্রশ্ন তোলা শুরু করে দেওয়া হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলেরও দাবি, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজনীতির ময়সানে পা রাখলে নিজের সুনাম ও বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলবেন।  

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোটের মুখেই বিধাননগরের সিপি বদল কমিশনের, সরানো হল মুরলীধরকে

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ