চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌বিচারাধীনের জন্য লড়াই চলবে’‌, ধর্না মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে বিপুল সংখ্যাক বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আজ, শুক্রবার ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই ধর্নায় উপস্থিত হয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলনেত্রী মমতার পাশের আসনে গিয়ে বসেন। ভোটার তালিকা যাচাই প্রক্রিয়া বা এসআইআরের নামে নির্বাচন কমিশন অসৎ উদ্দেশে বহু বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া এবং জীবিত মানুষকে মৃত দেখানোর মতো ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। আর তা নিয়েই সুর চড়ালেন অভিষেক।

এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেই এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আন্দোলন করছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ, শুক্রবার ধর্মতলার মঞ্চ থেকে সুর সপ্তমে তোলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। সেখান থেকেই অভিষেকের আক্রমণ, ‘‌রোজা রেখেছেন, রোজাদারদের, সকল ধর্মের সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অপরিকল্পিত এসআইআর। বিচারব্যবস্থার একাংশ, ইডি–সিবিআই, সংবাদমাধ্যম। সবার উপরে চ্যালেঞ্জ থাকল। মানুষ ভোট দেবে, এই লড়াই সেই লড়াই। বিচারাধীন ৬০ লক্ষ। নাম কেটেছে ৫৮ লক্ষের। এক কোটির বেশি মানুষ! ১ কোটি ২৪ লক্ষ। এসআইআর ঘোষণা হওয়ার তিন মাস আগে থেকে বিজেপি নেতারা গলা ফাটিয়ে বলেছিল। এটা তো কাকতালীয় হতে পারে না।’‌

অন্যদিকে এসআইআরের খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ নাম। তারপর আনম্যাপড, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি নামক টোটকা সামনে নিয়ে আসে নির্বাচন কমিশন। যার প্রেক্ষিতে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। অবশেষে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে শনিবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। তাতে বাতিল করা হয়েছে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। অর্থাৎ, ২০২৫ সালের তালিকার নিরিখে বাদের খাতায় মোট ৬৩ লক্ষেরও বেশি ভোটার। এমনকী ৬০ লক্ষ ভোটার এখনও ‘বিচারাধীন’ (অ্যাডজুডিকেশন)। এই আবহে অভিষেকের তোপ, ‘১৯৯৩ সালের একুশে জুলাই লড়াই কাকে বলে দেখিয়ে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩৩ বছর পর তিনি আবার দেখাবেন মানুষের স্বার্থে লড়াই। বিচারাধীন নিয়ে আপত্তি নেই। ৬০ লক্ষ মানুষের নাম যদি বিচারাধীন হয়ে থাকে তা হলে দেশের প্রধানমন্ত্রীও বিচারাধীন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই একমাত্র নেত্রী যিনি সাধারণ নাগরিক হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়তে গিয়েছেন। আর কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দেশের মানুষ সওয়াল করতে দেখেননি।’‌ ‌

তাছাড়া রবিবার আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। তার আগে এমন ধর্না নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ বাড়াল বলে মনে করা হচ্ছে। আর ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে অভিষেক বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করে বলেন, ‘‌অপরিকল্পিত এসআইআরের জন্য ১৭২ জন সহনাগরিককে হারিয়েছি। মাটির জন্য তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন। তাঁদের বলিদান, প্রাণ আমরা বৃথা যেতে দেব না। এবার নো ভোট টু বিজেপি নয়, বয়কট বলতে হবে। সামাজিকভাবে বয়কট করুন। ভারতবাসীর পোড়া কপাল। দেশ কার থেকে পেট্রোল কিনবে সেটা ঠিক করে দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! এই মঞ্চে ১০ কোটি বঙ্গবাসীকে সাক্ষী রেখে বলছি, এবার বিজেপিকে বয়কট করতে হবে। যারা বিজেপির হয়ে গলা ফাটাত, তারা যুবশ্রীর ফর্ম পূরণ করছেন। দিলে মমতাদিই দেবে।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ