চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বেহাল সুকান্ত সেতুর দ্রুত মেরামত চায় পূর্ত দফতর , সরতে নারাজ হকাররা

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন ধরে মেরামর না হওয়ার জন্যই দিন দুপুরে ভেঙে পড়েছিল মাঝেরহাট সেতু। এখন সামনে এসেছে, সেই একই দশা হতে পারে কলকাতার(Kolkata) যাদবপুরের(Jadabpur) সুকান্ত সেতুরও(Sukanta Setu)। কেননা, দীর্ঘদিন মেরামত না হওয়ায় এই সেতুর হাল খুব খারাপ। জরুরি ভিত্তিতে তাই এই সেতু মেরামত করতে চায় রাজ্যের পূর্ত দফতর(PWD)। এর জন্যে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা। কিন্তু সেতু মেরামতের কাজে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছেন সেতুর নীচে থাকা হকাররা(Hawkers)। সেতু মেরামত করতে হলে হকারদের অন্য জায়গায় সরাতে হবে। কিন্তু হকারদের দাবি, সুকান্ত সেতু তৈরি হওয়ার সময়ে পূর্ত দফতরই তাঁদের সেখানে বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। তাই বিকল্প ব্যবস্থা না করে তাঁদের সরানো যাবে না। আর হকারদের এহেন অবস্থান ঘিরে এখন মহাফাঁপরে পড়ে গিয়েছেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা।  

আরও পড়ুন, টাকা পাঠানো বন্ধ করেছে কেন্দ্র, বিদ্যুতের স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ অনিশ্চিত রাজ্যে

যাদবপুরের সুলেখা মোড় থেকে বেড়িয়েছে Santashpur Avenue যা গিয়ে মিশেছে E M Bypass-এ। সেই রাস্তার শুরুর দিকে সুলেখা মোড়ের পরেই রয়েছে সুকান্ত সেতু। নীচ দিয়ে চলে গিয়েছে শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার রেললাইন। দীর্ঘদিন এই সেতুতে কোনও মেরামত হয়নি। সেতুর পিলারের ওপরে যে গার্ডার বসানো থাকে সেটি সরু হয়ে গিয়েছে বলে সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টে উঠে আসে। সেতুর কম্পন এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের গার্ডার ব্যবহার করা হয়। এগুলি ১৫-২০ মিলিমিটার পুরু হয়। এখন তা ৫ মিলিমিটারে এসে ঠেকেছে। ইঞ্জিনিয়ারদের আশঙ্কা, এই গার্ডার যদি পিলারের সঙ্গে মিশে যায় তা হলে পুরো সেতুটিরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনকি তা যে কোনও সময় ভেঙে পড়তেও পারে। তাতে বহু মানুষের বিপদের আশঙ্কা থাকছে। সে জন্যে নতুন গার্ডার বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   

আরও পড়ুন, ‘হিংস্র জন্তুর মতো প্রবৃত্তি’তে আক্রান্ত সঞ্জয় রাই, রিপোর্ট সাইকোমেট্রিক টেস্টে

পূর্ত দফতরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্যাগ দিয়ে ব্রিজটিকে তুলে তার নীচে গার্ডার বসানো হবে। গড়ফার দিকে ১৮টি এবং সন্তোষপুরের দিকে ২২টি পায়া রয়েছে। প্রতিটিতেই গার্ডার বসাতে হবে। জানা গিয়েছে, সেতুটি যখন তৈরি হয় তখন মামলা করেছিলেন স্থানীয় হকাররা। সেই মামলা তুলে নেওয়ার শর্ত হিসাবে পূর্ত দফতরের তরফে সুকান্ত সেতুর নীচে হকারদের স্টল বানিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। হকারদের কাছে তার কাগজপত্র রয়েছে। যদিও এখন পূর্ত দফতর বলছে তাদের কাছে এ রকম কোনও কাগজ নেই। হকারদের দাবি, দরকার হলে স্টলের ভিতর দিয়ে জ্যাগ বসিয়ে ব্রিজ মেরামত করা হোক। যদিও পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হকারদের রেখে সেতু মেরামত করতে গেলে যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই সমস্যার সমাধান করতে আপাতত ঠিক হয়েছে, ২৬ অগস্ট সেতুর যৌথ ইনস্পেকশন হবে। তারপরেই এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ