আর জি কর যেন যুদ্ধের ময়দান, তাণ্ডবে কার্যত ধ্বংস জরুরি বিভাগ

আর জি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনায় অনেকের ধারনা হামলার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল হাসপাতাল চত্বরে যে আন্দোলন চলছিল তা ভেঙে দেওয়া।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বাধীনতার মধ্যরাতে আন্দোলনের নামে বর্বোরোচিত হামলার ঘটনা ঘটল একটি সরকারি হাসপাতালের বুকে। ভূ-ভারতে এমন কদর্য হামলার নজীর খুঁজে পাওয়া ভার হবে। নারী স্বাধীনতার জন্য ‘মেয়েরা রাত দখল করো’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল, আর যারা সেই ডাক দিয়েছিল, যারা সেই কর্মসূচীতে যোগ দিয়েছিল, তারাই কিনা হামলা চালালো সরকারি হাসপাতালের অন্দরে। ভেঙে তছনছ করল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। বুধবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ আর জি করের(R G Kar Medical College and Hospital) দিকে তখন মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচির একটি মিছিল চলছিল। ঠিক সেই সময়েই একদল ব্যক্তি আর জি করের জরুরি বিভাগের বাইরে তাণ্ডব চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের প্রথম নিশানাই ছিল জরুরি বিভাগ(Emergency Department)। কোলাপসিবল গেট ভেঙে তাঁর ভিতরে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে তারা। কারও হাতে লাঠি, কারও হাতে রড, ইট, পাথর! হাতের সামনে যা পেয়েছে, তা-ই ভেঙেছে হামলাকারীরা।

আরও পড়ুন, পুরো হাসপাতাল জ্বালিয়ে রোগীদের পুড়িয়ে মেরে ফেলা ছিল উদ্দেশ্য

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তারা। ভেঙে তছনছ করে ফেলা হয় গোটা জরুরি বিভাগ। জরুরি বিভাগের HCCU বা Hybrid Critical Care Unit ও CCU বা Critical Care Unit-ও ভাঙচুর চালানো হয়। এমনকি, তছনছ করে দেওয়া হয় ওষুধের স্টোররুমও। ওষুধ, ইঞ্জেকশন–সহ বাকি সামগ্রী মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। ভাঙা হয় ওষুধ রাখার ফ্রিজও। ভেঙে ফেলা হয় জরুরি বিভাগের একাধিক বোর্ড এবং অ্যাডমিশন কাউন্টারের কাচ। সমস্ত জরুরি ফাইলও মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। ভিতরের পাশাপাশি হামলা চালানো হয় হাসপাতালের বাইরেও। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের একাধিক গাড়ি। তাতে আহত হন বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী। ভাঙচুর চালানো হয় আর জি করের পুলিশ ফাঁড়িতেও। সেখানে রাখা সব জিনিসপত্র তছনছ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, পুলিশের কিয়স্কেও ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনাস্থলে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মী থাকলেও তাঁরা প্রাথমিক ভাবে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পারেননি। পরে অবশ্য বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পাশাপাশি নামানো হয় RAF-ও।

আরও পড়ুন, আর জি করে হামলা চালালো কারা, প্রশ্ন ঘুরছে স্বাধীনতার সকালে, পুলিশের হাতে আটক ৯

পুলিশ ঘটনাস্থলে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে ভিড়কে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। গোটা সময় জুড়ে চলে ইটবৃষ্টি। হামলাকারীদের একাংশকে তাড়া করে এলাকাছাড়া করে পুলিশ। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুলিশকে(Police) লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। পুলিশের তাড়া খেয়ে একদল লোককে হাসপাতালের পাশের খালপাড় ধরে গলিপথে দৌড়তে দেখা যায়। কিন্তু জরুরি বিভাগের চার তলার যে সেমিনার হল থেকে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ গত শুক্রবার উদ্ধার হয়েছিল, হামলাকারীরা সেখানে গিয়েছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। হাসপাতালের কর্মীদের একাংশের দাবি, হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে তাঁরা সব ৬ তলায় উঠে গিয়েছিলেন। হামলাকারীরা চার তলা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। দরজাও ভেঙেছে। কিন্তু সেমিনার হলের দিকে তারা গিয়েছিল কিনা, সেটা তাঁরা জানেন না। আর এই সেমিনার হলেই ঘটে চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনা। তবে চার তলায় থাকা পুলিশকর্মীদেরও দাবি, সেখানে কেউ উঠে আসেননি। মূল ঘটনাস্থলেও কেউ যাননি। তা অক্ষতই রয়েছে। সেই জায়গাটি নতুন বসানো ৮টি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে রয়েছে। আগে ওই জায়গায় মাত্র ২টি সিসি ক্যামেরা ছিল। আর এসব দেখে অনেকের ধারনা হামলার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল হাসপাতাল চত্বরে যে আন্দোলন চলছিল তা ভেঙে দেওয়া।

আজকের রাশিফল: লক্ষ্মীবারে হঠাৎ অর্থপ্রাপ্তি, পার্টনারের সঙ্গে মিলে নতুন ব্যবসা করা শুভ হবে..

ক্রোয়েশিয়াকে গোলের মালা পরিয়ে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ইংল্যান্ডের

টলিউডের হাল ফেরাতে দেব-প্রসেনজিতদের মাথায় রেখে উপদেষ্টা কমিটি গড়ল রাজ্য

কঙ্গোর বিরুদ্ধে মাঠে নেমে মেসিকে ছুঁয়ে ফেললেন রোনাল্ডো

৫২ বছর পরে বিশ্বকাপে ফিরে রোনাল্ডোর পর্তুগালকে রুখে দিল কঙ্গো

মমতার পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ, রাতেই নিয়োগ প্রাইভেট সিকিউরিটি

ডোমজুড়ে তৃণমূলের দলীয় অফিসে আগুন ধরাল জনতা

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় শুভমনদের

‘মোদির ভারতে হামলা হলে পাশে দাঁড়াবে আমেরিকা’, অভয়বাণী ট্রাম্পের

গ্রেফতার হচ্ছেন অভিষেক? রক্ষাকবচ তুলে নিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট

‘পুলিশকর্মীদের আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যেতে হবে না’, আশ্বাস শুভেন্দুর

রেল হকারদের এখনই উচ্ছেদ করতে পারবে না, বিকল্প জায়গার বিষয় বিবেচনার নির্দেশ হাইকোর্টের

লোকসভায় তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কী? অভিষেককে জরুরি তলব স্পিকারের

রাজ্যে জয়েন্টের ফল প্রকাশ নিয়ে দিনক্ষণ ঘোষণা বোর্ডের