আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

২৪’র লক্ষ্যে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়তে চান রাহুল

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিদিন দল ছাড়ছেন কোনও না কোনও নেতা। নিত্যদিনই পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। দেড় বছর বাদে দেশে যখন সাধারন নির্বাচন হবে তখন ১২৫ বছরেরও পুরাতন দলটির ১জনও প্রার্থী জিতে সাংসদ হয়ে লোকসভায় পা রাখতে পারবেন কিনা সন্দেহ। ঠিক এই অবস্থায় দলের সর্বভারতীয় কর্মসূচি ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রা শুরু করেছেন দলেরই মুখ রাহুল গান্ধী(Rahul Gandhi)। শুধু তাই নয়, ২৪’র লক্ষ্যে দলকে ঘুরে দাঁড় করাতে তিনি এখন আবার চাইছেন ইউপিএ(UPA)-কে শক্তিশালী করে ফিরিয়ে আনা। আর সেই লক্ষ্যেই ইউপিএ’র একসময়ের শরিক দল বাংলার(Bengal) তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) সঙ্গে জোট গড়তে চাইছেন তিনি। যদিও নিজের মতামত দলের নেতাকর্মীদের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছেন না তিনি, কংগ্রেস(INC) সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে। তবে রাহুলের এই প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি আছে খোদ প্রদেশ কংগ্রেসের বড় অংশের নেতাকর্মীদের। তাঁরা কেউই চান না তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়ে লড়াই করতে। পরিবর্তে কেউ কেউ চাইছেন বামেদের সঙ্গেই জোট পাকাপোক্ত করা হোক, আবার কেউ চাইছেন কংগ্রেস একা লড়ুক।

ঘটনা হচ্ছে, কংগ্রেসের এখন যা অবস্থা তাতে বাংলা হোক কী দেশ, একা লড়ে ১জনও সাংসদ জিতে লোকসভায় আসতে পারবেন কিনা সন্দেহ। এমনও হতে পারে যে কংগ্রেসের থেকে বেশি আসন জিতল ইউপিএ’রই কোনও শরিক। তখন সমস্যা হবে ইউপিএ’র রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে। সেই কারণেই রাহুল চাইছেন যত বেশি সম্ভব কংগ্রেসের আসন বাড়িয়ে নিতে। সেই লক্ষ্যেই তিনি চাইছেন আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে জোট। সেই সূত্রেই তিনি তৃণমূলের হাত ধরতে চান। কিন্তু সেই প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি রয়েছে খোদ প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের। রাহুল অবশ্য তাঁর সিদ্ধান্ত জোর করে দলের নেতাকর্মীদের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছেন না। বরঞ্চ চাইছেন সকলের সঙ্গে কথা বলে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে। সেক্ষেত্রে জোটের সম্ভাবনা কার্যত দূরঅস্ত। অন্যদিকে তৃণমূলও বাংলার বুকে কংগ্রেসকে জমি ছাড়তে নারাজ। তবে জাতীয় স্তরে তাঁরা কংগ্রেসের হাত ধরতে প্রস্তুত। কিন্তু সেই জোটের রাশ তৃণমূল যেমন নিজের হাতেই রাখতে চায় তেমনি সম্মানজনক আসন বন্টনও চায়। সূত্রে জানা গিয়েছে, কংগ্রেস এই প্রস্তাবে তখনই রাজি হবে যখন তৃণমূল বাংলায় কংগ্রেসকে জমি ছাড়তে চাইবে। কংগ্রেসের দাবি নূন্যতম ১২টি আসন। তৃণমূল অবশ্য তাতে সাড়া দিতে ইচ্ছুক নয়। তাই এখনও পর্যন্ত বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট দূরঅস্ত।

যদিও প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ জানিয়েছেন, এখনই এই বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলে দেওয়া ঠিক হবে না। কেননা লোকসভার নির্বাচন হবে ২০২৪ সালের মার্চ-এপ্রিল কী মে মাসে। সেক্ষেত্রে দেড় বছরেরও বেশি সময় হাতে আছে। এই সময়ে গঙ্গা দিয়ে অনেক জলই বয়ে যাবে। রাজনীতির উঠোনে অনেক ঘটনাও ঘটবে। সেক্ষেত্রে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যেকার সম্পর্ক ভাল হলেও হতে পারে। লক্ষ্যণীয় বিষয় সিবিআই, ইডি, পার্থ, কেষ্ট, টাকা উদ্ধার এত কিছুর ঘটনার পরেও তৃণমূলের তরফেও কিন্তু কংগ্রেসকে খুব বেশি আক্রমণের লক্ষ্যে আনা হয়নি। কংগ্রেসও সংযত দেখিয়েছে। তাই আগামী দিনবে দুই দলের জোট অসম্ভবও নয়। আবার সেই জোট গড়া যে খুব সহজ এমনটাও মনে করা যাচ্ছে না। আপাতত জোট শুধু সম্ভাবনা ও জল্পনার মধ্যেই থাকছে। তবে এটা অবশ্যই লক্ষ্যণীয় যে কংগ্রেস হাইকম্যাণ্ডের তরফে তৃণমূলকে জোটে টানার ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

পুলিশ আবাসনে বিনাঅনুমতিতে ভোটপ্রচার শুভেন্দুর, কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

বাংলায় নির্বাচনে বিজেপি হারলে নরেন্দ্র মোদিজি কি ইস্তফা দেবেন, প্রশ্ন কেজরিওয়ালের

‘বিজেপির মতো ভেদাভেদের রাজনীতি করি না’, সুর চড়ালেন মমতা

‘দ্বিতীয় দফাতেও ১০০- র বেশি আসনে জিতব’, আত্মপ্রত্যয়ী মমতা

‘ভোটারদের ভয় দেখালে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে,’ সমন্বয় বৈঠকে কড়া বার্তা কমিশনের

জাতীয় পতাকা দিয়ে ঘাম মোছার অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী পাপিয়ার বিরুদ্ধে কমিশনে দ্বারস্থ তৃণমূল নেতা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ