Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...

মমতাই ঠিক, কেন্দ্র ভুল, ঘুরপথে বোঝাল আরবিআই

১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ কমিয়ে মোদি সরকার দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকেই ধাক্কা দিয়েছেন। রিপোর্ট রিজার্ভ ব্যাঙ্কের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কোভিডকাল থেকেই দেশের তাবড় তাবড় অর্থনীতিবিদরা বলে আসছিলেন দেশের অর্থনীতিকে অক্সিজেন দিতে সাধারণ মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়ানো দরকার ভীষণ ভাবে। কেননা সেই টাকাই আমজনতার ক্রয় ক্ষমতা বাড়াবে। সেটাই দেশের অর্থনীতির চাকাকে ঘোরাবে। কিন্তু সে কথায় কান দেয়নি মোদি সরকার(Modi Government)। তবে কান দিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। কোভিডকাল থেকেই আমজনতার হাতে সরাসরি নগদ টাকা পৌঁছে দিয়েছেন তিনি নানা সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে। মোদি সরকার কিন্তু উল্টো পথে হেঁটে বিপদ বাড়িয়েছে দেশের অর্থনীতিতে(Economy)। বিশেষ করে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের রাশ টেনে ধরে, সেই কাজের চাহিদা কমিয়ে দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধাক্কা দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার জেরেই এখন চরম মূল্যবৃদ্ধির দাম চোকাতে হচ্ছে দেশকে। মুখ থুবড়ে পড়েছে কাজের বাজার। আরবিআই বা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের(RBI) সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানাচ্ছে, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে(100 Days Work Project) মোদি সরকারের উদাসিনতাই দেশের অর্থনীতিকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আরও পড়ুন পানীয় জলের সংযোগের জন্য টাকা লাগবে কলকাতায়

কোভিডকাল থেকেই বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, বিধভা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, জয় জোহরের মতো আর্থসামাজিক প্রকল্পগুলির মাধ্যমে আমজনতার হাতে নগদ টাকা পৌঁছে দিয়েছেন। তার জেরেই কোভিডের ধাক্কা কাটিয়ে চাঙ্গা হয়েছে বাংলার অর্থনীতি। পরবর্তীকালে তাকে আরও চাঙ্গা করেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মোদি সরকার কিন্তু অর্থনীতিবিদদের দেখানো রাস্তায় হাঁটেননি। আমজনতার হাতে সরাসরি নগদ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেননি। উল্টে দেশের গ্রামীণ এলাকায় যে গরিব মানুষের পকেটে পয়সা এনে দেয় সেই ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে গ্রামীণ ভারতে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের চাহিদাও কমেছে। আর এর জেরেই গ্রামীণ অর্থনীতিতে আমজনতার ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। অর্থনীতিবিদদের দাবি, ভারতের অর্থনীতির বড় অংশটাই কিন্তু এখনই নির্ভর করে গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর। সেই জায়গায় ধাক্কা এলে তা সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়বে। মোদি সরকার এটাই বুঝতে চাইছে না। তাঁরা শিল্পপতিদের খুশ করে চলেছে, বড়লোকদের সম্পদ বাড়াতে সাহায্য করছে। মরছেন আমজনতা।

আরও পড়ুন ডিসেম্বরে কলকাতায় আসছেন ৪০ জন ইডি ও ২০ জন সিবিআই অফিসার

তবে দেরিতে হলেও ঘুম ভেঙেছে মোদি সরকারের। দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে গ্রামীণ এলাকার বেশ কিছু প্রকল্পের দিকে নজর দিয়েছেন তাঁরা। যার মধ্যে অন্যতম হল ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে পুনরায় কাজ শুরু করা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এইসব ক্ষেত্রে আবার কেন্দ্র সরকার রাজ্যগুলিকে হরেক কিসিমের শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের দাবি, এই সব শর্ত হয়তো দুর্নীতি ঠেকাতে পারবে কিছুটা। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে যে দ্রুত লাভের প্রয়োজন ছিল সেটা পাওয়া যাবে না। আর এখানেই চিন্তা বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের। কেননা গ্রামীণ ভারতের ভোটকে উপেক্ষা করে ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে যাওয়া তাঁদের পক্ষে কঠিন। তাই এখন গেরুয়া শিবিরের অন্দরেও দাবি উঠেছে, মমতার মতোই কেন্দ্র সরকার এমন কিছু প্রকল্প চালু করুক যাতে আমজনতার হাতে সরাসরি নগদ টাকা পৌঁছে যায়। মমতা পারলে মোদি কেন পারবেন না! যদিও আরবিআই মোদি সরকারের সদিচ্ছা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে তাঁদের নভেম্বর মাসের রিপোর্টে।

ঝাড়গ্রাম হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ, পরিষেবা উন্নয়নে দিলেন জোর

দুরন্ত ব্যাটিং ক্লাসেন-ঈশানের, পঞ্জাবকে ২৩৬ রানের লক্ষ্য দিল হায়দরাবাদ

ভবানী ভবনে পুলিশ ওয়েলফেয়ার অফিসে ঝুলল তালা,ডিউটিরত পুলিশ কর্মীদের বদলি অন্যত্র

ইম্পা-র অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনী, গ্রেফতার হতে পারেন কয়েকজন প্রযোজক

গোপীবল্লভপুরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন বিজেপির

‘হাতেপায়ে ধরলে ঠিক বিজেপি হয়ে যাবেন’, এবার কবীর সুমনকে তোপ তসলিমা নাসরিনের

ভোটের ফল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন মমতা!

নবান্নে গিয়ে মুখ্যসচিব ও ডিজিকে কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা শমীকের

শুভেন্দুই মুখ্যমন্ত্রী! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল আমন্ত্রণ পত্র, উত্তর দিল বিজেপি

মমতার সরকার বিদায় নিতেই তিস্তার জল পাওয়া নিয়ে আশাবাদী তারেক রহমান

বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? আগামিকালই জানাবেন অমিত শাহ

পুশ ব্যাক রুখতে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া সীমান্তে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা থাকছে মমতার, জানিয়ে দিলেন ডিজি

পাকিস্তানের সঙ্গে খেলাধুলার সম্পর্ক স্থগিত রাখল ভারত