চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ধেয়ে আসছে রিমল, কলকাতার স্মৃতিতে আম্ফান, প্রস্তুতি তুঙ্গে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেশি পুরাতন কথা নয়। মাত্র ৪ বছর আগে। ঠিক এই সময়েই। ২১ মে, ২০২০। কোভিডের জেরে বাংলায় চলা লকডাউনের মধ্যেই আছড়ে পড়েছিল সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আম্ফান(Cyclone Amphan)। সেইদিন কার্যত গোটা কলকাতার(Kolkata) বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছিল। প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি, হাজার হাজার গাছের মৃত্যু সমন লিখে দেওয়ার পাশাপাশি মহানগরের বিস্তীর্ণ এলাকাকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। আবার একটা মে মাস। আবারও বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে আরও একটা ঘূর্ণিঝড় রিমল(Cyclone Rimal)। আবারও সেই ঝড় সরাসরি সাগর থেকে সুন্দরবন হয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওপর দিয়ে কলকাতায় এসে উপস্থিত হতে চলেছে আগামিকাল বিকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যেই। আর সেই আবহে কলকাতায় ফিরেছে আম্ফানের তাণ্ডবলীলার স্মৃতি। তবে এবারেও শহরে দুর্যোগ ঠেকাতে কোমর বেঁধেছে কলকাতা পুরনিগমের(KMC) পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনও।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রিমলের জেরে আগামিকাল অর্থাৎ রবিবার এবং সোমবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং ঘন্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের দাবি শহর কলকাতা এবং শহরতলি এলাকায় ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে এই দুই দিনে। সেক্ষেত্রে মধ্য ও উত্তর কলকাতা ছাড়াও শহরের অনান্য নীচু এলাকা এবং শহরতলির নানা এলাকা জলে ডুবে যেতে পারে। ভাঙতে পারে বহু গাছ ও নড়নড়ে বিপজ্জনক বাড়ি। আর তাই ঝড়বৃষ্টি মোকাবিলায় যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য প্রশাসন। ত্রাণ সামগ্রী মজুতের কাজ চলছে। ফ্লাড সেন্টারগুলি তৈরি রাখা হয়েছে। প্রস্তুতি সেরে রেখেছে কলকাতা পুরনিগমও। ইতিমধ্যেই বিপর্যয়ের মোকাবিলায় KMDA, রেল, বন্দর, পূর্ত ও সেচ দফতর সহ অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় দফতরগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি তিনি পুর কমিশনার ও সচিব সহ বিভিন্ন বিভাগকে নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক করেন।

কলকাতা পুরনিগমের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা ভেবে নিকাশি বিভাগ ছাড়াও উদ্যান, বিদ্যুৎ এবং জঞ্জাল অপসারণ দফতরকে আগেভাগে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে গাছ ভেঙে পড়লে তা দ্রুত সরাতে ১৬টি বরোর জন্য আলাদা আলাদা দল গড়া হয়েছে। গাছ দ্রুত সরাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক গাছ কাটার করাত মজুত করেছে পুরনিগম। সঙ্গে থাকছে হাইড্রলিক ল্যাডার, ক্রেন, পে লোডার, ডাম্পার ইত্যাদি প্রয়োজনীয় যন্ত্র। পুরনিগমের কন্ট্রোল রুমে থাকবেন শীর্ষ আধিকারিকরা। ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সেই রুম। বিপর্যয় মোকাবিলায় CESC’র সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে পুরনিগম। শহরে বৃষ্টির জল জমে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা এড়াতে বাতিস্তম্ভগুলি পরীক্ষার কাজ ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। পুর এলাকায় ৭৬টি নিকাশি পাম্পিং স্টেশন রয়েছে। সব স্টেশন মিলিয়ে মোট ৪০৮টি পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯২টি পাম্প সক্রিয়। সমস্ত পাম্প যাতে চালু রাখা যায়, তা খতিয়ে দেখছে পুর কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি বাড়তি অস্থায়ী পাম্পও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির পর অনেক সময় গালিপিটের মুখে ময়লা জমে থাকায় বৃষ্টির জল বেরতে বাধা পায়। গালিপিটের মুখ পরিষ্কার থাকলে জল দ্রুত বেরবে। তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ