তুমি রবে নীরবে! সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে খোলা চিঠি সুদর্শনার

সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বাংলার এই জনপ্রিয় দাপুটে নেতা নিজেকে কার্যত জহুরির আসনে বসিয়ে সুদর্শনাকে তুলে এনেছিলেন সাংবাদিকতার জগত থেকে রাজনীতির জগতে। সেই রত্ন তুলে আনা যে ভুল ছিল না সেটা গড়িয়াহাট এলাকার ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ মানুষদের পাশাপাশি আমজনতাও খুব ভাল করেই জানেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিনি না থেকেও রয়ে গিয়েছেন আমাদের মধ্যে। বাংলার রাজনীতিতে তো বটেই, এই পুরভোটের আবহে তিনি এখনও লোকের মুখে মুখে চর্চিত। তিনি রয়েছেন তাঁর সুযোগ্য শিষ্যার অন্তরেও। তাই পুরভোটের প্রার্থী হয়ে প্রচারের শেষ লগ্নে তাঁকেই অন্তরের শ্রদ্ধা জানালেন শিষ্যা। আর সেটাও ফেসবুকে খোলা চিঠি দিয়ে, ‘তুমি রবে নীরবে’। নজরে কলকাতা পুরনিগমের ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী সুদর্শনা মুখার্জী, যাকে কলকাতার রাজনৈতিক মহল রাজ্যের দাপুটে নেতামন্ত্রী সদ্য প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শিষ্যা বলেই চেনে। এদিন নিজের ফেসবুক পোস্টে সেই সুব্রতকেই অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সুদর্শনা।

সুদর্শনা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে আমার হাতেখড়ি তোমার হাতেই। তোমার দেখানো পথেই রাজনীতিতে শুরু হয়েছিল আমার পথচলা। ২০১৫ সালে অনভিজ্ঞ, অচেনা সুদর্শনাকে রাজনীতির ময়দানে প্রতিষ্ঠা পেতে তুমিই সাহায্য করেছিলে। ছাত্রী সুদর্শনা সর্বদা তোমার দেখানো পথ অনুসরণ করে প্রতিটি অগ্নিপরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছে। কোভিড মহামারী থেকে আম্ফান বিপর্যয়, তোমার শেখানো রাস্তাতেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এবার সামনে বড় পরীক্ষা। শেষদিন ওপেন জিম উদ্বোধন করতে এসেও তুমি বলেছিলে সামনে বড় পরীক্ষা, সুদর্শনা তৈরি হও। রসিকতা পছন্দ করতে, কোনোদিনও অভিনয় ও অতি নাটকীয়তা পছন্দ করতে না। কথায় বলে রক্তের সম্পর্কে আত্মীয় হয় না। আত্মার সম্পর্কে আত্মীয় হয়। তুমি আজ নেই। তবুও তোমার প্রতি বিশ্বাস, ভালবাসা, শ্রদ্ধা চিরদিন থাকবে। দূরে চলে গিয়েও তুমি থাকবে হৃদয়ে….  …….তুমি অন্তরাল থেকেও আমাকে আশির্বাদ করবে। অন্য জগতেও তুমি ভাল থেকো।’ কার্যত সুব্রতকে খোলা চিঠিই দিয়েছেন তিনি। এই লেখার সঙ্গে একটি ভিডিয়োও শেয়ার করেছেন সুদর্শনা। তাতে রয়েছে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর ছবির কোলাজ। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে ‘তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম’ গানটি।

সুদর্শনা ছিলেন সাংবাদিকতার জগতে। দীর্ঘ দুই দশক তিনি কাটিয়ে এসেছেন সেই ময়দানে। রাজ্য রাজনীতির নাড়িনক্ষত্র তাঁর জানা। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে পরিচিতি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। যারা সুদর্শনাকে খুব কাছ থেকে চেনেন তাঁরা কোনও সময়েই জোর গলায় বলতে পারবেন না সুদর্শনা ডাকসাইটে সুন্দরী ছিলেন। কিন্তু এটা ঘটনা সুদর্শনা এখন ‘সৌন্দর্যের সংজ্ঞা’ হয়ে উঠেছেন। সাংবাদিক থেকে পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন। আর তাঁর এই বিবর্তনের নেপথ্য নায়ক সেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বাংলার এই জনপ্রিয় দাপুটে নেতা নিজেকে কার্যত জহুরির আসনে বসিয়ে সুদর্শনাকে তুলে এনেছিলেন সাংবাদিকতার জগত থেকে রাজনীতির জগতে। সেই রত্ন তুলে আনা যে ভুল ছিল না সেটা গড়িয়াহাট এলাকার ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ মানুষদের পাশাপাশি আমজনতাও খুব ভাল করেই জানেন। সবই আছে, তবে নীরবে, হৃদয়ে মম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

যে দ্বীপে এখন নজর গোটা বিশ্বের, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গ্রেট নিকোবার?

মজুত করা সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য

১৬ দিনে শুনানি শেষ, সাত বছরের রামিসার ধর্ষণ-হত্যার মামলার রায় রবিবার

কেরিয়ারে খরা, ফের মুম্বইয়ের দুটি ফ্ল্যাট বেচে দিলেন অক্ষয় কুমার, কত লাভ করলেন?

দুসংবাদ নিত্যযাত্রীদের, শনি-রবিতে শিয়ালদহ ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল

গাজায় ইজরায়েলি বিমান হামলায় চার শিশু সহ নিহত ৯

তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে তিনি? মুখ খুলে হইচই বাঁধিয়ে দিলেন মহুয়া মৈত্র

বিয়ের ১০ বছর পর মা হলেন অভিনেত্রী সম্ভাবনা শেঠ, কোলে এল লক্ষ্মী ও গণেশ

লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতার পদ থেকে অভিষেককে হটানোর উদ্যোগ শুরু

পদত্যাগ করলেন বিধাননগর পুরসভার মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী

গ্রেফতার হবেন মমতা? দেশবিরোধী মন্তব্যের অভিযোগে ফের দায়ের এফআইআর

দুরারোগ্য ব্যাধি থামাতে পারেনি স্বপ্নকে, একদিনের জেলাশাসক হয়ে নজির কিশোরের

কলকাতা ওয়াটার মেট্রোতে যুক্ত হচ্ছে, ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

‘একটা সাপ মানুষের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল..’, কাকে নিশানা বাবুল সুপ্রিয়ের