আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আর জি করে হামলায় জড়িত আরও কয়েকজনের মুখ সামনে আনল কলকাতা পুলিশ

Courtesy - Twitter

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(R G Kar Medical College and Hospital) বুধবার মধ্যরাতে যে তাণ্ডবলীলা চলেছিল তা যে কড়া হাতে মোকাবিলা করতে শুরু করে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police)। ইতিমধ্যেই সেই হাঙ্গামার ঘটনায় ১৯জনকে গ্রেফতার করেছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাঁদের প্রায় সবাই বামপন্থী পরিবারের সদস্য। এলাকায় তাঁদের পরিচিতি সিপিএম সমর্থক হিসাবেই। সোশ্যাল মিডিয়াতেও আন্দোলনের নামে হাসপাতালে আক্রমণের ঘটনারও তীব্র নিন্দা চলছে। এই অবস্থায় শুক্রবার সকালে কলকাতা পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়া আরও একবার বেশ কিছু মুখের ছবি প্রকাশ করেছে যারা আর জি করের হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল। এদিন সকালে একদফা কয়েকটি মুখ সামনে এনেছিল কলকাতা পুলিশ। বেলার দিকে আরও বেশ কয়েকজনের মুখ সামনে আনলেন তাঁরা।

আরও পড়ুন, ‘পুলিশ নিজেকে রক্ষা করতে পারছে না, আইনশৃঙ্খলা কী ভাবে রক্ষা করবে’, প্রশ্ন হাইকোর্টের

আর জি করে হামলার ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে কয়েক জনের ছবি পোস্ট করে তাঁদের সন্ধান চেয়েছিল কলকাতা পুলিশ। এর পরেই তদন্তকারীদের জালে ধরা পড়েন অনেকে। একই কৌশলে আরও কয়েক জনের সন্ধান চাইল লালবাজার। শুক্রবারও কলকাতা পুলিশের তরফে আরও কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয় সমাজমাধ্যমে। সেই ছবিতে কয়েক জনের মুখ চিহ্নিত করে তাঁদের খোঁজ দিতে বলা হয়েছে। লেখা হয়েছে, ‘সন্ধান চাই: নীচের ছবিতে যাদের চেহারা চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের সন্ধান জানা থাকলে অনুরোধ, জানান আমাদের, সরাসরি বা আপনার সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে।’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) গতকালই দাবি করেছিলেন, আর জি করে হামলার ঘটনায় বহিরাগতরা জড়িত আর গোটা ঘটনার ব্লু প্রিন্ট সাজিয়েছে বাম আর বিজেপি। তবে কলকাতা পুলিশ এখনও পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করেছে তাদের কেউ বিজেপি কর্মী বা সমর্থক বলে জানা যায়নি।

আরও পড়ুন, শনিতে দিনভর দেশজুড়ে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, হবে না অপারেশনও, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই

এদিকে কলকাতা হাইকোর্ট(Calcutta High Court) আর জি করে ভাঙচুরের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নয়। এদিন আর জি করে হামলার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিকালে হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে বেশ কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। আদালত জানিয়েছে, ‘সাধারণত ১০০ জনের জমায়েত হলেই গোয়েন্দারা নজর রাখেন। ৭ হাজার মানুষের জমায়েতে তাঁরা কী করছিলেন? এত লোকের জমায়েত হল আর পুলিশের গোয়েন্দারা কিছু জানলেন না, এটা বিশ্বাস করা কঠিন।’ এখানেই না থেকে আদালত রাজ্যের উদ্দেশে প্রশ্ন করেছে, ‘১৪৪ ধারা জারির প্রয়োজন ছিল কি না দেখেছেন? এত বড় ঘটনা। চিকিৎসকরা ধর্না দিচ্ছেন। বিক্ষোভ, প্রতিবাদ হচ্ছে। রাজ্য কী করেছে? ওই ঘটনার পরে সতর্কতা হিসাবে কী করেছে পুলিশ? এটা রাজ্য প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। পুলিশ নিজেদের কর্মীদের রক্ষা করতেই পারেনি। পুলিশ নিজেকে রক্ষা করতে পারছে না। জনতাকে ঠেকাতে পারছে না। আইনশৃঙ্খলা কী ভাবে রক্ষা করবে? ভবিষ্যতে এমন ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ করবে পুলিশ, সেটা হলফনামা দিয়ে জানান।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’, ডায়মন্ড হারবারে বাইক বাহিনীর হুমকির অভিযোগ উড়িয়ে কটাক্ষ তৃণমূলের

গড়িয়াতে স্ত্রীকে খুন করে পলাতক অধ্যাপক স্বামী, পাশের ঘরে ঘুমিয়ে ৮ বছরের ছেলে

‘ভয়ঙ্কর খেলা হবে’, ডায়মন্ড হারবারে বাইক বাহিনীর হুমকি, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

Super Sunday-তে রাজ্যে মোদি-শাহ, পদযাত্রা করবেন মমতাও, একাধিক সভা রয়েছে অভিষেকের

শহরে ভোটের আগে পুলিশকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকল কমিশন

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেও জারি ইডির অভিযান, ২ ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ