একসময় ছিল শ্মশানভূমি, এখন ভিড়ে ঠাসা পর্যটনকেন্দ্র! গুজরাটের এই বিচে কী এমন রহস্য লুকিয়ে?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতের বহু পর্যটনস্থানের মধ্যে এমন কিছু জায়গা রয়েছে, যেগুলি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, রহস্যময় ইতিহাস ও অলৌকিক কাহিনির কারণেও বিশেষ পরিচিত। গুজরাটের সুরাট শহরের কাছে অবস্থিত ডুমাস বিচ তেমনই এক জায়গা। একসময় শ্মশানভূমি হিসেবে ব্যবহৃত এই এলাকা আজ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত। তবে এর পরিচিতি সবচেয়ে বেশি ‘ভারতের অন্যতম ভৌতিক সৈকত’ হিসেবে।

সুরাট শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে আরব সাগরের তীরে অবস্থিত ডুমাস বিচ স্থানীয়দের কাছে বহুদিন ধরেই পরিচিত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া, ট্রাভেল ব্লগ এবং নানা গল্পগাথার মাধ্যমে এই সৈকতের নাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রহস্যপ্রেমী ও ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা খোঁজা পর্যটকদের কাছে ডুমাস বিচ এখন অন্যতম আকর্ষণ। এই সৈকতের সবচেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্য হল এর কালো বালি। ভারতের অধিকাংশ সমুদ্রসৈকতে যেখানে সোনালি বা সাদা বালি দেখা যায়, সেখানে ডুমাস বিচের গাঢ় কালচে বালি এক অন্যরকম আবহ তৈরি করে। অনেকের মতে, বালির এই অস্বাভাবিক রঙই জায়গাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান ও ভৌগোলিক কারণে বালির রঙ এমন হতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, বহু বছর আগে এই এলাকা ছিল হিন্দুদের শ্মশানঘাট। সেই অতীতকে ঘিরেই নাকি নানা অলৌকিক কাহিনির জন্ম। অনেকেই দাবি করেন, সন্ধ্যার পর এখানে বাতাসে অদ্ভুত ফিসফিস শব্দ শোনা যায়। কেউ কেউ জানান, সৈকতে হাঁটার সময় মনে হয় যেন কেউ অনুসরণ করছে। আবার অনেকে বলেছেন, আশপাশের কুকুরদের হঠাৎ অকারণে চিৎকার করতে দেখা যায়। যদিও এসব ঘটনার কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও ডুমাস বিচকে ঘিরে রহস্যের আবহ কমেনি। বরং এই গল্পগুলিই পর্যটকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দেয়। অনেক পর্যটক শুধুমাত্র এই ভৌতিক কাহিনি শুনেই সেখানে যান, রাতে পরিবেশ কেমন বদলে যায় তা দেখার জন্য।

তবে ভয় বা রহস্যের বাইরে ডুমাস বিচ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছেও সমান আকর্ষণীয়। কালো বালির উপর দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা এখানে অন্যতম জনপ্রিয় অভিজ্ঞতা। সমুদ্রের নীল জল আর কালো বালির বৈপরীত্য চোখে পড়ার মতো। শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে কিছুটা শান্ত পরিবেশ খুঁজতে চাইলে এই সৈকত ভালো বিকল্প হতে পারে। সৈকতের ধারে রয়েছে ছোট ছোট খাবারের দোকান। সেখানে গরম স্ন্যাক্স, পাওভাজি, স্থানীয় গুজরাটি স্ন্যাকস, চা এবং ডাবের জল পাওয়া যায়। সন্ধ্যার সময় পরিবার, বন্ধুদের দল এবং পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। দিনের বেলায় ডুমাস বিচ সাধারণ সৈকতের মতোই প্রাণবন্ত থাকলেও সূর্য ডোবার পর পরিবেশ অনেকটাই নির্জন হয়ে পড়ে। স্থানীয়রা সাধারণত রাতে বেশি দেরি না করে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন। যদিও এর পিছনে নিরাপত্তাজনিত কারণও থাকতে পারে। ডুমাস বিচ সত্যিই ভৌতিক কি না, তার উত্তর আজও মেলেনি। কিন্তু এটুকু নিশ্চিত, ভারতের অন্যান্য সমুদ্রসৈকতের থেকে এটি সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়। রহস্য, ইতিহাস, প্রকৃতি এবং খাবারের স্বাদ—সব মিলিয়ে ডুমাস বিচ এখন গুজরাটের অন্যতম আলোচিত পর্যটন গন্তব্য।

অভাবের সংসার, টিনের চালেই ৩৫ বছর ধরে পূজিত হচ্ছেন ৬ দেবী, জানেন কোথায়?

দীপাবলিতে ভক্তদের উপহার দিলেন ভিকি ক্যাটরিনা, প্রকাশ্যে আনলেন ছেলে বিহানকে

রাস্তার ধারে কুলচা বিক্রি করতেন বাবা, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করে চমকে দিল ছেলে অর্জুন

‘বাজি ফাটালে অসুখ-বিসুখ চলে যায়’, মন্তব্য পাপিয়া অধিকারীর

পুড়ে ছাই হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৈরি মণ্ডপ, অবশেষে পুজো হচ্ছে পাঁশকুড়ায়

মুর্শিদাবাদে চার বছরের শিশুকে নির্যাতন করে খুনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় সৎ মা

মায়ের সঙ্গে মিলে লিভ ইন পার্টনারকে খুন করল প্রেমিকা, চাঞ্চল্য গড়িয়ায়

উৎসবের আবহে হাসপাতালে ভর্তি রণজয়, হঠাৎ কী হল অভিনেতার?

‘দেশ থেকে মাওবাদীদের মুছে ফেলা হয়েছে,’ দীপাবলিতে ঘোষণা মোদির

তৃণমূলের আচরণের জন্য বিএসএফের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সোমবার থেকে তিন দিন বদলাচ্ছে একাধিক ট্রেনের রুট! কেন এই সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের?

রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেলেন রজত পতিদার, সুযোগ পেলেন কে?

কালীঘাটে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের FIR, গ্রেফতার ২

‘রাম মন্দিরে কোনওদিন যাব না,’ মমতাপন্থী সাংসদ কীর্তির মন্তব্যে শোরগোল