আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কুয়ের বাঁধ ভেঙে ভেসে গেল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভূমি লাভপুর

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কয়েক দিনে ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত রাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকা। জলমগ্ন একাধিক জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ফুলেফেঁপে উঠেছে অনেক নদী। এবার গণদেবতার ভূমিতেও দেখা দিল বন্যা(Flood)। নদীর বাঁধ ভেঙে ভেসে গেল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভূমি লাভপুর(Labhpur)! ক্ষতিগ্রস্ত হল গ্রামের পর গ্রাম। অতি বৃষ্টির কারণে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে বীরভূমের(Birbhum) বোলপুর মহকুমার(Bolpur Sub Division) লাভপুর ব্লকের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কুয়ে নদী(Kuye River)। বাঁধ ভাঙায় এদিন জলমগ্ন হয়েছে লাভপুরের প্রায় ১৯টিরও বেশি গ্রাম। নদীতে অতিরিক্ত জল বাড়ার কারণে রবিবার ভোরে লাভপুরের ঠিবা গ্রামের তালতলা মোড়ের কাছে কুয়ে নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। নদীর বাঁধ ভাঙায় জলমগ্ন হয়ে পড়ে লাভপুরের প্রায় ১৯টি গ্রাম। বাঁধ ভাঙার কারণে ঠিবা, লাগলহাটা ,কাজিপাড়া-সহ বহু গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে রয়েছেন লাভপুর ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকেরা।   

আরও পড়ুন পূর্ব মেদিনীপুরে ৩ পুলিশ জেলার গঠনের প্রস্তুতি শুরু

গতকাল অর্থাৎ শনিবারই কুয়ে নদীর বাঁধ মেরামতির কাজ করেছিল প্রশাসন। বিডিও থেকে স্থানীয় বিধায়ক রাত পর্যন্ত এলাকায় ছিলেন। তদারক করেছিলেন মেরামতির কাজ। কিন্তু রবিবার ভোরে আচমকাই সেই বাঁধ ভেঙে যায়। বাঁধ ভাঙার কারণে হু হু করে জল ঢুকে পড়ে গ্রামে। লাভপুরের ঠিবা গ্রামের তালতলা মোড়ের কাছে বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। বাঁধ ভাঙার কারণে লাভপুরের ঠিবা, লাগলহাটা, কাজীপাড়া-সহ অনেক গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। রবিবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর প্রশাসন। চলছে মাইকিং। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের উদ্ধার করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিরাপদ স্থানে। প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, ‘শনিবার বাঁধ মেরামতির কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু রবিবার ভোরে আমরা খবর পাই, বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। মাইকিং করে আমরা গ্রামবাসীদের সতর্ক করছি। যে সব জায়গা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে সব জায়গা থেকে গ্রামবাসীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হল কৃষকদের।’

আরও পড়ুন কলকাতা পুরনিগমের ৪৪টি ওয়ার্ডে বাড়ি বানাবার ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ জারি হল

নদীর জলে গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ভেঙেছে রাস্তাঘাট। বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়েছে জল। অধিকাংশ চাষের জমি জলের তলায়। স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি, ‘শনিবার বাঁধ ভাঙার তেমন পরিস্থিতি ছিল না, কিন্তু রবিবার ভোরে জলের তোড়ে সেই বাঁধ ভেঙে যায়। হু হু করে জল ঢুকছে। চাষের ব্যাপক ক্ষতি হল। অনেক রাস্তা ভেঙে গেল। প্রশাসন সহযোগিতা করছে।’ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বীরভূমের জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা তৃণমূল নেতা কাজল শেখ। গ্রামবাসী এবং প্রশাসন কর্তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। উল্লেখ্য, এই কুয়ে নদী হল কোপাই ও বক্রেশ্বর নদীর মিলির স্রোতধারা। কোপাই ও বক্রেশ্বরের জলাধার থেকে জল ছাড়লেই ফুলে ফেঁপে ওঠে কুয়ে নদী। আর তখনই গ্রামের পর গ্রাম ডুবে যায় তার জলে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করল কমিশন, ২১ মে ফের নির্বাচন

মিহিজামের জঙ্গলে যুবক-যুবতীর দেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য,তদন্ত শুরু

রবিবার স্ট্রং রুমে ইভিএম পাহারায় বিজেপির মহিলা বাহিনী অবস্থানে বসছে

ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাটের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯০ শতাংশ

ভোট দিয়ে হরিয়ানায় ফেরার পথে পরিযায়ী শ্রমিক বোঝাই বাস রানিগঞ্জে দুর্ঘটনার কবলে

মুখপাত্র থেকে একেবারে গণনা পর্যবেক্ষক, বাড়তি দায়িত্ব পেলেন প্রতীক উর রহমান

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ