🎉 Happy Birthday Ei Muhurte 🎉

এই মুহূর্তে

রেড লাইট ভায়োলেশন ক্যামেরা বসাচ্ছে লালবাজার, বেপরোয়াভাব ঠেকাতে অভিনব পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিনিধি: শহরের বুকে প্রতিনিয়ত বেড়েছে পথ দুর্ঘটনা। বিশেষ করে রাতের মহানগরীতে বেপরোয়া গতিতে মোটরবাইক থেকে শুরু করে চারচাকার গাড়ি ছুটে চলেয তার জেরেই একের পর এক পথ দুর্ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ কলকাতার ট্রাফিক পুলিশ বিভাগের। সেখানে স্পিড ব্রেকার লাগিয়ে কিছুটা পরিস্থিতি ঠেকানো গেলেও একেবারে নির্মূল করা যায়নি। তার উপর ইএম বাইপাসের উপর একের পর এক পথ দুর্ঘটনা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার পরই এবার অভিনব পদক্ষেপ করল লালবাজার। মাথায় হেলমেট না থাকা এবং সিগন্যাল ‘লাল’ থাকলেও তাতে পাত্তা না দিয়ে গাড়ি ছোটানোর ক্ষেত্রে এবার চড়া মাশুল গুণতে হবে।

এদিকে অনেক সময়ই দেখা যায় সিগন্যাল ‘লাল’ থাকলেও তাকে মান্যতা না দিয়েই গাড়ি ছুটিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। অর্থাৎ সিগন্যাল ব্রেক করা হয়। এবার সেইসব চালকদের চাপে পড়তে হবে। কারণ লালবাজার সূত্রে খবর, শহরের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে সিগন্যাল ভাঙা হচ্ছে। গত ২০২৫ সালে তিনটি ক্রসিংয়ে প্রাণঘাতী পথ দুর্ঘটনাও ঘটেছে সিগনাল অমান্যের জেরে। তাই শহরের গুরুত্বপূর্ণ ২০টি মোড়কে ‘সিগন্যাল ভায়োলেটেড ক্রসিং’ বলে চিহ্নিত করেছে লালবাজার। তাই এবার বড় অঙ্কের জরিমানার পথে হাঁটছে লালবাজার। আর চিহ্নিত ২০টি ক্রসিংয়ে বসছে রেড লাইট ভায়োলেশন ক্যামেরা।

অন্যদিকে এই ক্যামেরায় সিগন্যাল ব্রেক ধরা পড়লেই সংশ্লিষ্ট গাড়ি এবং চালককে চাপের মুখে পড়তে হবে। আর তা থেকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। রেড লাইট সিগন্যাল ব্রেক করলেই সংশ্লিষ্ট যানের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়ের হবে ট্রাফিক মামলা। গুণতে হবে ন্যূনতম ১০০০ টাকা। এখানেই শেষ নয়, বিস্তর হ্যাঁপা সামলাতে হবে অভিযুক্ত চালককে। ট্রাফিক বিভাগ সূত্রের খবর, প্রায় আড়াই কোটি টাকা খরচ করে এই রেড লাইট ভায়োলেশন ক্যামেরাগুলি ইনস্টল করা হবে। তবে কোন কোন ক্রসিংয়ে এই ক্যামেরা লাগানো হবে সেটা জানায়নি পুলিশ। সূত্রের খবর, খিদিরপুর মোড় থেকে শুরু করে কোয়েস্ট মলের সামনের ক্রসিং, যাদবপুরের সুলেখা মোড়, বাঘাযতীন মোড় এবং ইএম বাইপাসের ক্রসিংয়েও এই অত্যাধুনিক ক্যামেরা বসতে পারে।

এছাড়া লালবাজার সূত্রে খবর, প্রত্যেক ক্রসিংয়ে দু’টি সিগন্যাল পোস্ট থাকে। আর এই দু’টি পোস্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩০ মিটারের ব্যবধান থাকে। আর কোনও গাড়ি লাল সিগন্যাল পোস্ট না মেনে এগোলেই রেড লাইট ভায়োলেশন ক্যামেরায় বন্দি হবে। এই অত্যাধুনিক রেড লাইট ভায়োলেশন ক্যামেরাগুলিতে অটোমেটিক নম্বরপ্লেট রেকগনিশন প্রযুক্তি রয়েছে। তাতে বিধিভঙ্গকারী গাড়ির ছবি, নম্বরপ্লেট, লোকেশন ধরা পড়বে। এইসব তথ্য চলে যাবে লালবাজারের সার্ভারে। তারপরই রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে চলে যাবে জরিমানার মেসেজ। আর ট্রাফিক বিধিভঙ্গের সময়ের ছবিটিও চলে আসবে গাড়ির মালিকের মোবাইলে। কলকাতা পুলিশের অ্যাপ বা পোর্টাল থেকেই জরিমানার টাকা জমা করতে পারবেন বেপরোয়া চালক অথবা গাড়ির মালিক।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট দূরঅস্ত, পুলিশে বদলির ডেডলাইল দিয়ে বিতর্কে নির্বাচন কমিশন

স্কুলের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা BLO-র, কী বলছে পরিবার?

টায়ার ফেটে উল্টে গেল পিকআপ ভ্যান, খড়্গপুরে মৃত ১, আহত ১০

রাজ্য বাজেটে জনমোহিনী প্রকল্প যুব সাথী, আবেদন করবেন কেমন করে? জানুন

রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর, এবার এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেও থামবে এক্সপ্রেস ট্রেন….

এসআইআর পর্বে বাংলার ক্ষতি ২ হাজার কোটি টাকা, গবেষণা রিপোর্টে পর্দা ফাঁস

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ