চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌পুরুলিয়ায় ৯–০ করুন ৬ মাসের মধ্যে সব দাবি পূরণ’‌, সভা থেকে বড় ঘোষণা অভিষেকের

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরুলিয়ার জনসভা থেকে অতীত–বর্তমানের মধ্যে উন্নয়নের তুলনা টেনে এখানে বিজেপিকে শূন্য করার ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই কাজ করলেই ফলাফলের ৬ মাসের মধ্যে এখানকার জনগণের সব দাবি পূরণ করবেন তিনি। আজ, বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার জনসভা থেকে এমনই ঘোষণা করলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। যা নিয়ে এখন জেলায় জোর আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

এদিকে পুরুলিয়ায় বিজেপি জিতে এখানে তেমন কোনও কাজ করেনি বলে অভিষেকের অভিযোগ। সেই অভিযোগ শুনে সমর্থন জানান উপস্থিত বিশাল জনসাধারণ। বাংলার যে উন্নয়ন গত ১৫ বছরে হয়েছে তার খতিয়ানও তুলে ধরেন তিনি। ২০১১ সালের আগে পুরুলিয়ার অশান্ত অতীতের কথা তুলে ধরেন তিনি। জঙ্গলমহলে একসময়ের মাওবাদী নাশকতার প্রসঙ্গ তুলে অভিষেকের দাবি, ‘‌ওই ভয়াল দিন পেরিয়ে আজ এলাকায় শান্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরেছে। বাম আমলে পুলিশের এমন অবস্থা ছিল যে সকাল ১০টাতেও থানা থেকে বেরোতে ভয় পেত। আজ সেই ছবি বদলেছে। ১৯৯৮ সালে ঝালদায় তৃণমূলের জেতা প্রধানকে সিপিএমের হাতে খুন হতে হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর কটি মাওবাদী নাশকতা হয়েছে?’‌

অন্যদিকে একের পর এক প্রকল্প মানুষের জীবনে কতটা বদল ঘটিয়েছে সেটাও তুলে ধরেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। এই পুরুলিয়ার সভা থেকেই মোদি–শাহকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। অভিষেক বলেন, ‘‌মোদিবাবু, অমিত শাহ, জ্যোর্তিময় সিং মাহাত যাঁরা আজ বড় বড় ভাষণ দেন, ২০১১ সালের আগে পুরুলিয়ার মাটিতে তাঁদের টিকিটা খুঁজে পাওয়া যেত না। আজ এসে শান্তি–শৃঙ্খলার কথা বলছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে আজও মাওবাদী–সিপিএমের বোমা–বন্দুকের নীচে মাথা নিচু করেই বাঁচতে হত। লাল মানে থামো, গেরুয়া মানে ধীরে চলো, আর সবুজ মানে এগিয়ে চলো। বাম আমলের ‘হার্মাদ’রাই এখন বিজেপির ‘জল্লাদ’। নতুন বোতলে পুরনো মদ।’‌

এছাড়া পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোর্তিময় সিং মাহাতকে সরাসরি নিশানা করেন অভিষেক। মোদি সরকারের ১১ বছরে সাংসদ হিসেবে এলাকার জন্য কী উন্নয়ন হয়েছে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রেলের হালচাল নিয়েও কটাক্ষ করেন। চক্রধরপুর এক্সপ্রেস, পুরুলিয়ার এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলির নিয়মিত দেরিতে চলার প্রসঙ্গ তুলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‌একটা ট্রেনই যদি সময়ে হাওড়া পৌঁছতে না পারে, তা হলে এত বছরে সাংসদ কী করলেন? ট্রেন লেটের সমস্যা নিয়েও যাঁর কোনও উদ্যোগ নেই, তিনি নাকি উন্নয়নের কথা বলবেন? এক মাস পর আবার আমি পুরুলিয়ায় আসব। যে অঞ্চলে যেতে বলা হবে, সেখানেই যাব। যাঁরা তৃণমূলকে ‘বাংলাদেশি’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের ভোটের মাধ্যমেই শিক্ষা দিতে হবে। আমি এক কথার ছেলে। জানি এখানকার মানুষের অনেক দাবি এখনও পূরণ হয়নি। তবে কথা দিয়ে যাচ্ছি, পুরুলিয়ার সব আসনে তৃণমূল জিতলে ৬ মাসের মধ্যে আপনাদের সব দাবি পূরণের চেষ্টা করব।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফের নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার ১ কোটি টাকা, চাঞ্চল্য তমলুকে

ক্ষমতায় এলে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের লাথি মেরে তাড়ানোর হুমকি হেমন্তের

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌মথুরাপুরকে আলাদা মহকুমা করা হবে’‌, রায়দিঘি থেকে বড় আশ্বাস অভিষেকের

ডুয়ার্সের মাল বিধানসভা কেন্দ্রে জোরকদমে নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ