চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভয়ঙ্কর ঘটনা, মেখলিগঞ্জের রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছে পাকিস্তানি টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের রানিরহাটের মোটা সন্ন্যাসী এলাকা থেকে উদ্ধার হল পাকিস্তানের টাকা। তাও আবার কোথাও অভিযান চালিয়ে নয়। রাস্তাতেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল সেই নোট। এক দোকানদার ওই নোট কুড়িয়ে পান। একটি ১০০ টাকার নোট এবং একটি ১০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছে। নোটে ছবি দেওয়া মহম্মদ আলি জিন্নাহ’র। পাকিস্তানের টাকা বাংলায় কোথা থেকে, কীভাবে এল পাক টাকা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গোয়েন্দারা বলছেন বাংলাদেশে পাচারের সময় ভারতে পরে যায় পাকিস্তানি টাকা।

তাহলে কি সীমান্তে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে পাকিস্তানি নাগরিক, উঠছে এই প্রশ্ন। সেই সঙ্গে এও প্রশ্ন উঠছে বাংলাদেশকে করিডোর করেই কি ভারতে জায়গা নিচ্ছে পাক জঙ্গি? তাদের আসার সময়ই কি কোনওভাবে পকেট থেকে টাকা পড়ে যায়? জামাত ইসলামের একাধিক জেল থেকে পালানো জঙ্গি ভারতে প্রবেশ করেছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি নিয়ে প্রবেশ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর তৎপর হয়েছেন গোয়েন্দারা। যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে। সকাল থেকে ওই টাকা দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। খবর দেওয়া হয় মেখলিগঞ্জ থানায়। পুলিশ এসে টাকা উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

সম্প্রতি ভারইতিয় গোয়েন্দারা সাবধান করেছেন সকলকে। জানিয়েছেন আসন্ন দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে নিজেদের জাল বিস্তার করতে চাইছে পাকিস্তান। উৎসবের মরশুমে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে  পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই।

আইএসআই  ‘স্পনসর্ড’ ভারতীয় জাল নোট কারবারের বাংলাদেশি সিন্ডিকেট নিজেদের পরিসর বিস্তার করতে চাইছে এ রাজ্যে। ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা উৎখাত হয়। তার ঠিক পরেই বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জে ভারতীয় জাল নোট কারবারীদের মাথারা তৎপর হয়ে ওঠে। প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায় জাল নোট তৈরির কারবার। কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার জাল নোট এপারে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশের ওই সিন্ডিকেট। পশ্চিমবঙ্গ নিশানার অগ্রভাগে রয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর গত দু’মাস ধরে মালদহের কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগর সীমান্তের ওপারে শিবগঞ্জ থানার শাহবাজপুর, পারদিলালপুর, কানসাট, বিনোদপুর, খোন্দা এবং চাঁপাই নবাবগঞ্জ শহরের নেয়ামতনগর, গোপালপুর ও রসুলপুরের মতো এলাকায় জাল নোট তৈরির কারবার বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই সমস্ত এলাকার বিভিন্ন গৃহস্থ বাড়িগুলি জড়িয়ে পড়ছে এই ভয়ঙ্কর কাজে। সেসব বাড়িতেই নয় নয় করে মজুত রাখা হয়েছে কোথাও ২৫ লক্ষ, কোথাও ৫০ লক্ষ আবার কোথাও দু’তিন কোটি টাকার ভারতীয় জাল নোট। এই সব নোটের ৯৫ শতাংশই ৫০০ টাকার।

জাল নোট অধিকাংশ ক্ষেত্রে তৈরি হচ্ছে পাকিস্তানে। এই নোটগুলির বড়সড় অংশ যেমন পাকিস্তানের করাচি ও কতরি শহরে ছাপা হয়ে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেকার্গো কন্টেনারে করে ডিপ্লোমেটিক ট্যাগ নিয়ে ঢাকায় আসছে। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া চাঁপাই নবাবগঞ্জ, তারপর সরাসরি প্রবেশ করবে বাংলায়- এই তাদের পরিকল্পনা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ