আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘নিজের কাউকে হারালাম’, সমীর পুততুণ্ড প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বার্ধক্যজনিত দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষ পর্যন্ত থেমে গেল। প্রয়াত হলেন প্রবীণ পিডিএস নেতা সমীর পুততুণ্ড। রবিবার রাত সওয়া ১১টা নাগাদ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। পিডিএসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সমীর পুততুণ্ড সিওপিডি’‌র সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সাতদিন আগে। দু’দিন আগে তাঁর মারাত্মক হার্ট অ্যাটাক হয়। শেষমেশ রবিবার বেশি রাতে প্রয়াত হলেন বাম রাজনীতির বর্ণময় চরিত্রের। রেখে গেলেন স্ত্রী অনুরাধা পুততুণ্ডকে। আর এই খবর পেয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে ১৯৫২ সালে সমীর পুততুণ্ডের জন্ম। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি। সিপিএমের ছাত্র আন্দোলন থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু। পরে তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সিপিএম জেলা সম্পাদকও হন। আর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান। সংগঠক হিসেবে দলের অন্দরে তাঁর যথেষ্ট সুনাম ছিল। তবে দলের ‘রাজনৈতিক লাইন’ নিয়ে মতবিরোধেই শেষ পর্যন্ত দূরত্ব তৈরি হয়। সিপিএম ছেড়ে নতুন দল গঠনের ভাবনায় দল ছাড়েন তিনি। সিপিএম তাঁকে বহিষ্কার করে। তখন আর এক বহিষ্কৃত নেতা স‌ইফুদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে মিলেই গড়ে তোলেন নতুন দল পিডিএস।

 

অন্যদিকে সমীর পুততুণ্ডের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘একদা বাম আন্দোলনের শক্তিশালী নেতা সমীর পুততুণ্ডকে হারিয়ে আমি খুবই মর্মাহত বোধ করছি। মনে হচ্ছে, আমি নিজের কাউকে হারালাম। সিঙ্গুর–নন্দীগ্রাম আন্দোলনে একসাথে কাজ করেছি। অনুরাধাদিকে সান্ত্বনা জানানোর ভাষা নেই, তবুও সর্বদা পাশে আছি।’ প্রয়াত পিডিএস নেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন পূর্ণেন্দু বসু, দোলা সেন–সহ অন্যান্য নেতারা। সিঙ্গুর–নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের সময় তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন পুততুণ্ড দম্পতি। সিঙ্গুরে আন্দোলনের মঞ্চে তাঁদের উপস্থিতি ছিল রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

এছাড়া নির্বাচনী সাফল্য পাননি সমীর পুততুণ্ড। কিন্তু স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বজায় রেখেছিল পিডিএস। প্রতি বছর ‘ভারত সংখ্যা’ প্রকাশ করতেন সমীর–অনুরাধা। জীবনের শেষ পর্যন্ত সিপিএমের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল তিক্ত। এবার বাম রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান হয়ে গেল। দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের অন্যতম অভিভাবক ছিলেন সমীরবাবু। যুক্ত ছিলেন অন্য নানা নাগরিক আন্দোলনেও। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সিপিএমের কট্টর সমালোচনা করে গিয়েছেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লাগাতার বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা পাকা ধানে, মাথায় হাত কৃষকদের

‘রং দে তু মোহে গেরুয়া’, ভোটের ফলের আগেই বড়বাজারে গেরুয়া আবিরের চাহিদা তুঙ্গে

লুঙ্গি বিতর্কে নয়া মোড়, ভোটারদের অধিকার রক্ষায় অভিনব উদ্যোগ তৃণমূলের

স্ট্রং রুমে সিসিটিভিতে ‘গোলযোগ’ অভিযোগে সরব তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস

অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্নায় বসছেন অধীর চৌধুরী, বহরমপুর পুরসভাকে হুঁশিয়ারি কংগ্রেস প্রার্থীর

স্ট্রং রুমের সামনে মমতা ৪ ঘন্টা পাহারা দেওয়ার পরে সতর্ক শুভেন্দু ,দলীয় কর্মীদের নিয়ে ডাকলেন জরুরি বৈঠক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ