চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘উত্তরবঙ্গে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে’, নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন মমতা

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ভাসছে। কালিম্পঙে ধস নেমেছে। সিকিমও বিধ্বস্ত। এই অবস্থায় সোম বিকালে নবান্নে(Nabanna) সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) জানালেন, ‘উত্তরবঙ্গে(North Bengal) বন্যার আশঙ্কা(Possibility of Flood) রয়েছে, আমি রিপোর্ট থেকে দেখেছি।’ স্বাভাবিক ভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে উত্তরবঙ্গের বুকে। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরবঙ্গের ৩-৪টি জেলা। রীতিমতো ফুঁসছে করলা, তিস্তা, জলঢাকা। একাধিক রাস্তায় নেমেছে ধস। যার জেরে শিলিগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সিকিমের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। এই সমস্যার দায় কেন্দ্রের কাঁধেই চাপালেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ভূটান থেকে জল আসছে, যার জেরে ভুগতে হচ্ছে বাংলাকে। রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি অনেক কিছুই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ইতিমধ্যেই।

এদিনের বৈঠকে মমতা বলেন, ‘বর্ষা বাংলায় একটু বেশি হয়। বাংলা নদীমাতৃকা দেশ। নদী, পুকুর বেশি। এখানে অনেক কোস্টাল এলাকা আছে। পশ্চিমাঞ্চল, সুন্দরবন আছে। উত্তরবঙ্গ বন্যা ভাসছে। বিশেষ করে সিকিমে বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তায় ধস নেমেছে। পর্যটক আটকে রয়েছেন। তাঁরা ফিরে আসতে পারেন যাতে দেখে নিতে হবে। খুব বর্ষায় যেন কেউ পাহাড়ের দিকটা, অ্যাডভেঞ্চার করতে না যায়। কারণ সবসময় কালিম্পংয়ে ধস নামে। সরু রাস্তায়, তিস্তা ভরা জল। বর্ষায় এটা মাথায় রাখতে হবে। গরমে আবার তিস্তায় জল নেই। এটা মাথায় রাখতে হবে। আমি জেলাশাসক, এসপিদের কাছ থেকে যা রিপোর্ট পেয়েছি, বন্যার আশঙ্কা রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। সেচ দফতর(Irrigation Department) অক্টোবর পর্যন্ত মনিটরিং সিস্টেম চালু করে। এবারও করতে হবে। নম্বর চালু করতে হবে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করেও রেহাই পাচ্ছি না। রাস্তায় ধস নেমেছে, বহু জায়গায় নদীর পার ভেঙেছে। রাস্তা ভাঙলে কেন্দ্রকে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। পাহাড়ি এলাকায় আর্মি যাতায়াত করে। এটা আর্মির দায়িত্ব ধস নামলে রিস্টোর দ্য সিচুয়েশন। রাজগঞ্জ, মাল, ক্রান্তি, জলপাইগুড়ি সদর, জলপাইগুড়ি পুর এলাকার কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৯টা ফ্লাড সেন্টার তৈরি করেছি। ৫০০ জন আছেন তাতে। তবে মালের কথা ভুললে চলবে না। এরপর তো বান আসবে। পুজোর আগে যে বান হয়। তাতে তো ৬-৭ জন ভেসে গিয়েছিল। আমি ছুটে গিয়েছিলাম। হড়পা বান।’

এর পাশাপাশি তিনি জানান, ‘কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙায় ১২টি রিলিফ সেন্টার এবং ৬টি কিচেন খোলা হয়েছে। সেচ দফতরের বেশি কাজ । এখন থেকে সব দফতরের সঙ্গে কোঅর্ডিনেশন করে নিন। ২৪ ঘণ্টার একটি প্রোগাম করবেন যাতে কোনও ঘটনা ঘটলে পঞ্চায়েত, বিডিও এবং পুরসভাগুলি থেকে যাতে খবর পাওয়া যায়। জেলাশাসকদের বলব পঞ্চায়েতগুলি অর্ডার বের করে বিষয়টি নিয়ে জানাতে হবে। পর্যাপ্ত ত্রিপল, খাবার দিতে হবে। অনেক সময় বর্ষায় বিদ্যুতের তারগুলো কারেন্ট হয়ে থাকে। দয়া করে তারে এখন কেউ হাত দেবেন না। কিছুক্ষণের জন্য টিভি বন্ধ রাখবেন। কালিম্পংয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এনএইচ ১০ এ ধ্বস নেমেছে। কিন্তু নজরদারি রাখবে। অকারণে খরচ করবে না। দার্জিলিং এখনও স্বাভাবিক, আলিপুরদুয়ার স্বাভাবিক। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর স্বাভাবিক। তবে পুনর্ভবা নদী বিপদসীমার উপরে বইছে। এটা দেখে রাখতে হবে। জলপাইগুড়ির মানুষ জানেন, আগে করোলা নদী ভাসত। আমরা ২০ কোটি টাকা খরচ করে ব্যবস্থা করেছি। ভুটানের জল এসে আলিপুরদুয়ার ভাসে। জলপাইগুড়ি ভাসে। ফরাক্কার আশপাশে জলে ভাসে বহু এলাকা। তুফানগঞ্জে ত্রাণকেন্দ্র চলছে। সব দেখতে হবে কাজ। ২৪ ঘণ্টার জন্য বিপর্যয় মোকাবিলার ব্যবস্থা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেচ দফতরে শিফটিং ডিউটি করা হবে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দু’‌দিন পর আবার বাংলায় আসছেন রাহুল গান্ধি, ভোট মরশুমে সভা করবেন কোথায়?‌

‘‌বিজেপি শুধুই মিথ্যার পর মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়’‌, পুরুলিয়া থেকে তোপ অভিষেকের

‘‌১০ টাকা কখনও ওঁর পকেটে থাকে? কত নাটক!’‌ মোদির ঝালমুড়ি রাজনীতিকে তোপ মমতার

মুখ্যমন্ত্রীর নামে বিজেপি কর্মীদের কটুক্তি, প্রতিবাদ করায় হাত ভাঙল সিভিক ভলান্টিয়ারের

ভোটের আগে নদিয়ার ভোটার তালিকায় পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য রদবদল

নিখোঁজ অভিজিৎ গাঙ্গুলী,ভোট প্রচারে নেই সাংসদ,পড়ল একাধিক নিখোঁজ পোষ্টার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ