Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...

অশান্ত নেপালে আটকে বাংলার তিন গবেষক, দেশে ফেরানোর আশ্বাস পুলিশের

আতঙ্কে দ্রুত নেপাল ছাড়ছেন ভারতীয় নাগরিকরা। এমন পরিস্থিতিতে সে দেশে আটকে রয়েছে আলিপুরদুয়ারের বারোবিশা, কোচবিহারের দিনহাটা ও জলপাইগুড়ির একজন করে গবেষক।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সেমিনারে গিয়ে নেপালে আটকে পড়লেন বাংলার তিন গবেষক। দিন তিনেক ধরে জ্বলছে নেপাল। সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিলেন GEN-Z নেতৃত্বাধীন তরুণ প্রজন্ম। যদিও এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী নেপাল দখলে নিয়েছে। এবং গতকাল থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা অবধি বহাল থাকবে। সেই কারণে অশান্ত নেপালে এখন একটু শান্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। ৪ সেপ্টেম্বর দেশটিতে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব-সহ প্রায় ২৬ টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেই নিয়েই বিক্ষোভে নামেন তরুণ প্রজন্ম। পরিস্থিতির বেগতিক দেখেই সেনাকর্তার নির্দেশে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালান কেপি শর্মা ওলি। এরপর থেকেই নেপালের শাসনে রয়েছে সেনা। এদিকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চালানো হয়েছে, স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কে মারধর করা হয়েছে।

বিদেশমন্ত্রী আরজু দাউবা কে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তিনিও এখন গায়েব দেশ ছেড়ে। এমতাবস্থায় নেপালে ঘুরতে গিয়ে আটকে গিয়েছিলেন ৪০০ ভারতীয়। তাদের আনার ব্যবস্থা করেছে ভারত। সেনাবাহিনীর বিশেষ বিমান পাঠিয়ে তাদের আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এখন নেপালের থমথমে পরিস্থিতি। পড়ে আছে পার্লামেন্টের ধ্বংসাবশেষ। চলছে সেনাবাহিনীর নজরদারি। আতঙ্কে দ্রুত নেপাল ছাড়ছেন ভারতীয় নাগরিকরা। আতঙ্কে সে দেশের নাগরিকরাও। এমন পরিস্থিতি্তে নেপালে আটকে রয়েছে আলিপুরদুয়ারের বারোবিশা, কোচবিহারের দিনহাটা ও জলপাইগুড়ির একজন করে গবেষক। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে ত্রিপুরার এক গবেষকও রয়েছেন। ফলে উদ্বেগ বাড়ছে গবেষকদের পরিবারের।

জানা গিয়েছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর নেপালের কাঠমান্ডুতে চারজন গবেষক গিয়েছিলেন। বাংলার তিন গবেষকের নাম যথাক্রমে মণিহার তালুকদার, সৌভিক চক্রবর্তী, ময়ূখ ভট্টাচার্য। আর আগরতলার বাসিন্দার নাম স্বপ্নজিৎ চৌধুরী। তাঁরা সকলেই পিএইচডি স্কলার। ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও তার প্রভাব’ সম্পর্কিত বিশ্ব কংগ্রেস (CCIE ২০২৫) এ যোগ দিতে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে গিয়েছিলেন তাঁরা। গত ৯ সেপ্টেম্বর সম্মেলন শেষ করে ফিরে আসার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ততক্ষণে নেপালের ভয়াবহ আন্দোলন শুরু হয়ে গিয়েছে। ফলে আর নেপাল ছেড়ে বেরোতে পারেননি চার গবেষক। কাঠমান্ডুর পশুপতি নাথ মন্দিরের কাছে একটি হোটেলে আটকে রয়েছেন তাঁরা। এখন সে দেশে আটকে পড়া নাগরিকদের ফেরানোর সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ তিনি বর্তমানে উত্তরবঙ্গে থেকে নেপালের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। পুলিশ বাংলার গবেষকদের ফেরানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন।

‘হাতেপায়ে ধরলে ঠিক বিজেপি হয়ে যাবেন’, এবার কবীর সুমনকে তোপ তসলিমা নাসরিনের

ভোটের ফল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন মমতা

নবান্নে গিয়ে মুখ্যসচিব ও ডিজিকে কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা শমীকের

পুশ ব্যাক রুখতে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া সীমান্তে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

রাজ্যে গোলমালকারীদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা

প্রভাস ভক্তদের জন্যে খারাপ খবর! পিছিয়ে গেল ‘স্পিরিট’-এর মুক্তি

শুটিংয়ের ফাঁকেই হাসপাতালে অক্ষয় কুমার, চোখে অপারেশন হল নায়কের

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কার্তিক মহারাজের নাম প্রস্তাব করলেন সাধু সন্ন্যাসীদের একাংশ

শুভেন্দুই মুখ্যমন্ত্রী! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল আমন্ত্রণ পত্র, উত্তর দিল বিজেপি

মমতার সরকার বিদায় নিতেই তিস্তার জল পাওয়া নিয়ে আশাবাদী তারেক রহমান

বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? আগামিকালই জানাবেন অমিত শাহ

জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা থাকছে মমতার, জানিয়ে দিলেন ডিজি

পাকিস্তানের সঙ্গে খেলাধুলার সম্পর্ক স্থগিত রাখল ভারত

মোদিকে অনুসরণ তারেকের, কনভয় থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য রাস্তা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী