দলীয় কাউন্সিলরদের নজরদারি! সমন্বয়ের বার্তা তৃণমূলের

সাম্প্রতিককালে পুরনির্বাচনে জয়ী দলের ১৮৭২জন কাউন্সিলরকে নিজেদের নজরদারির আওতায় আনছে তৃণমূল, আর সেটাও সমন্বয়ের মোড়কে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদ্য সদ্য শেষ হয়েছে বাংলার(Bengal) ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনী(Municipal Election) প্রক্রিয়া। ওই ১০৮টি পুরসভার মধ্যে তৃণমূল(TMC) একাই দখল করেছে ১০৩টি পুরসভা। বামেরা পেয়েছে মাত্র ১টি পুরসভা। ৪টি পুরসভায় ফল ত্রিশঙ্কু হলেও সেখানেও তৃণমূলই বোর্ড গড়ার পথে এগিয়ে চলেছে। আর এই ১০৮টি পুরসভায় তৃণমূলের দলীয় কাউসিলরের(Councilor) সংখ্যা ১৮৭২জন। কার্যত পুরসভা এলাকায় এরাই দলের জনপ্রতিনিধিত্ব করছেন। আগামী ৫ বছর এরা কেমন পরিষেবা দেন সে দিকে যেমন আমজনতা তাকিয়ে থাকবেন তেমনই এদের পরিষেবার ওপরেই নির্ভর করবে আগামী দিনের নির্বাচনগুলিতে বাংলার পুরসভা এলাকার মানুষজন তৃণমূলকে কতটা সমর্থন করবেন সেই বিষয়টিও। রাজ্যের শাসক দল এর আগে দেখেছে স্থানীয় স্তরে আমজনতার ক্ষোভের মাশুল গুণতে হয়েছে দলকে। তাই সময় থাকতে থাকতেই সদ্য জয়ী এই ১৮৭২জন কাউন্সিলরকে নিজেদের নজরদারির আওতায় আনছে তৃণমূল, আর সেটাও সমন্বয়ের মোড়কে। মূলত ওই কাউন্সিলরদের জীবনযাত্রা, কাজকর্ম ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়টিই এক্ষেত্রে দেখা হবে বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।

কাউন্সিলরদের কাজ নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন সাধন এবং আমজনতার সঙ্গে পুরসভার যোগাযোগ রক্ষা তথা সুসম্পর্ক গড়ে তোলা। কিন্তু গত কয়েক দশক ধরেই দেখা যাচ্ছে অনেকেই এই পদকে কাজে লাগিয়ে কার্যত দুই হাতে টাকা কামিয়ে যাচ্ছেন। সামান্য পরিষেবা দিতে গিয়েও তাঁরা টাকাপয়সা চেয়ে নিচ্ছেন বলেও বারংবার অভিযোগ উঠেছে এই রাজ্যে। একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে তাঁদের জীবনযাত্রার মধ্যেও প্রচুর পরিবর্তন এসে যাচ্ছে ভোটে জেতার পরে পরেই। চালচলনে দাপট তো দেখাই যাচ্ছে, সেই সঙ্গে দেখা যাছে বিষয়আশয়, সম্পত্তি, গাড়ি, বাড়ি হাঁকিয়ে ভিখারি থেকে কোটিপতি হয়ে বসে আছেন তাঁরা। আর এই সব জিনিস আমজনতা মোটেও ভাল চোখে দেখছেন না। ওতীতে দেখা গিয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই কুকীর্তির জেরে রাজ্যের শাসক দলকে আমজনতার ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। নির্বাচনে খারাপ ফল হয়েছে। এই ঘটনা যাতে আর না হয় তাই এখন থেকেই সদ্য সদ্য জয়ী কাউন্সিলরদের এবার দলের নজরদারির আওতায় আনতে চাইছে তৃণমূল।

এই বিষয়ে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়(Partha Chatterjee) জানিয়েছেন, ‘কাউন্সিলরেরা একেবারে নীচের স্তরে দলের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। তাঁদের মাধ্যমেই দলের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ থাকে। ফলে স্বচ্ছতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও পরিষেবা বজায় রাখতে পারলে রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করা যায়। রাজ্য সরকারের অসংখ্য প্রকল্প রয়েছে। সেগুলি রূপায়ণে স্থানীয় প্রশাসনিক সংস্থাগুলি কার্যকর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে মানুষের সংযোগ করে দিতে পারলেই যথেষ্ট। সরকারি কাজে দলের কোথাও খবরদারি করার দরকার নেই। শুধু সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছনোর ক্ষেত্রে কোথাও ব্যক্তিগত পছন্দ, স্বার্থ ইত্যাদি থাকলে দল তা বন্ধ করবে। সেই কারণেই নজরদারি প্রয়োজন।’ উল্লেখ্য আগামিকাল থেকেই শুরু হয়ে যাবে ওই ১০৮টি পুরসভায় চেয়ারম্যান পদের ঘোষণা ও পুরবোর্ড গড়ার কাজ। দোলের আগেই গোতা বিষয়টি সম্পন্ন হবে।

ধনতেরাস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

‘থানায় বসে ঋতব্রতদের হয়ে হলফনামায় সই করেছে পুলিশ,’ বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের

নৃশংস হত্যাকাণ্ড! স্ত্রী-সহ শ্বশুরবাড়ির সাতজনকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ, গ্রেফতার ক্যাবচালক

সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে ধনতেরাসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানলেন প্রধানমন্ত্রী

কালীপুজোর পরই আবহাওয়া বদলের পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীত পড়বে কবে?

দিল্লির করোল বাগের বাজারে ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

আজকের রাশিফল: ধনতেরাসে কাদের ঘরে আসবে ধন-সম্পদ! কার ভাগ্যে অশনি সংকেত?

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন